sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » রাজধানীতে করোনা সংক্রমণে ঝুঁকিপূর্ণ যেসব এলাকা




রাজধানীতে করোনাভাইরাস সংক্রমণে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে রূপনগর ও আদাবর। এই দুই থানা এলাকায় শনাক্তের হার যথাক্রমে ৪৬ ও ৪৪ শতাংশ। সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইইডিসিআর) এর উদ্যোগে ঢাকা সিটি করপোরেশনের থানাভিত্তিক শনাক্তের এক জরিপ প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে। বিজ্ঞাপন বিজ্ঞাপন গত ২৭ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি করপোরেশন এলাকায় এ জরিপ চালানো হয়। আইইডিসিআর-এর ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য-উপাত্তের বিশ্লেষণে দেখ গেছে, রাজধানীর রূপনগর থানা এবং আদাবর থানা সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। রুপনগরে শনাক্তের হার ৪৬ শতাংশ ও আদাবরে ৪৪ শতাংশ। ঢাকার আরও ১৭টি থানায় শনাক্তের হার ৩০ শতাংশের বেশি। ২৩টি থানায় ২০ শতাংশের বেশি এবং ৭টি থানায় ১১ শতাংশের বেশি। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ১১ থেকে ২০ শতাংশের মধ্যে রয়েছে- তেজগাঁও ডেভলপমেন্ট, উত্তর পশ্চিম থানা, ভাসানটেক, গুলশান, ক্যান্টনমেন্ট থানা, তেজগাঁও শিল্প থানা ও বিমানবন্দর থানা। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ২১ থেকে ৩০ শতাংশের বেশি রয়েছে শাহবাগ, বংশাল, লালবাগ, শাজাহানপুর, রমনা, কামরাঙ্গীরচর, শ্যামপুর, বাড্ডা, বনানী, উত্তরখান, শেরে বাংলা নগর, সূত্রাপুর, যাত্রাবাড়ী, পল্লবী, কাফরুল, ডেমরা, ওয়ারী, ভাটারা, দক্ষিণখান, খিলক্ষেত, কদমতলী, উত্তর পূর্ব থানা ও পল্টন। রোগী শনাক্তের হার ৩১ শতাংশের বেশি থাকা থানাগুলো হলো- রূপনগর, আদাবর, শাহ আলী, রামপুরা, তুরাগ ,মিরপুর, কলাবাগান, তেজগাঁও, মোহাম্মদপুর, মুগদা, গেণ্ডারিয়া, ধানমন্ডি, হাজারীবাগ, নিউমার্কেট, চকবাজার, সবুজবাগ, মতিঝিল, দারুস সালাম ও খিলগাঁও। দুই সিটি করপোরেশনের মধ্যে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) শনাক্তের হার ৩৬ শতাংশ এবং উত্তর সিটি করপোরেশনে (ডিএনসিসি) ২৯ শতাংশ। প্রতিবেদনে বলা হয়, জরিপের সময়কালে ডিএসসিসি এলাকায় করোনা শনাক্তে ১৪ হাজার ৩৩২টি নমুনা পরীক্ষা করে ৫ হাজার ১০৩ জন রোগী শনাক্ত হয়েছে। অর্থাৎ শনাক্তের হার ৩৬ শতাংশ। একই সময় ডিএনসিসি এলাকায় ৩৬ হাজার ৭৭১টি নমুনা পরীক্ষায় ১০ হাজার ৮৪৩ জন শনাক্ত হয় অর্থাৎ শনাক্তের হার ২৯ শতাংশ। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও উপদেষ্টা ড. মোশতাক হোসেন চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, আমাদের কঠোর লকডাউনে যেতে হবে হয়তো, তবে সুনিদিষ্ট টার্গেট করে, কোথায় কোথায় মানুষ সংক্রমিত বেশি হচ্ছে সেটা বের করতে হবে। তিনি বলেন, সুনিদিষ্ট জায়গা চিহ্নিত করে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সেখানে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। আর যদি সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা না যায় তাহলে লকডাউনে আমাদের যেতে হবে। সেটা সারা দেশ হলেও করতে হবে। লকডাউন একটা বিশেষ পরিস্থিতিতে বিশেষ ব্যবস্থা। এরআগে আমাদের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য সব কিছু করা উচিত। এটা অসম্ভব না, তবে কষ্টকর। একটু কষ্ট করে যদি বাঁচার জন্য চেষ্টা করি তাহলেও সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply