sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » কিশোর ছাড়া মধুবালার জীবনে বাকি ৬ পুরুষ কারা?




কিশোর ছাড়া মধুবালার জীবনে বাকি ৬ পুরুষ কারা?

একের পর এক সম্পর্কে হাঁপিয়ে উঠেছিলেন মধুবালা। সম্পর্কে থিতু হতে চেয়েছিলেন তিনি। ‘চলতি কা নাম গাড়ি’, ‘হাফ টিকিট’ ছবির শুটিংয়ের সময় কিশোর কুমারের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন মধুবালা। ১৯৬০ সালে কিশোর কুমারের সঙ্গে সাতপাকে বাঁধা পড়েন অভিনেত্রী। বিয়ের পর মধুচন্দ্রিমা কাটাতে লন্ডনে উড়ে গেছিলেন তারা। সেখানেই চিকিৎসকরা জানান, মধুবালার হৃৎপিণ্ডে জন্মগত ছিদ্র রয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন মধুবালা সর্বোচ্চ দু’বছর বাঁচবেন। মধুবালার বোন জানিয়েছিলেন, কিশোর কুমার অভিনেত্রীকে তাদের কাছে রেখে চলে যান। বলেছিলেন, তিনি প্রায়শই বাইরে থাকেন, তার পক্ষে দেখাশোনা করা সম্ভব হবে না। যদিও মধুবালা কিশোর কুমারের সঙ্গেই থাকতে চেয়েছিলেন। মধুবালার সঙ্গে দুই মাসে একবার দেখা করতে আসতেন কিশোর কুমার। ১৯৬৯ সালে মৃত্যু হয় মধুবালার। কিশোর কুমারের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর আগে প্রায় ছয় পুরুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন মধুবালা। তারা কারা? মধুবালার জন্ম ও বেড়ে ওঠা দিল্লিতে। পরে অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা থেকে মুম্বাইতে থাকা শুরু করেন মধুবালা। শোনা যায়, ছোটবেলায় লতিফ বলে এক প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন মধুবালা। তিনি যখন দিল্লি ছেড়ে মুম্বাইতে চলে যান তখন লতিফের জন্য একটি লাল গোলাপ রেখে এসেছিলেন মধুবালা। যেটা ছিল তাদের ভালোবাসার চিহ্ন। জানা যায়, মধুবালার দেওয়া গোলাপ সযত্নে রেখে দিয়েছিলেন লতিফ। অভিনেত্রীর মৃত্যুর পর সেই ফুল তিনি মধুবালার কবরের সঙ্গে দিয়ে দিয়েছিলেন অভিনেত্রীর প্রথম ভালোবাসা। মধুবালার প্রেমে পড়েছিলেন পরিচালক কেদার শর্মা। যার 'নেকি অউর বড়ি' ছবিতে অভিনয় করেছিলেন মধুবালা। জানা যায়, মধুবালাকে বেশ পছন্দ ছিল কেদার শর্মার। তবে কিদার বয়সে অনেকটাই বড় হওয়ার কারণে মধুবালা সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। পরিচালক কমল আমরোহীর সঙ্গে মধুবালার সম্পর্কের কথা শোনা গিয়েছিল। যিনি কিনা বলিউডের বিগ বাজেটের হরর ফিল্ম 'মহল' এর পরিচালক ছিলেন। শোনা যায়, কমলের সঙ্গে মেয়ের সম্পর্ক নিয়ে মধুবালার বাবারও আপত্তি ছিল না। তবে কমল আমরোহীর দ্বিতীয় স্ত্রী হওয়াতে আপত্তি ছিল মধুবালার। তিনি কমলকে প্রথম স্ত্রী মীনা কুমারীকে তালাক দেওয়ার জন্য জোর করেন। তবে তাতে কমল আমরোহী রাজি ছিলেন না। মধুবালার সঙ্গে প্রেমনাথ এর পরিচয় হয়েছিল 'বাদল' এর শুটিং সেটে। তত দিনে মধুবালা সুপারস্টার হয়ে গেছেন। তবে ছয় মাসের বেশি তাদের সম্পর্ক টেকেনি। শোনা যায়, মধুবালা নিজেই প্রেমনাথের থেকে দূরত্ব তৈরি করতে শুরু করেন। তবে মধুবালার বোনের কথায়, ধর্মীয় কারণে মধুবালা-প্রেমনাথের সম্পর্ক ভেঙেছিল। বলিউডে একসময় অন্যতম চর্চিত বিষয় ছিল দিলীপ কুমারের সঙ্গে মধুবালার প্রেম। যেটা শুরু হয়েছিল ১৯৫১ সালে 'তারানা' ছবির শুটিং সেট থেকে টানা ৯ বছর ধরে সম্পর্কে ছিলেন তারা। তবে দিলীপ কুমার-মধুবালার সম্পর্কে ইতি ঘটে 'মুঘল-ই আজম' এর শুটিংয়ের সময়। তাদের বাগদান হয়ে গিয়েছিল বলেও জানা যায়। তবে মধুবালার বাবা কারণেই নাকি সম্পর্ক ভেঙে গেছিল বলে শোনা যায়। মধুবালার বোন জানিয়েছিলেন, দিলীপ কুমার বলেছিলেন, ‘বাবাকে ছেড়ে এলে আমি তোমাকে বিয়ে করতে প্রস্তুত।’ তবে মধুবালার দিলীপকে বলেছিলেন, ‘বাড়িতে এসে তার বাবার কাছে ক্ষমা চাইতে।’ শুধু ইগোর কারণে শেষ হয়ে যায় দিলীপ কুমার-মধুবালার প্রেম। সূত্র: জি নিউজ।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply