sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » লকাডাউন আংশিক কার্যকরের সুফল পাচ্ছে বাংলাদেশ




লকাডাউন আংশিক কার্যকর হওয়ার সুফল পাচ্ছে বাংলাদেশ। হাসপাতালে রোগীর চাপ কমেছে। তবে ভারতে ছড়িয়ে পড়া করোনার ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণের গতি তিন শ' গুণ এবং তিন বার রূপ পরিবর্তন করায় আশঙ্কা রয়ে গেছে বাংলাদেশে। সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতার দিকে নজর দেয়ার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। একই সঙ্গে দেশে করোনা সংক্রমণের হার ৫ শতাংশের নিচে নামার আগে লকডাউন চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে তাদের মত। অক্সিজেন মাস্ক পরে ভর্তির জন্য অপেক্ষার দৃশ্য নেই কুর্মিটোলা হাসপাতালে। নেই আইসিইউ পেতে মুমূর্ষু রোগীকে নিয়ে ছোটাছুটির মর্মান্তিক ঘটনা। রাজধানীর কোভিড ডেডিকেটেড ৩৪৮১ শয্যার ২০২৮টিই ফাঁকা। সরকারি ৫৮টি আইসিইউ ফাঁকা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোভিড ভীতি এবং লকডাউনের আংশিক কার্যকারিতার ফল এটি। তবে কিট সঙ্কট নিয়ে কেন্দ্রীয় ওষুধাগারের তথ্যে নতুন করে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সংক্রমণ শূন্যের কোটায় না নামা পর্যন্ত নিয়মিত নমুনা পরীক্ষা ব্যাপকভাবে বাড়ানোর তাগিদ বিশেষজ্ঞদের। রিউমাটোলজিস্ট ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক বলেন, সরকারের গৃহীত যে লকডাউনের ঘোষণা এটা অন্তত আংশিকভাবে কার্যকর হয়েছে। মানুষ কিছুটা ঘাবড়ে গিয়ে স্বাস্থ্যবিধি আমার মনে হয় আগের চেয়ে কিছুটা মেনেছে। এবং নিশ্চিতভাবে তারই সুফল। তবে কিট সংকট নিয়ে কেন্দ্রীয় ওষুধাগারের তথ্যে নতুন করে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সংক্রমণ শুন্যের কোটায় না আসা পর্যন্ত নিয়মিত নমুনা পরীক্ষা ব্যপকভাবে বাড়ানো তাগিদ বিশেষজ্ঞদের। অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক এ বিষয়ে বলেন, কীট দ্রুত আনতে হবে, দরকার হলে চার্টার্ড বিমানে করে আনতে হবে। আর পশ্চিমবঙ্গের ভ্যারিয়েন্টের ব্যাপারে অনুমান করা হচ্ছে, এটা ৩০০ শতাংশ অর্থাৎ তিন গুণ বেশি ছড়াচ্ছে। সবকিছু মিলিয়ে এই ভ্যারিয়েন্টগুলো বাংলাদেশে আসবে না এই ধরনের ধারণা মনের মধ্যে পোষণ করা কোনভাবেই ঠিক হবে না। তবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, কোন সংকট নেই। স্বাস্থ্য অধিদফতরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, এটি সংগ্রহ করার জন্য যত প্রশাসনিক উদ্যোগগুলো আছে সেটি সবসময় সচল আছে। সংগ্রহ করা হচ্ছে, তাৎক্ষণিকভাবে চাহিদাও মেটানো হচ্ছে। কাজেই সংকট যেটা বলা হচ্ছে সেটা একেবারেই তথ্যনির্ভর, সঠিক নয়। বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) গত ৩৯ দিনের মধ্যে শনাক্ত সর্বনিম্ন হলেও মৃত্যু হার কমেনি। আর ভারতের পরিস্থিতি বিবেচনায় মাস্ক পরা এবং শারীরির দূরত্ব ৯০ ভাগের বেশি নিশ্চিত না করে লকডাউন শিথিল না করার জোর তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply