sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি: সেই ইসি কর্মকর্তারা সাময়িক বরখাস্ত




জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) জালিয়াতির ঘটনায় অভিযুক্ত নির্বাচন কমিশনের উপ-সচিব নওয়াবুল ইসলামসহ পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়িত্ব থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এরা হলেন— ফরিদপুরের সাবেক জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও উপ-সচিব নওয়াবুল ইসলাম, ফরিদপুরের আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান, কুষ্টিয়া সদর থানার নির্বাচন কর্মকর্তা ছামিউল আলম, মাগুরা সদর থানার নির্বাচন কর্মকর্তা অমিত কুমার দাস এবং অফিস সহকারী জি এম সাদিক। সেই শামীমা বেগমকে এখন চেনাই দায় কুষ্টিয়ায় এক ব্যক্তির পুরো পরিবারের সদস্যদের অবৈধভাবে জ্বাল করে জাতীয় পরিচয়পত্র এনআইডি সরবরাহ করার অভিযোগ তাদের বিরুদ্ধে। ওই এনআইডি দিয়ে কুষ্টিয়া শহরের একটি দামি জমির মালিক ও তার পরিবারের সদস্য বানিয়ে দেওয়া হয় তাদের। এরপর তারা জমির মালিক সেজে ওই জমি নিজেদেরই সাজানো মানুষের কাছে বিক্রি করেন। সাময়িক বরখাস্ত করার আগে একই অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করে ইসি। ইসির যুগ্ম-সচিব ও পরিচালক (জনসংযোগ) এসএম আসাদুজ্জামান গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, গতকাল বরখাস্তের বিষয়ে কমিশন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। অভিযুক্তদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গত ৪ মার্চ ভোটার তালিকা আইনের ২০ ধারা, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে ২৪, ৩৩ ও ৩৫ ধারা, পেনাল কোডে ১০৯, ৪২০, ৪৬৮ ধারা ও জাতীয় পরিচয়পত্র আইনের ১৭ ও ১৮ ধারায় মামলা করা হয়েছে। ছামিউল আলমের বিরুদ্ধে কুমারখালী থানায় ও বাকিদের বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া সদর মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আনিসুর রহমান। আরও পড়ুন... তামিমদের পাত্তাই দিলো না নাজমুল একাদশ জানা যায়, কুষ্টিয়া শহরের প্রাণকেন্দ্র এনএস রোডের বাসিন্দা মৃত আব্দুল হাকিম এর ছেলে এম এম এ ওয়াদুদ ও তার পরিবারের ৬ সদস্যের নামে জালিয়াতির মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করে একটি চক্র। এই অভিযোগের তদন্তে ওই কর্মকর্তা ও কর্মচারীর সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হওয়ায় নিয়মিত কর্মকর্তা ও কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। সূত্র জানায়, ওয়াদুদ ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে ভুয়া এনআইডি তৈরি করে একটি চক্র ওয়াদুদের শত কোটি টাকা দামের জমি বিক্রি করে দেয়। এ নিয়ে ওই সময় দেশে চরম সমালোচনা শুরু হয়। সরকারি দলের নেতাদের নাম আসে। শহর যুবলীগের শীর্ষ নেতা সুজন গ্রেপ্তার হয়। জেলা আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতার নামও শোনা যায়। এ নিয়ে সুজন ও জমির ক্রেতা ব্যবসায়ী মহিবুলসহ ওই সময় বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার হয়। তারা এখন জামিনে রয়েছেন। ওয়াদুদ বিষয়টি জানার পর পরই ওই সময় ইসিতে অভিযোগ করেন। তদন্তের পর প্রথমে নিজস্ব কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা করে ইসি। এরপর তাদেরকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হলো।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply