sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » বিদেশিদের প্রতি বিদ্বেষবশত হত্যাকাণ্ড বাড়ছে: বাইডেনের স্বীকারোক্তি




যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের আটলান্টা শহরে গোলাগুলির ঘটনায় এশিয়ো বংশোদ্ভূত বেশ ক'জন নিহত হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন স্বীকার করেছেন, বিদেশিদের প্রতি বিদ্বেষবসত ওই হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছে এবং এ ধরনের সহিংসতা ক্রমেই বাড়ছে। তাই এ ব্যাপারে কারোরই নীরব থাকা উচিত নয়। ওই সহিংসতায় ছয় এশিয়া নারীসহ মোট আট ব্যক্তি নিহত হয়। সহিংসতার পর প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস গত শুক্রবার আটলান্টা শহর সফরে যান এবং সেখানকার এশিয়ো কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাতে মিলিত হন। ভয়াবহ ওই হত্যাকাণ্ডে আবারো মার্কিন সমাজে এশিয়ো বংশোদ্ভূত নাগরিকদের ওপর হামলার প্রতি দেশটির প্রশাসনের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। প্রেসিডেন্ট বাইডেন এশিয়ো নাগরিকদের ওপর সহিংসতার ব্যাপারে বলেছেন, এর প্রতিবাদে বহু মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছে এবং তারা খুবই উদ্বিগ্ন। কেননা তারা হামলার শিকার হচ্ছে। এমনকি তারা মানসিক ও সামাজিকভাবেও হেনস্থার শিকার হচ্ছে। ঘৃণা মার্কিন সমাজে নিরাপত্তা দিতে পারবে না এবং অবশ্যই এর অবসান ঘটা উচিত। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় নিজের ব্যর্থতার কারণে প্রচণ্ড সমালোচনার সম্মুখীন হওয়ায় তিনি মহামারি বিপর্যয়ের জন্য চীনকে আক্রমণ করে কথা বলেন। তিনি বহুবার এ ভাইরাসের বিস্তার ও সারা বিশ্বে বহু মানুষের মৃত্যুর জন্য চীনকে দায়ী করেন। এমনকি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা চীনের প্রতি সমর্থন দেয়ায় এর প্রতিবাদে ট্রাম্প আন্তর্জাতিক এ সংস্থা থেকে বেরিয়ে যান। ট্রাম্পের ওই পদক্ষেপের উদ্দেশ্য ছিল করোনা সংকট মোকাবেলায় নিজের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা মাত্র। কিন্তু চীনের প্রতি ট্রাম্পের ওই অভিযোগ যুক্তরাষ্ট্রের জনমনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে এবং এশিয়ো বংশোদ্ভূত নাগরিকদের ওপর হামলা ও তাদের সম্পদ লুণ্ঠনের মাত্রা বেড়ে যায়। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস বলেছেন, তাদের আগে যারা ক্ষমতায় ছিল করোনা ইস্যুতে বর্ণবাদী বক্তব্য রাখেন এবং এর জেরে যুক্তরাষ্ট্রে সহিংসতা ও উত্তেজনা দেখা দেয়। এ প্রসঙ্গে তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেরও উগ্র বক্তব্যকে দায়ী করেন। কারণ তারা করোনা ভাইরাসকে চীনা ভাইরাস বলে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছিলেন।#






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply