sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ধলা মানিকজোড় (বৈজ্ঞানিক নাম: Ciconia ciconia) [106]




মহসিন আলী আঙ্গুর// ধলা মানিকজোড় Ciconia ciconia qtl2.jpg ধলা মানিকজোড়, জার্মানি সংরক্ষণ অবস্থা ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত (আইইউসিএন ৩.১)[১] বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস জগৎ: Animalia পর্ব: Chordatai শ্রেণী: পক্ষী বর্গ: Ciconiiformes পরিবার: Ciconiidae গণ: Ciconia প্রজাতি: C. ciconia দ্বিপদী নাম Ciconia ciconia (Linnaeus, 1758) WhiteStorkMap.svg

বিস্তৃতি ও গতিবিধি প্রজননক্ষেত্র শীতকালীন বিচরণস্থল পরিযায়ন পথ প্রতিশব্দ Ardea ciconia Linnaeus, 1758 ধলা মানিকজোড় (বৈজ্ঞানিক নাম: Ciconia ciconia) (ইংরেজি: White Stork) বা সাদা মানিকজোড় Ciconiidae (সাইকোনিডি) গোত্র বা পরিবারের অন্তর্গত Ciconia (সাইকোনিয়া) গণের অন্তর্গত এক প্রজাতির শ্বেতকায় বৃহদাকৃতির পাখি।[২][৩][৪] ধলা মানিকজোড়ের বৈজ্ঞানিক নামের অর্থ মানিকজোড় (লাতিন: ciconia = মানিকজোড়)।[৩] পাখিটি বাংলাদেশ, ভারত ছাড়াও এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে দেখা যায়। সারা পৃথিবীতে এক বিশাল এলাকা জুড়ে এদের আবাস, প্রায় ৬৩ লাখ ২০ হাজার বর্গ কিলোমিটার।[৫] বিগত কয়েক দশক ধরে এদের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। সেকারণে আই. ইউ. সি. এন. এই প্রজাতিটিকে Least Concern বা ন্যূনতম বিপদগ্রস্ত বলে ঘোষণা করেছে।[১] বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী আইনে এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।[৩] গ্রীষ্মকালে, অর্থাৎ প্রজনন মৌসুমে ধলা মানিকজোড় মধ্য ও দক্ষিণ ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্যের কিছু অংশ, মধ্য এশিয়ার পশ্চিমাংশ এবং আফ্রিকার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে কাটায়। শীতের শুরুতে মধ্য এশিয়ার মানিকজোড়রা ছাড়া বাকি সবাই আফ্রিকার দক্ষিণাংশে নির্দিষ্ট পরিযান পথ ধরে চলে যায়। পথিমধ্যে কোথাও থামে না।[৬] মধ্য এশিয়ার মানিকজোড়রা চলে আসে দক্ষিণ এশিয়ায়। ধলা মানিকজোড়ের মোট দুইটি উপপ্রজাতির সন্ধান এখন পর্যন্ত পাওয়া গেছে[৭]। উপপ্রজাতি দু'টি হল: Ciconia ciconia ciconia (Linnaeus, 1758) - ইউরোপ, পশ্চিম এশিয়া এবং আফ্রিকা জুড়ে এদের বিস্তৃতি। এ উপপ্রজাতির কিছু সদস্য শীতকালটা ভারতে কাটায়।[৮] Ciconia ciconia asiatica (Severtsov, 1873) - মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়া এদের মূল আবাস। মনোনিত উপপ্রজাতি থেকে আকারে এরা কিছুটা বড়।[৯] বিবরণ ধলা মানিকজোড় বেশ বড়সড় জলচর পাখি। এর দৈর্ঘ্য কমবেশি ১০৬ সেন্টিমিটার, ডানা ৫৭ সেন্টিমিটার, ঠোঁট ২০.৫ সেন্টিমিটার, লেজ ২২.৭ সেন্টিমিটার ও পা ২২.৭ সেন্টিমিটার।[৩] ডানার বিস্তার ১৫৫-২১৫ সেমি। ওজন ২.৩-৪.৫ কেজি।[১০][১১] স্ত্রী ও পুরুষ পাখির মধ্যে কোন যৌন দ্বিচারীতা নেই। তবে পুরুষ পাখি গড়ে স্ত্রী পাখির থেকে একটু বড়। প্রাপ্তবয়স্ক পাখির কাঁধ-ঢাকনিসহ দেহ সাদা। কেবল ডানার ওড়ার পালক কালো। পালকে মেলানিন থাকার কারণে পালক কালো দেখায়।[১২] লেজ ও লেজ-ঢাকনি সাদা। মুখের পালকহীন চামড়া কালচে-ধূসর। লম্বা পা ও পায়ের পাতা উজ্জ্বল লাল। চোখ বাদামি থেকে ধূসরাভ বাদামি, চোখের কোল লাল। লম্বা সোজা ঠোঁট উজ্জ্বল লাল। অপ্রাপ্তবয়স্ক পাখির ডানার পালকের বড় ঢাকনি বাদামি। এছাড়া ঠোঁট অনুজ্জ্বল লাল বা কালচে।[১৩] স্বভাব ধলা মানিকজোড় ঘাসক্ষেত, জলাভূমি, পতিত জমি এবং ডোবাময় মাঠে বিচরণ করে। সচরাচর একা, জোড়ায় কিংবা ছোট ঝাঁকে থাকে। খাবারের সন্ধানে খুব ভোরে জলাভূমিতে নামে। হেঁটে হেঁটে ভেজা ঘাস ও জলাভূমিতে ঠোঁট ঢুকিয়ে এরা খাবার খুঁজে বেড়ায়। এরা মাংসাশী পাখি। এদের খাদ্যতালিকায় রয়েছে পোকামাকড়, শামুক, ব্যাঙ, ছোট সরীসৃপ, ছোট স্তন্যপায়ী ও মাছ। ধীরে ধীরে ডানা মেলে এরা উড়ে চলে। হালকা বাতাসে ভেসে থাকে। আশ্রয়ের জন্য এরা একটিমাত্র গাছকে বেছে নেয়। কোন ব্যাঘাত না ঘটলে ঐ গাছে এরা রাতের পর রাত আশ্রয় নেয়। শীতে সচরাচর নীরব থাকে। তবে প্রজনন মৌসুমে ঠোঁট দিয়ে ঠক-ঠক আওয়াজ তোলে।[৩] প্রজনন মার্চ থেকে মে মাস এদের প্রজনন মৌসুম। এসময় লোকালয়ের উঁচু দালানে, খাড়া বাঁধ কিংবা উঁচু গাছে ডালপালা দিয়ে বড় মাচার মত আগোছালো বাসা বানায়। স্ত্রী ও পুরুষ দু'জনে মিলেই বাসা করে। বাসা বানাতে ৫-১৫ দিন সময় লাগে। বাসা বানানো শেষে ডিম পাড়ে। ডিমগুলো সংখ্যায় ৩-৫টি এবং সাদা রঙের। ডিমের মাপ ৭.৩ × ৫.৯ সেমি। ৩০ দিনে ডিম ফুটে ছানা বের হয়।[৩






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply