sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ২১ আগস্ট মঞ্চে গ্রেনেড ছুড়েছিলেন জঙ্গি ইকবাল : র‍্যাব




২১ আগস্টে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশের গ্রেনেড হামলা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ইকবাল হোসেন জাহাঙ্গীর ওরফে সেলিমকে গতকাল সোমবার গভীর রাতে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। ছবি : সংগৃহীত ২১ আগস্টে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশের মঞ্চ লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছুড়ে মেরেছিলেন ইকবাল হোসেন জাহাঙ্গীর ওরফে সেলিম। এর পরই দেশ-বিদেশে আত্মগোপন করেন গ্রেনেড হামলা মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এই আসামি। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে ইকবালকে রাজধানীর দিয়াবাড়ী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। পরে আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সেখানেই এই দাবি করেন র‌্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন। ইকবালকে নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হরকাতুল জিহাদের সদস্য বলে উল্লেখ করেন র‍্যাব ডিজি। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা সম্পর্কে ইকবাল জানান, মুফতি হান্নানের নির্দেশে তিনি গ্রেনেড হামলায় সরাসরি অংশগ্রহণ করেন। মুফতি হান্নান হামলা পরিচালনার জন্য তাঁকে গ্রেনেড সরবরাহ করেছিলেন।’ র‍্যাব ডিজি বলেন, ‘ইকবাল হোসেন জানিয়েছেন, হামলা চলাকালীন তিনি মঞ্চকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড ছুঁড়েছিলেন। ঘটনার পর তিনি ঝিনাইদহে চলে যান এবং সেখানে আত্মগোপনে অবস্থান করতে থাকেন। তখন জঙ্গি ইকবালকে গ্রেপ্তারের জন্য একাধিক স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।’ চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন আরো বলেন, ‘২০০৮ সালে জঙ্গি ইকবালকে গ্রেপ্তারের জন্য ঝিনাইদহে তাঁর নিজ বাড়িতে এবং পরে গাজীপুর ও সাভারসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে র‍্যাব। আত্মগোপনে থাকার সময় তিনি নিরাপত্তাকর্মী, শ্রমিক, রিকশা মেকানিক ইত্যাদি ছদ্মবেশে থাকতেন বলে আমাদের জানান।’ ইকবাল ২০০৮ সালে দেশত্যাগ করেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন র‍্যাবের ডিজি। তিনি আরও বলেন, প্রবাসে তিনি প্রথমে ‘সেলিম’ এবং পরে ‘জাহাঙ্গীর’ নাম ধারণ করেন। একপর্যায়ে তিনি অবৈধ অভিবাসী হিসেবে চিহ্নিত হন এবং তাকে ২০২০ সালের শেষের দিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। দেশে ফিরেও ইকবাল আত্মগোপন থেকে সমমনাদের সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ স্থাপন করেন বলে উল্লেখ করেন র‍্যাবের প্রধান। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগ কার্যালয়ের সামনে দলটির সন্ত্রাসবিরোধী সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। ওই নৃশংস হামলায় ২৪ জন নিহত ও নেতাকর্মী-আইনজীবী-সাংবাদিকসহ পাঁচ শতাধিক লোক আহত হয়। নিহতদের মধ্যে ছিলেন তৎকালীন মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমান। তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের প্রথম সারির অন্যান্য নেতা এই গ্রেনেড হামলা থেকে বেঁচে যান। এতে অল্পের জন্য শেখ হাসিনা প্রাণে বেঁচে গেলেও গ্রেনেডের প্রচণ্ড শব্দে তাঁর শ্রবণশক্তি আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এ ঘটনায় হত্যা ও বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে দুটি মামলা হয়। ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর মামলার রায় হয়। এতে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দেন বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। এ ছাড়া বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত। ৪৯ আসামির মধ্যে বাকি ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। সাজাপ্রাপ্তদের মধ্যে অনেকে পলাতক আছেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply