sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ইরফান সেলিমকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত




নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধর

ইরফান সেলিম। ফাইল ছবি নৌবাহিনীর কর্মকর্তাকে মারধরের অভিযোগে করা মামলায় সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন চার সপ্তাহের জন্য স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। ইরফান সেলিমের জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আনা আবেদনের শুনানি নিয়ে আজ রোববার সুপ্রিমকোর্টের চেম্বার কোর্ট বিচারপতি ওবায়দুল হাসান এই আদেশ দেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মো. মোরশেদ। আর ইরফান সেলিমের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমেদ রাজা। গত ১৮ মার্চ একটি হাইকোর্ট বেঞ্চ ইরফান সেলিমকে এই মামলায় জামিন দেন। পরে ওই আদেশের বিরুদ্ধে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। সে আবেদনের শুনানি নিয়ে আজ আদেশ দেন আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্ট। গত বছরের ২৬ অক্টোবর নৌবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট ওয়াসিমকে মারধরের ঘটনায় ইরফান সেলিমসহ চারজনের বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় ‘মারধর ও হত্যাচেষ্টা’ মামলা করা হয়। ২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যার পর কলাবাগান ক্রসিংয়ে নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তার মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দিয়েছিল 'সংসদ সদস্য' স্টিকার লাগানো হাজী সেলিমের গাড়ি। এরপর নৌবাহিনীর ওই কর্মকর্তা মোটরসাইকেল থামান এবং নিজের পরিচয় দেন। এ সময় গাড়ি থেকে দুই জন ব্যক্তি নেমে লেফটেন্যান্ট ওয়াসিমকে মারধর করেন। একপর্যায়ে ওই কর্মকর্তা আত্মরক্ষার চেষ্টা করেন। ঘটনাস্থলে জনতার ভিড় জমলে সংসদ সদস্যের গাড়ি ফেলে মারধরকারীরা পালিয়ে যান। পরে পুলিশ এসে গাড়ি ও মোটরসাইকেলটি জব্দ করে থানায় নিয়ে যায়। ঘটনার সময় এমপি হাজী সেলিম গাড়িতে ছিলেন না। তার ছেলে ইরফান ও নিরাপত্তারক্ষী ছিলেন। ধানমণ্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরাম আলী মিয়া সে সময় বলেন, এ ঘটনায় ‘মারধর ও হত্যাচেষ্টা’ মামলা করা হয়েছে। পরে মামলায় ইরফান সেলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। নিম্ন আদালতে জামিন চেয়ে ব্যর্থ হয়ে হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন ইরফান সেলিম। ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হাজী সেলিমের পুত্র ইরফান সেলিম ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। তবে নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধ ও অসদাচরণের অভিযোগে সম্প্রতি তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply