sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ভারতে আবারও কোভিড হাসপাতালে আগুন, ১৮ রোগীর মৃত্যু




ভারতের গুজরাটে আবারও কোভিড হাসপাতালে আগুনের ঘটনায় করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। ছবি : সংগৃহীত আবারও আগুন লাগল ভারতের একটি কোভিড হাসপাতালে। দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় রাজ্য গুজরাটে গতকাল শুক্রবার মধ্যরাতের পর একটি বেসরকারি কোভিড হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে ১৮ জন রোগীর। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা পুলিশের। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্যাটেল ওয়েলফেয়ার কোভিড হাসপাতালে প্রায় ৫০ জন রোগীর চিকিৎসা চলছিল। শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) আগুন লাগে। স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৪ জন রোগী আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। প্রাথমিকভাবে স্থানীয়রা কয়েকজন রোগীকে উদ্ধার করেন। এর মধ্যে ঘটনাস্থলে আসে ফায়ার সার্ভিস। আরও কয়েকজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালগুলোতে পাঠানো হয়। এক ঘণ্টার মধ্যে নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন। প্রাথমিকভাবে সংবাদ সংস্থা এএনআইকে ভারুচের পুলিশ সুপার রাজেন্দ্রসিহ ছুদাসামা বলেন, ‘কোভিড ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন কমপক্ষে ১২ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। সকালে প্রকৃত সংখ্যাটা বলতে পারব।’ সেইসঙ্গে তাঁর আশঙ্কা ছিল যে, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়। আজ শনিবার সকালে এক পুলিশ কর্মকর্তা সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে বলেছেন, ‘সকাল সাড়ে ৬টা পর্যন্ত যা খবর, তাতে ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগুন লাগার পরেই আমাদের কাছে ১২ জনের মৃত্যুর খবর ছিল।’ প্রাথমিকভাবে ফায়ার সার্ভিসের অনুমান, শর্ট সার্কিটের জেরে হাসপাতালে আগুন লেগেছিল। প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখতে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, কী কারণে একাধিকবার গুজরাটের বিভিন্ন করোনা হাসপাতালে আগুন লাগছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এর আগে গত মার্চে ভদোদরায় একটি কোভিড হাসপাতালে আগুন লেগেছিল। উদ্ধার করা হয়েছিল ২৩ জনকে। তাঁদের ১৭ জন করোনায় আক্রান্ত ছিলেন। সেই ঘটনায় অবশ্য হতাহতের কোনো খবর মেলেনি। দিনকয়েক আগেই সুরাটের একটি করোনা হাসপাতালের আইসিইউ ওয়ার্ডে আগুন লেগেছিল। কর্মকর্তারা দাবি করেছিলেন, আগুনে কেউ হতাহত হননি। ১৬ জন রোগীকেই সুরক্ষিতভাবে শহরের অন্যান্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। যদিও পরে চারজনের মৃত্যু হয়।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply