sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরে এতকিছু!




পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরে এতকিছু!

পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম স্থান মারিয়ানা ট্রেঞ্চ গেছেন রোমাঞ্চপ্রিয় এক ব্যক্তি। ১২ ঘণ্টার সফরে নেমেছেন সাগরের ১১ হাজার কিলোমিটার নিচে। গবেষণার জন্য সংগ্রহ করেছেন খনিজ, পানি আর সামুদ্রিক প্রাণি। জানা যাক অভিযানের আদ্যোপান্ত। প্রশান্ত মহাসাগরের মাঝেই অবস্থিত পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর স্থান মারিয়ানা ট্রেঞ্চ। এটি চ্যালেঞ্জার ডিপ নামেও পরিচিত। রিচার্ড গ্যারিয়ট সেই ব্যক্তি, যিনি প্রথমবারের মতো সাগরের এত গভীরে গেছেন সাবমেরিন দিয়ে। মূলত প্যাসিফিক প্লেট আর ফিলিপিন্স প্লেটের যেখানে সংঘর্ষ হয়েছে, সেখানেই মারিয়ানা ট্রেঞ্চ তৈরি হয়েছে। এখানে কিছু ব্যতিক্রম পাথর আছে, যেগুলো পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো পাথর। এখান থেকে কিছু পাথর গবেষণার জন্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। পৃথিবীর গভীরতম স্থান থেকে পানিও নিয়ে এসেছেন গ্যারিয়ট। সেখানে কি পরিমাণ মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি আছে, সেটি দেখার জন্য। স্ক্রিপস ইনস্টিটিউট অব ক্যালিফোর্নিয়া এ বিষয়ে আগ্রহ দেখিয়েছে। দক্ষিণ আর উত্তর মেরুর লেক, নদী আর সমুদ্র থেকে সংগ্রহ করা সব পানিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। গভীর সমুদ্রে নতুন প্রাণের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। কিন্তু ওই প্রাণির দেহে অনেক প্লাস্টিক পাওয়া গেছে। মাইক্রোপ্লাস্টিক থেকে পুরো খাদ্যচক্রকে অবমুক্ত করা এখন অনেক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। রিচার্ড গ্যারিয়ট বলেন, মারিয়ানা ট্রেঞ্চের চ্যালেঞ্জার ডিপ পৃথিবীর সবচেয়ে গভীর স্থান। এটি এতো গভীর যে এভারেস্ট পর্বতকে উল্টো করে দিলেও এক কিলোমিটার কম হবে মারিয়ানা ট্রেঞ্চে পৌঁছাতে। আমিই পৃথিবীর প্রথম ব্যক্তি, যিনি মেরু থেকে মেরুতে, মহাকাশে এমনকি সমুদ্রের গভীরে যাওয়ার সাহস করেছে। দুর্লভ হওয়ার আগেই গবেষণার জন্য এখানকার কিছু বৈচিত্র্য আমি সংগ্রহ করেছি। তবে হতাশার বিষয়, সমুদ্রের এত নিচেও ক্ষুদ্র প্লাস্টিকের অভাব নেই। খাদ্যচক্রেও এগুলো অনায়াসে প্রবেশ করছে। এটা বন্ধ করতে হবে। গ্যারিয়ট জানান, তার বিশ্বাস নতুন প্রজাতির অনেক প্রাণের অস্তিত্ব এই মেরুগুলোতে পাওয়া যাবে, যেগুলো আগে দেখেনি বিজ্ঞান। রিচার্ড গ্যারিয়ট মহাকাশ আর সমুদ্রের নতুনত্ব আবিষ্কার করতে ভালোবাসা একজন। বিশ্বের প্রথম ব্যক্তি রিচার্ড, যিনি উত্তর মেরু, দক্ষিণ মেরু, আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন এমনকি মারিয়ানা ট্রেঞ্চ গেছেন। এক সপ্তাহ আগেই প্রশান্ত মহাসাগরের গভীর স্থানে গেছেন তিনি। ৭ মাইল যেতে সময় লেগেছে ৪ ঘণ্টা। ১২ ঘন্টার অভিযানে ৪ ঘণ্টা লেগেছে পৌঁছাতে, ৪ ঘণ্টা লেগেছে পৃথিবীপৃষ্ঠে আসতে আর ৪ ঘণ্টা লেগেছে স্যাম্পল সংগ্রহে। গ্যারিয়ট ভূতাত্বিক সামগ্রী, সামুদ্রিক প্রাণি আর পানি সংগ্রহ করেছেন গবেষণার জন্য। রিচার্ড গ্যারিয়টের বাবা ওয়েন গ্যারিয়ট ছিলেন নাসার একজন মহাকাশ বিজ্ঞানী। ১৯৮৬ সালে তিনি অবসরে যান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম স্পেস স্টেশনে তিনি ছিলেন ২ মাস। বাবা ছেলে একসাথে অ্যান্টার্কটিকায়ও অভিযান চালিয়েছেন। ২০১৯ সালে মারা যান ওয়েন গ্যারিয়ট। এরপর থেকে একাই পৃথিবীর রহস্য ভেদ করে চলেছেন রিচার্ড। জানুয়ারিতে তিনি নিউইয়র্কের এক্সপ্লোরারস ক্লাবের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply