sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ভারতীয় গণমাধ্যমের চোখে মোদির বাংলাদেশ সফর




নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর নিয়ে ভারতের গণমাধ্যমগুলো ব্যাপক আগ্রহ দেখিয়েছে। মোদির সফর নিয়ে গণমাধ্যমগুলো নিয়মিত খবর প্রকাশের পাশাপাশি সম্পাদকীয়ও ছাপিয়েছে। দেশটির শীর্ষ দুই গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস এবং টাইমস অব ইন্ডিয়া উভয়ই ঢাকার সাথে দিল্লির সম্পর্ক জোরদারকে ইতিবাচক হিসেবে তাদের সম্পাদকীয়তে তুলে ধরেছে। হিন্দুস্তান টাইমস তাদের এক সম্পাদকীয়র শিরোনাম করেছে 'ডিপিং টাইস উইদ ঢাকা' অর্থাৎ 'ঢাকার সাথে মিত্রতা জোরদার হচ্ছে'। প্রায় একই ধরনের সম্পাদকীয়তে শিরোনাম টাইমস অব ইন্ডিয়ারও।তারা বলেছে, 'মোদি ইন ঢাকা: ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ টাইস হ্যাভ হিট দ্য রাইট স্ট্রাইড, লেটস কিপ ইট দ্যাট ওয়ে'। বাংলা করলে দাঁড়ায়- 'ঢাকায় মোদি, ভারত-বাংলাদেশের মিত্রতা সঠিক পদক্ষেপ, এটি রক্ষা করে চলুন'। হিন্দুস্তান টাইমস তাদের সম্পাদকীয়তে বলেছে, রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক এবং নিরাপত্তা ইস্যুতে ভারতের জন্য প্রত্যেক প্রতিবেশি দেশই গুরুত্বপূর্ণ। যদি উন্মুক্ত সীমান্ত ও বিশেষ সম্পর্ক নেপালের সাথে হয় সেখানে গভীর বন্ধুত্বপূর্ণ এবং কৌশলগত বিশ্বাস ভুটানের সাথে স্থাপন করতে হবে। যদি দক্ষিণ ভারতে স্থিতিশীলতার জন্য এবং ভারত মহাসগারে সমুদ্র-স্বার্থে শ্রীলংকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (crucial) হয়, পাকিস্তানও গুরুত্বপূর্ণ (important)- অতীত রেকর্ড, শত্রুতা এবং সন্ত্রাসবাদের কারণে। কিন্তু এখানে একটিমাত্র প্রতিবেশি রয়েছে যেখানে ভারতের সকল স্বার্থ এক বিন্দুতে মিলিত হয়েছে- সেটি হচ্ছে বাংলাদেশ। ভারতের 'পূর্ব নীতি', উত্তর-পুর্বে স্থিতিশীলতা এবং উন্নয়ন, বৃহত্তর অঞ্চলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন, জলবায়ু সংকট, উভয় দেশের সীমান্তে জনগণের চাপ, শান্তি ও নিরাপত্তা নির্ভর করে ঢাকার সাথে সম্পর্কের ওপর। গত কয়েক দশক ধরে, যদি প্রতিবেশির সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের কোনো সফলতা ভারতের থাকে তবে সেটি বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক। আর এটি সম্ভব হয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিষ্কার কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গির কারণে। তিনি ভারতের নিরাপত্তার প্রয়োজনীয়তাকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন; প্রতিউত্তরে দিল্লি তাকে সমর্থন দিয়েছে, রাজনৈতিকভাবে ও অর্থনৈতিকভাবেও। যদিও কিছু অমিমাংসিত ইস্যু দু'দেশের মধ্যে রয়েছে বিশেষ করে তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তির ক্ষেত্রে ভারতের অপারগতা বেইজিংয়ের বাংলাদেশের সাথে সখ্য বাড়ানোর সুযোগ করে দিয়েছে। টাইমস অব ইন্ডিয়া তাদের সম্পাদকীয়তে বলেছে, বিগত সরকারগুলোর সময় ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক অনেকাংশে উপেক্ষিত হয়েছে যেখানে মোদি ও শেখ হাসিনার শাসনামলে দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ ও ট্রানজিট পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যা প্রশংসনীয়। সম্পর্ক উন্নয়নের এই অবস্থায় ভারতীয় রাজনীতিবিদদের উচিত হবে না, অভ্যন্তরীণ রাজনীতির স্বার্থে সিএএ (সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন) ও এনআরসি (জাতীয় নাগরিকপুঞ্জি) ইস্যুতে বাংলাদেশ-বিরোধী কোনো বক্তব্য দেয়া। ভারত ও বাংলাদেশ বর্তমানে খুবই চমৎকার রসায়ন বজায় রেখে চলেছে। জণগণ থেকে জনগণ সম্পর্ক, যোগাযোগ, বাণিজ্য উন্নয়ন এগিয়ে নেয়ার বিষয়ে এখন গুরুত্ব দেয়া উচিত। ভারতের অন্যান্য গণমাধ্যমেও মোদির বাংলাদেশ সফর বেশ গুরুত্ব পেয়েছে। মোদির সফরের খুঁটিনাটি বিষয় নিয়েও তারা প্রতিবেদন করেছে। শুধু ভারতীয় গণমাধ্যম নয়, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোও মোদির সফরকে গুরুত্ব দিয়ে তুলে ধরেছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply