sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » চকবাজারের চুড়িহাট্টা ট্র্যাজেডির দুই বছর




চুড়িহাট্টা ট্র্যাজেডি: দুই বছরেরও শেষ হয়নি তদন্ত চকবাজারের চুড়িহাট্টায় আগুন

হলেও এখনো তদন্ত শেষ করে অভিযোগপত্রই জমা দিতে পারেনি পুলিশ। তবে জামিনে বের হয়ে সংস্কার কাজ করছেন ওয়াহেদ ম্যানশনের মালিক । এদিকে, বিচার ও ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় ক্ষুদ্ধ নিহত ৭১ জনের স্বজনেরা। কিভাবে ঘটলো বিস্ফোরণ? কেনো অকারণে-অসময়ে ঝরলো ৭১টি তাজা প্রাণ? দায় কার? পুরান ঢাকার চুড়িহাট্টা ট্র্যাজেডির ২ বছর পরও এর উত্তর খুঁজছেন নিহতদের স্বজনেরা। বিচার তো দূরের কথা, শেষ হয়নি তদন্তও। বিচারের দীর্ঘসূত্রতার সুযোগে, উচ্চ আদালত থেকে জামিনে মুক্ত মামলার প্রধান দুই আসামি। তারা ওয়াহেদ ম্যানশনের ঝলসে যাওয়া দেয়ালে রং মাখাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী চলছে ভবটির মজবুতায়নের কাজ। তৈরি হয়েছে নতুন দোকানও। তবে ভাগ্যক্রমে বেঁচে যাওয়া মানুষগুলো হয়তো ফিরেছে স্বাভাবিক জীবনে। কিন্তু সেদিনের সেই ভয়াল স্মৃতি আজও তাড়া করছে তাদের। ডিএমপির এডিসি (মিডিয়া) ইফতেখায়রুল ইসলাম জানান, অনেক আলামত পুড়ে যাওয়ায় তদন্ত কাজ এখনো শেষ হয়নি। তবে, শিগগিরই অভিযোগপত্র জমা দেয়া হবে। ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী জানান, ওয়াহেদ ম্যানশন মজবুতায়নের অনুমতি দেয়া হয়েছে। বসবাসের অনুমতি দিতে গঠন হয়েছে একটি কমিটি। চুড়িহাট্টা ট্র্যাজেডির পর অগ্নিকাণ্ড রোধে নানা পদক্ষেপ নেয়া হলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। ঢাকাতে গত দুই বছরে সাত হাজারের বেশি আগুনের ঘটনাই তার প্রমাণ। ২০১৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি রাতে পুরান ঢাকার চকবাজারের চুড়িহাট্টার ওয়াহেদ ম্যানশন ও তার আশপাশের ভবনে আগুন লেগে নিহত হয় ৭১ জন। আহত হয় ৫০ জনেরও বেশি। এ ঘটনায় আগুনে পুড়ে নিহত জুম্মনের ছেলে আসিফ বাদী হয়ে ঘটনার পরের দিন ২১ ফেব্রুয়ারি চকবাজার থানায় মামলা করেন। মামলায় ওয়াহেদ ম্যানশনের মালিক আব্দুল ওয়াহেদের ছেলে হাসান ও সোহেলের নাম উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাত ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply