sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » জন্মবার্ষিকীতে প্যারেড গ্রাউন্ডে বর্ণিল আয়োজন মুজিব চিরন্তন




বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন (ডান থেকে) রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুর ছোট কন্যা শেখ রেহানা - পিআইডি বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে আয়োজিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন (ডান থেকে) রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধুর ছোট কন্যা শেখ রেহানা - পিআইডি পাঁচটি সিঁড়িতে উঠে এসেছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন থেকে বিগত পাঁচ দশক। তার পেছনে বড় পর্দায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত নেড়ে হেঁটে চলার সচল চিত্র। নিচে শত ফুল দিয়ে সাজিয়ে তোলা সজীব শব্দমালা 'মুজিব ১০০'। মঞ্চে শিশুদের কণ্ঠে জাতীয় সংগীত। এরপর আরও কয়েকটি গান শোনা গেল শিশুদের কণ্ঠে। সবার শেষে প্রত্যয়ী সুরের ধ্বনিতে শোনা গেল 'আমি জাতির পিতার স্বপ্নের দেশে জন্ম নিয়েছি' গানটি। শিশুদের পরিবেশনার পর অনুষ্ঠানের সঞ্চালক সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ও সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর মঞ্চে আসেন। তিনি অনুরোধ জানানোর পর অনুষ্ঠানের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, প্রধান অতিথি রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ এবং সম্মানিত অতিথি মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহ মঞ্চে আসেন। এ সময় পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করা হয়। পাঠ করা হয় পবিত্র ধর্মগ্রন্থ গীতা, বাইবেল ও ত্রিপিটক থেকে। এরপর বেজে ওঠে মুজিব শতবর্ষের থিম সং। এভাবেই জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে গতকাল বুধবার বিকেলে শুরু হয়েছে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর ঐতিহাসিক আয়োজন 'মুজিব চিরন্তন'। এ আয়োজন চলবে ১০ দিন। উদ্বোধনী আয়োজনে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, বঙ্গবন্ধুর ছোট কন্যা শেখ রেহানা, মালদ্বীপের ফার্স্ট লেডি ফাজনা আহমেদ এবং মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহ বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে ভিডিও বার্তায় শুভেচ্ছা জানান চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো এবং জাপানের প্রধানমন্ত্রী ইয়োশিহিদে সুগা। অনুষ্ঠানে প্রখ্যাত সাংবাদিক মার্ক টালির শুভেচ্ছা বক্তব্যও প্রচার করা হয়। সভাপতির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, 'সকল বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে এ দেশকে আমরা জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের শোষণ-বঞ্চনামুক্ত, ক্ষুধা-দারিদ্র্য-নিরক্ষরতামুক্ত, অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবই, ইনশাআল্লাহ। এটাই আজকের দিনে আমাদের প্রতিজ্ঞা। এখন শুধুই এগিয়ে যাওয়ার পালা। পেছনে ফিরে তাকানোর সুযোগ নেই।' 'মুজিব চিরন্তন' অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি। এতে গতকাল বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনের আয়োজনের থিম ছিল :'ভেঙেছ দুয়ার, এসেছ জ্যোতির্ময়।' অনুষ্ঠানে সভাপতি, প্রধান অতিথি এবং সম্মানিত অতিথিদের বক্তব্যের পর প্রচার করা হয় বঙ্গবন্ধু, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ওপর তথ্যচিত্র। এরপর পরিবেশন করা হয় মনোমুগ্ধকর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের। রাজনীতিকদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ফেরার আহ্বান রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের: স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর দুয়ারে দাঁড়ানো বাংলাদেশে রাজনীতিবিদদের বঙ্গবন্ধুর আদর্শে ফেরার এবং দেশের কাজে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ। রাষ্ট্রপতি বলেন, আজ আমরা স্বাধীনতার ৫০ বছর পার করছি। এ সময়ে রাজনীতিতে অনেক চড়াই-উতরাই ঘটেছে। কিন্তু রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তন কতটুকু হয়েছে, তা ভেবে দেখতে হবে। ব্যক্তির চেয়ে দল, দলের চেয়ে দেশ বড়- এটাই হচ্ছে রাজনীতির মূল আদর্শ। কিন্তু আজকাল যেন রাজনীতি উল্টো পথে হাঁটছে। তিনি বলেন, কিছু সুবিধাবাদী লোক রাজনীতিটাকে পেশা বানিয়ে ফেলেছেন। রাজনীতি আর পেশা এক জিনিস নয়। পেশার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি নিজের ও পরিবার-পরিজনের জীবন-জীবিকা নির্বাহ করেন। রাজনীতি হচ্ছে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করার একটি মহান ক্ষেত্র। তাই রাজনীতিকে পেশা মনে করলে দেশ ও জনগণের কথা ভুলে নিজের ও পরিবারের গণ্ডির মধ্যেই ঘুরপাক খেতে হবে। আবদুল হামিদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর ১০১তম জন্মবার্ষিকীতে তাই রাজনীতিবিদদের আহ্বান জানাব, আসুন বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শ ও কর্ম থেকে শিক্ষা নিয়ে নিজেদের দেশ ও জনগণের সেবায় নিয়োজিত করি। রাষ্ট্রপতি বলেন, জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের মাধ্যমে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার জন্য অপরিসীম ত্যাগ ও অসীম সাহসিকতার কথা সুবিদিত হয়ে থাকবে। আবদুল হামিদ বলেন, জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে গৃহীত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে জাতির পিতার অমূল্য স্মৃতি ও স্মারক সংরক্ষণ করতে হবে, যাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বাঙালি জাতির গৌরব এবং পূর্বসূরিদের অসীম সাহসিকতা ও দেশপ্রেমের অনন্যগাথা জানতে পারে এবং সেই আলোকে নিজেদের আলোকিত করতে পারে। বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক কর্মী আবদুল হামিদ বলেন, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বা ভোগ-বিলাস কোনো কিছুই এই মহান নেতাকে তার লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। বঙ্গবন্ধু চাইলেই বিত্ত-বৈভবে নিজেকে উজাড় করে দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি অবলীলায় এসব প্রত্যাখ্যান করে দেশ ও জনগণের অর্থাৎ বাঙালি ও বাংলাদেশের স্বার্থকেই জীবনের ব্রত হিসেবে নিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, পাকিস্তানে জেলে থাকাকালে ১৯৭১ সালের ১১ নভেম্বর বঙ্গবন্ধুকে স্বয়ং প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান, জুলফিকার আলি ভুট্টো ও জেনারেল আকবরের সামনে হাজির করা হয়। ইয়াহিয়ার ধারণা ছিল বঙ্গবন্ধু তার কাছে এসে প্রাণের ভয়ে নরম হয়ে যাবেন এবং সেই সুযোগে তার কাছ থেকে আপসের প্রস্তাব পাওয়া যাবে। তিনি এই মানসে হাত বাড়িয়ে এগিয়ে এলেন বঙ্গবন্ধুর দিকে। কিন্তু বঙ্গবন্ধু বললেন, দুঃখিত, ও হাতে বাঙালির রক্ত লেগে আছে। ও হাত আমি স্পর্শ করতে পারব না। মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়ে একমাত্র একজন মহানায়কই এমন সাহসী উচ্চারণ করতে পারেন। অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবই -প্রধানমন্ত্রী: জাতির পিতার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সব বাধাবিপত্তি অতিক্রম করে এ দেশকে আমরা জাতির পিতার শোষণ-বঞ্চনামুক্ত, ক্ষুধা-দারিদ্র্য-নিরক্ষরতামুক্ত, অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলাদেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করবই ইনশাআল্লাহ। এটাই আজকের দিনে আমাদের প্রতিজ্ঞা। স্বাধীনতার অর্ধশতক পরও স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি যে সক্রিয়, সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে তাদের প্রতিহত করে দেশকে এগিয়ে নিতে সবার প্রতি আহ্বান জানান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, 'আমাদের সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। বাংলাদেশবিরোধী অপশক্তি এখনও দেশে-বিদেশে সক্রিয় রয়েছে। তারা নানা অপতৎপরতার মাধ্যমে এ অর্জনকে নস্যাৎ করতে চায়। জাতির পিতার শুভ জন্মদিনে আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে সব অপতৎপরতা প্রতিহত করে প্রিয় মাতৃভূমিকে উন্নয়ন-অগ্রগতির পথ ধরে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাই। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তোলার প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখি।' সরকারপ্রধান বলেন, বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির প্রতীক্ষার প্রহরের আজ অবসান হতে চলেছে। আজ এমন এক সময়ে আমরা জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন করতে যাচ্ছি, যখন বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে মর্যাদাশীল উন্নয়নশীল দেশের কাতারে শামিল হওয়ার চূড়ান্ত সুপারিশ লাভ করেছে। দেশের উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের মাথাপিছু আয় সম্মানজনক দুই হাজার মার্কিন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে; দারিদ্র্যের হার ২০.৫ শতাংশে কমেছে; দেশ খাদ্যশস্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে; মানুষের গড় আয়ু ৭৩ বছরে উন্নীত হয়েছে। আর্থসামজিক সূচকে বাংলাদেশ প্রভূত উন্নয়ন সাধন করেছে। আওয়ামী লীগ সরকারের বিগত ১২ বছরের নিরলস প্রচেষ্টা এবং জনগণের ঐকান্তিক পরিশ্রমের ফসল আজকের এই প্রাপ্তি। শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ এখন যে অবস্থানে পৌঁছেছে সেখান থেকে তাকে সহজে নামানো যাবে না। বাংলাদেশ করোনাভাইরাস মহামারিও সফলভাবে মোকাবিলা করতে পেরেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'মুজিব চিরন্তন' প্রতিপাদ্যে ১৭ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত আমরা দেশে এবং বিদেশে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করেছি। আজ তার সূচনাপর্ব। তবে আমাদের উৎসব ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলতে থাকবে। বিভিন্ন অনুষ্ঠানের সমন্বয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ায় মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ভ্রাতৃপ্রতিম দেশটির জনগণকে শুভেচ্ছা জানান শেখ হাসিনা। বঙ্গবন্ধু দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে অন্যতম স্মরণীয় ব্যক্তিত্ব- মালদ্বীপের রাষ্ট্রপতি :মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সলিহ বলেন, 'এই অনুষ্ঠানে আমাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য আমি সম্মানিত বোধ করছি। বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে অন্যতম স্মরণীয় ব্যক্তি হয়ে আছেন। তিনি বাংলাদেশের মানুষকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। শেখ মুজিবুর রহমান এখনও অনেক জাতির কাছে প্রেরণার উৎস হয়ে আছেন। গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার ক্ষেত্রে শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন একজন আপসহীন নেতা। তার ছয় দফা ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার ভিত্তি, তাতে অন্তর্নিহিত ছিল দেশের সংবিধানের সারকথা।' তিনি বলেন, 'অসাধারণ উন্নয়নের জন্য আমি বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানাই। বাংলাদেশের অর্থনীতি দ্রুত বর্ধনশীল ও শক্তিশালী অবস্থানের দিকে যাচ্ছে।' চলমান মহামারির বাস্তবতা তুলে ধরে তিনি বলেন, 'কভিড-১৯ মহামারির কারণে আমরা একটা অস্বাভাবিক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। এই পরিস্থিতিতে খাদ্য এবং স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও মেডিকেল সামগ্রী দেওয়ার জন্য আমরা বাংলাদেশের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। সম্প্রতি মালদ্বীপে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী মেডিকেল টিম পাঠিয়েছে। এটা দু'দেশের শক্তিশালী দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নিদর্শন।' প্রেসিডেন্ট সলিহ স্বাস্থ্য খাত ও মানবসম্পদ উন্নয়নে বাংলাদেশের সহযোগিতা চান। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি মোকাবিলায় মালদ্বীপ বাংলাদেশের সঙ্গে একযোগে কাজ করবে বলেও প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, 'আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, দু'দেশের সম্পর্ক আরও অনন্য উচ্চতায় যাবে। এখন বাংলাদেশের অনেক কর্মী মালদ্বীপে কাজ করছে। আমি আপনাদের নিশ্চয়তা দিতে চাই, আমাদের দেশে থাকা বিদেশিদের অধিকার আমরা রক্ষা করব। কভিড-১৯ ভ্যাকসিন দেওয়ার ক্ষেত্রেও সব বিদেশিকে বিবেচনায় নেব। সবাইকে বিনামূল্যে আমরা টিকা দেব। নাগরিক-অনাগরিক বলে আমরা বৈষম্য করব না।' তিনি রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে মালদ্বীপ সফরের আমন্ত্রণ জানান। আয়োজনের আজকের থিম 'মহাকালের তর্জনী': 'মুজিব চিরন্তন' প্রতিপাদ্যে প্রতিদিন পৃথক থিমভিত্তিক আলোচনা অনুষ্ঠান, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, অডিও ভিজ্যুয়াল এবং অন্যান্য বিশেষ পরিবেশনার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। আজ বৃহস্পতিবার এ অনুষ্ঠানের থিম 'মহাকালের তর্জনী'। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আজ মুজিব চিরন্তন প্রতিপাদ্যের ওপর টাইটেল অ্যানিমেশন ভিডিও পরিবেশনার মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হবে। এরপর আবহ সংগীত পরিবেশিত হবে। বাস্তবায়ন কমিটির পক্ষ থেকে স্বাগত বক্তব্য দেওয়ার পর 'মহাকালের তর্জনী'-ভিত্তিক অডিও-ভিডিও প্রদর্শিত হবে। এরপর থিমভিত্তিক আলোচনা করবেন ড. আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজুদ্দীন। কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুনসেনের ধারণকৃত ভিডিওবার্তা প্রচারের মাধ্যমে আলোচনা পর্বের সমাপ্তি হবে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পর্বে বন্ধুরাষ্ট্র ভিয়েতনামের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ধারণকৃত ভিডিও পরিবেশিত হবে। এরপর 'মহাকালের তর্জনী' থিমের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত অডিও ভিজ্যুয়ালে ফুটে উঠবে জাতির পিতার সংগ্রামী জীবনের নানা অধ্যায়। পটের গানের উপস্থাপনার মাধ্যমে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের সঙ্গে অর্কেস্ট্রা মিউজিক, বিভিন্ন সময়ে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে রচিত গান, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের ওপর ভিত্তি করে লাইট এবং সাউন্ড শো, দুই প্রজন্মের শিল্পীদের মেলবন্ধনে মিশ্র মিউজিক পরিবেশনের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সমাপ্ত হবে। অনুষ্ঠানটি বিকেল সোয়া ৫টায় শুরু হয়ে রাত ৮টায় শেষ হবে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply