sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » পাকিস্তানি বোলিং তোপে বিপাকে প্রোটিয়ারা




ভালো শুরু করেও পাকিস্তানি বোলিং তোপের মুখে পড়ে বিপাকে পড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। শাহিন আফ্রিদির জোড়া আঘাত ও হাসনাইনের পেস তোপে ৩৪ রানে প্রথম উইকেট হারানো স্বাগতিকরা ৫৫ রানেই খুইয়েছে চতুর্থ উইকেট। ১৬ ওভার শেষে দক্ষিণ আফ্রিকার সংগ্রহ ৪ উইকেটে ৬১ রান। ১১ রান নিয়ে ক্রিজে আছেন ভ্যান ডার ডুসেন। তাকে সঙ্গ দিতে ক্রিজে আসা ডেভিড মিলার আছেন ৫ রান নিয়ে। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে ফাহিম আশরাফের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরেন ২১ বল খেলে ১ রান করা হেনরিখ ক্লাসেন। এর আগে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে বাংলাদেশ সময় আজ দুপুর ২টায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাঠের লড়াইয়ে নামে বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন অনেকটাই তরুণ পাকিস্তান দল। সেঞ্চুরিয়নের সুপার স্পোর্টস পার্কে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় সফরকারীরা। ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পেয়ে সূচনাটা বেশ ভালোই করে টেম্বা বাভুমার দল। দুই ওপেনার এইডেন মার্করাম ও কুইণ্টন ডি কক মিলে পাকিস্তানি বোলারদের দেখেশুনে খেলে ৬ ওভারেই তুলে ফেলেন ৩৪ রান। তবে এরপরেই যেন রুদ্রমুর্তি ধারণ করেন পাকিস্তানি তরুণ দীর্ঘদেহী পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি। ইনিংসের সপ্তম ওভারের ঘটনা! আফ্রিদিকে তার আগের ওভারে একটি করে ছক্কা ও চার হাঁকিয়ে ফিরতি ওভারেও তেমন আক্রমণাত্মক শট খেলতে যান ডি কক। কিন্তু বিপত্তিতটা ঘটে তখনই। এবার আর সে সুযোগ দেননি পেসার আফ্রিদি। তুলে মারতে গিয়ে সোজা মিড অফে দাঁড়ানো বাবর আজমের তালুবন্দি হন ১৮ বলে ২০ রান করা বাঁহাতি ওপেনার। পরের বলে নো-বল করায় ফ্রি-হিটে আরও একবার ছক্কা খেয়ে বসেন আফ্রিদি। এতে যেন আরও তেতে যান বাঁহাতি এই পেসার। ছক্কা মেরে এবার তার শিকার হন আরেক ওপেনার মার্করাম। লেন্থ বলটাকে চিপ করতে গিয়ে মিড-অনে ফাহিম আশরাফের হাতে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ২৩ বলে ১৯ করা ডানহাতি প্রোটিয়া ওপেনার। যাতে ৪১ রানেই দ্বিতীয় উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। আর পরের ওভারে এসে উইকেট দখলে আফ্রিদির সঙ্গে সামিল হন আরেক তরুণ পেসার মোহাম্মদ হাসনাইন। তার শিকার হন মাত্রই ক্রিজে আসা দক্ষিণ আফ্রিকার নয়া ক্যাপ্টেন টেম্বা বাভুমা। অষ্টম ওভারে হাসনাইনের করা দুর্দান্ত ওই পঞ্চম বলটিতে পেসের সঙ্গে থাকা মুভমেন্ট বুঝতে না পেরে ব্যাট চালিয়ে থার্ডম্যানে দাঁড়িয়ে থাকা আফ্রিদির হাতে সহজ ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মাত্র ১ রান করে। ফলে ৪৩ রানেই তৃতীয় উইকেট হারিয়ে বসে প্রোটিয়ারা। এই মাঠে অতীতে ৪০টি ওয়ানডে ম্যাচে অংশ নিয়ে ২৬টিতে জয় পায় স্বাগতিক দক্ষিণ আফ্রিকা। সেঞ্চুরিয়নের এই ভেন্যুতে অতীতে ৬ ম্যাচে মুখোমুখি হয় পাকিস্তান-দক্ষিণ আফ্রিকা। তার মধ্যে চারটিতে জয় পান স্বাগতিকরা। দুই ম্যাচে জয় পায় পাকিস্তান। তবে ২০১৯ সালের ২৫ জানুয়ারি সবশেষ সাক্ষাতে ইমাম-উল হকের সেঞ্চুরিতে ৬ উইকেটে ৩১৭ রানের পাহাড় গড়েও বৃষ্টি আইনে ১৩ রানে হেরে যায় সরফরাজ আহমেদের নেতৃত্বাধীন পাকিস্তান। ওয়ানডেতে দুইদল এর আগে ৭৯ ম্যাচে মুখোমুখি হয়। তার মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকা জয় পায় ৫০ ম্যাচে আর ২৮টিতে জয় পায় পাকিস্তান। ঘরের মাঠে খেলা হওয়ায় বাড়তি সুবিধা পাবে দক্ষিণ আফ্রিকা। তদুপরি সেঞ্চুরিয়নের এই মাঠে সবশেষ ১০ ম্যাচে একক আধিপত্য বিস্তার করে ৭টিতে জয় তুলে নিয়েছেন স্বাগিতকরা। একটি ম্যাচে ফল হয়নি। এদিকে এই ম্যাচে পাকিস্তান দলে অভিষেক হচ্ছে বাঁহাতি অলরাউন্ডার দানিশ আজিজের। দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশ: কুইন্টন ডি কক, এইডেন মার্করাম, টেম্বা বাভুমা (অধিনায়ক), রশিয়ে ভ্যান ডার ডুসেন, ডেভিড মিলার, হেনরিক ক্লাসেন, অ্যান্ডিলে ফেহলুকায়ো, তাবরাইজ শামসি, কাগিসো রাবাদা, লুঙ্গি এনগিদি ও আনরিক নর্টজে। পাকিস্তান একাদশ: ইমাম-উল হক, ফখর জামান, বাবর আজম (অধিনায়ক), আসিফ আলী, মোহাম্মদ রিজওয়ান, ফাহিম আশরাফ, শাদাব খান, মোহাম্মদ হাসনাইন, শাহীন শাহ আফ্রিদি, হারিস রউফ ও দানিশ আজিজ।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply