sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » ব্রেক্সিট: বাণিজ্য চুক্তির বিশ্লেষণে মৎস্য আহরণে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে ইইউ




চূড়ান্তভাবে ব্রেক্সিট কার্যকরের আগ দিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে ব্রিটেনের করা বাণিজ্যিক চুক্তির চুলচেরা বিশ্লেষণ শুরু হয়েছে চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকেই। এর মধ্যে জানুয়ারির প্রথম ১০ দিন ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের পক্ষ থেকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়েছে মৎস্য আহরণের সুবিধা-অসুবিধাগুলো। সোমবার (১১ জানুয়ারি) ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের মৎস্য কমিটির একটি সেশনও অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২৬ ডিসেম্বর ব্রেক্সিট পরবর্তী বাণিজ্য চুক্তিতে আনুষ্ঠানিকভাবে উভয় পক্ষ সই করলেও সুবিধা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এখনও কাজ চলছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৪৫ কোটি ভোক্তার কাছে পণ্য নিয়ে পৌঁছতে যুক্তরাজ্য কোথায় শুল্ক মুক্ত ও কোথায় অগ্রাধিকার পাবে তা আমলে নিয়ে বিশ্লেষণ করছে ইইউ ও বৃটেন। ফেব্রুয়ারির শেষ পর্যন্ত এসব সুবিধার বিষয়ে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ রয়েছে। বর্তমান সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী সাড়ে ৫ বছর মৎস্য শিকার বিষয়ে অন্তর্বর্তীকালীন সুবিধা পাবে যুক্তরাজ্য। এরপর থেকে সামুদ্রিক মৎস্য শিকারে বৃটেনের পরিধি বাড়বে। আর ওই সময় থেকে ব্রিটেনের সীমানায় ইউরোপীয় ই্উনিয়নের সদস্যভুক্ত দেশের নৌযান মাছ শিকারে এলে যুক্তরাজ্য বাধা দিতে পারবে। আর জোটের সীমানায় ব্রিটেনের জেলেরা গেলে জোট জরিমানা আরোপ করতে পারবে। তবে, ২০২৬ সাল থেকে মৎস্য আহরণ ইস্যুতে সুবিধা মতো অবস্থান ধরে রাখতে উভয়পক্ষকে নিয়মিত বৈঠকে বসে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। গতকাল অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্প্যানিশ আইনপ্রণেতা গ্যাব্রিয়েল মাতো। মাতো ইউরোপীয় ইউনিয়নের আইনপ্রণেতা হিসেবে আগে কাজ করেছেন। তাকে ওই বৈঠকে ডাকা হয়েছিল দুই মাসের এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়সীমা শেষ হলে তারপর উভয়পক্ষের সুবিধাজনক অবস্থানের ক্ষেত্রে কি কি ঘটতে পারে। বৈঠক শেষে বলেন, আগামীতে সমস্যা রয়েছে। আর এই আগামী শুরু হয়েছে গত বছরের শেষ সময়ে এসে ব্রেক্সিট পরবর্তী আনুষ্ঠানিক চুক্তি সই করার পর থেকেই। মাতো আরও বলেন, আমরা এতে খুশি যে ব্রিটেনের সঙ্গে আমাদের একটি বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে। এটা অবশ্যই উভয়পক্ষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ তবে মৎস্য আহরণের মতো ইস্যুতে আমরা কেউই খুব বেশি খুশি নয়। কারণ, এই ইস্যু নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন। আগামী সাড়ে ৫ বছরের জন্য ইস্যুটিতে একটা চুক্তি হয়েছে। এটা মন্দের ভালোর চেয়ে বেশি কিছু না। এখনও এখানে অনেক কিছু বাকি রয়েছে। আমরা এই বিষয়ে যথেষ্ট পরিষ্কার না যে, জেলেরা কিভাবে তাদের সুবিধা মতো মাছ শিকার করবে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply