sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » তিলা মুনিয়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Lonchura punctulata)[]81]




তিলা মুনিয়া Lonchura punctulata Scaly Breasted Munia (Lonchura punctulata) Photograph By Shantanu Kuveskar.jpg পূর্ণবয়স্ক L. p. punctulata, মহারাষ্ট্র, ভারত মহসিন আলী আঙ্গুর// ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত (আইইউসিএন ৩.১)[১] বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ: Animalia পর্ব: কর্ডাটা শ্রেণী: পক্ষী বর্গ: Passeriformes পরিবার: Estrildidae গণ: Lonchura প্রজাতি: L. punctulata দ্বিপদী নাম Lonchura punctulata (Linnaeus, 1758) Map showing the breeding areas in Asia and Oceania এশিয়া আর ওশেনিয়ায় তিলা মুনিয়ার বিস্তৃতি প্রতিশব্দ Loxia punctulata তিলা মুনিয়া (বৈজ্ঞানিক নাম: Lonchura punctulata) বা তিলে মুনিয়া Estrildidae (ইস্ট্রিল্ডিডি) গোত্র বা পরিবারের অন্তর্গত Lonchura (লঙ্কুরা) গণের অন্তর্গত এক প্রজাতির ছোট তৃণচর পাখি।[২][৩][৪] তিলা মুনিয়ার বৈজ্ঞানিক নামের অর্থ তিলা সুঁইলেজ (গ্রিক; lonkhe = সূঁচালো, ura = লেজ; লাতিন: punctulatus = তিলাযুক্ত)।[৩] পাখিটি বাংলাদেশ, ভারত ছাড়াও দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে দেখা যায়। এছাড়া কয়েকটি দেশে পাখিটি অবমুক্ত করা হয়েছে। সারা পৃথিবীতে এক বিশাল এলাকা জুড়ে এদের আবাস, প্রায় ৭১ লক্ষ ৯০ হাজার বর্গ কিলোমিটার।[৫] বিগত কয়েক দশক ধরে এদের সংখ্যা স্থির রয়েছে, আশঙ্কাজনক পর্যায়ে যেয়ে পৌঁছেনি। সেকারণে আই. ইউ. সি. এন. এই প্রজাতিটিকে ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত বলে ঘোষণা করেছে।[১] বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী আইনে এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।[৩] Lonchura গণের অন্যসব প্রজাতির মত এদের উৎপত্তিও সম্ভবত এশিয়ায়।[৬] বিশ্বজুড়ে শখের পোষা পাখি হিসেবে এরা বেশ জনপ্রিয়।[৭]

শ্রেণীবিন্যাস ক্যারোলাস লিনিয়াস ১৭৫৮ সালে প্রকাশিত সিস্টেমা নেচারি (Systema Naturae) গ্রন্থের দশম খণ্ডে সর্বপ্রথম যে কয়টি পাখির দ্বিপদ নামকরণ করেছিলেন, তিলা মুনিয়া তার একটি। লিনিয়াস পাখিটির নাম দিয়েছিলেন Loxia punctulata। পরবর্তীতে ১৮২৩ সালে উইলিয়াম হেনরি সাইক্স পাখিটিকে Lonchura গণে অন্তর্ভুক্ত করেন এবং নতুন নাম দেন Lonchura punctulata।[৮] উপপ্রজাতি এখন পর্যন্ত তিলা মুনিয়ার মোট ১১টি স্বীকৃত উপপ্রজাতির সন্ধান পাওয়া গেছে।[৯][১০] উপপ্রজাতিগুলো হল: L. p. punctulata (Linnaeus, 1758) – পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল বাদে সমগ্র ভারত, বাংলাদেশের খুলনা ও ঢাকা বিভাগ, নেপালের তেরাই ও শ্রীলঙ্কায় এরা বিস্তৃত। L. p. subundulata (Godwin-Austen, 1874) – ভুটান, বাংলাদেশের সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগ, ভারতের আসাম ও পশ্চিম মায়ানমার এদের মূল আবাস। L. p. yunnanensis (Parkes, 1958) – উত্তর ও উত্তর-পূর্ব মায়ানমার ও দক্ষিণ চীনে এদের দেখা যায়। L. p. topela (Swinhoe, 1863) – মায়ানমারের দক্ষিণাঞ্চল, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ-পূর্ব চীন ও হাইনান দ্বীপ, তাইওয়ান, লাওস, কম্বোডিয়া ও ভিয়েতনামে এদের দেখা মেলে। L. p. cabanisi (Sharpe, 1890) – ফিলিপাইন ও বোর্নিওর উত্তরাঞ্চলে এদের আবাস। L. p. fretensis (Kloss, 1931) – মালয় উপদ্বীপের দক্ষিণাঞ্চল, সিঙ্গাপুর, সুমাত্রা ও নিয়াস দ্বীপে এরা বিস্তৃত। L. p. nisoria (Temminck, 1830) – দক্ষিণ বোর্নিও, জাভা, বালি, লম্বক ও সুম্বাওয়া দ্বীপে এদের দেখা যায়। L. p. particeps (Riley, 1920) – কেবল সুলাওয়েসি দ্বীপেই এরা বিস্তৃত। L. p. baweana (Hoogerwerf, 1963) – উত্তর-পূর্ব জাভায় এরা বিস্তৃত। L. p. sumbae (Mayr, 1944 ) – সুম্বা দ্বীপ। L. p. blasii (Stresemann, 1912) – ফ্লোরেস থেকে তিমুর ও তানিম্বার দ্বীপপুঞ্জ পর্যন্ত এরা বিস্তৃত।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply