sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » সরকার নমনীয় নয়, ধৈর্য্যের পরিচয় দিচ্ছে মাত্র: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী




সরকার নমনীয় নয়, ধৈর্য্যের পরিচয় দিচ্ছে মাত্র মন্তব্য করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, এ অবস্থা আর থাকবে না। আজ রোববার দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এক সভা শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, হরতাল ডেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে সুন্দর, শান্তিপূর্ণ দেশ পরিচালনা ব্যাহত করতেই এসব অপচেষ্টা। শুধু হেফাজত নয়, বাঁশের কেল্লার সম্পৃক্ততা প্রমাণ করে যারা আগে সন্ত্রাস ও জঙ্গি সংগঠন করেছিল তাদেরই প্রতিনিধিত্ব করে। রণকৌশল জানান দিচ্ছে। এতে জামায়াত-শিবির, হরকাতুল জিহাদ ও বিএনপির মদদ থাকতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এতিম ও ছোট্ট ছোট্ট শিশুদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। এরাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গুজব সৃষ্টি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার করে উত্তেজনা তৈরি করা হচ্ছে। এগুলো থেকে বিরত না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অহেতুক এসব আচরণ কাম্য নয়। তিনি বলেন, ‘আজসহ তিন দিন কতিপয় উশৃঙ্খল ব্যক্তি, গোষ্ঠী ধর্মীয় উন্মাদনায় চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, সরাইল ও আশুগঞ্জ উপজেলায় সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করে চলছে। যার মধ্যে উপজেলা পরিষদ, থানা ভবন, সরকারি ভূমি অফিস, পুলিশ ফাঁড়ি, রেল স্টেশন, রাজনৈতিক ব্যক্তিদের বাড়িঘর, প্রেস ক্লাসবসহ মানব সম্পদের ক্ষয়ক্ষতি করে যাচ্ছেন। এ জাতীয় ক্ষয়ক্ষতি সকল প্রকার উশৃঙ্খলতা বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে আমরা আহ্বান জানাচ্ছি। অন্যথায় জনগণের জানমাল, সম্পদ রক্ষর্থে সরকার কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে।’ শুধু কি হেফাজতই বিভিন্ন স্থানে তাণ্ডব চালাচ্ছে, নাকি এর পেছনে অন্য কেউ আছে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দেখুন এটা থাকতে পারে। আমার কাছে মনে হচ্ছে তাদের রণ কৌশলগুলো বাঁশের কেল্লা ইনভলব (যুক্ত) হওয়া, এখানে মনে হচ্ছে, এটা স্পষ্টই প্রতীয়মান হয়, এগুলো হয়তো আগে যে জঙ্গি সংগঠনগুলো সন্ত্রাস নৈরাজ্য সৃষ্টি করার জন্য প্রয়াস পেয়েছিল, তারাই এখানে আবার নতুনভাবে সম্পৃক্ত হয়েছে আমাদের মনে হচ্ছে। সবকিছু আমরা খতিয়ে দেখছি। যে যেখানে থাকুক আমরা কাউকে ছাড় দেব না।’ জঙ্গি সংগঠন বলতে কাদের বোঝাচ্ছেন এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এর আগেও আপনারা দেখেছেন, কিছু জঙ্গি সংগঠন রয়েছে। এর মধ্যে মদদদাতা রয়েছে। জামায়াত-শিবিরের কিছু অদৃশ্য যখন আমরা সুতা ধরে টান দিই, এসব জঙ্গি সংগঠনের নেতাগুলো আগে জামায়াত-শিবিরের নেতা ছিলেন বলে আমরা দেখেছি। হরকাতুল জিহাদ বলুন, আনসার উল্লাহ বাংলা টিম বলুন, যেটাই বলুন, সবগুলো মূল নেতৃত্ব এসেছে জামায়াত-শিবির থেকে।’ তিনি আরও বলেন, ‘সরকার উদ্বেগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে, কতিপয় স্বার্থান্বেষী মহল এতিম, ছোট ছোট শিশুদের রাস্তায় এনে বসিয়ে দিচ্ছেন। কোনো কোনো জায়গায় স্বার্থ হাসিলের জন্য এই ছোট ছোট এতিম মাদরাসায় নিরপরাধ ছাত্রদের সামনে দিচ্ছেন। তারাই ভিকটিম হচ্ছে।’ সরকারের নমনীয় দৃষ্টিভঙ্গির কারণে কি এরা উৎসাহিত হচ্ছে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার কখনও নমনীয় নয়, সরকার সবসময় ধৈর্যের পরিচয় দেয়। এই ধৈর্যটা নেয়া হচ্ছে, আপনারা দেখেছেন ইতোমধ্যে কতগুলো নিরীহ মাদরাসাছাত্র, মাদরাসায় যারা অধ্যয়ন করে এর ৭০ ভাগই একটু নিম্ন আয়ের মানুষ। এদের ঢাল হিসেবে নিয়ে ব্যবহার করা, আমি মনে করি এটা তারা খুবই অন্যায় কাজ করছেন। ধর্মের নামে তাদের ভুল বুঝিয়ে তারা করে যাচ্ছে। এগুলো থেকে বিরত থাকার জন্য আমি আহ্বান জানাচ্ছি।’






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply