sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ২০ লাখ টাকার নিচে ডাকাতি করলে তাদের পোষায় না!




সংগঠক ও সমাজ সেবক হিসেবে পরিচয় দেওয়া মো. নুর নবী (৩০) নামে এক আন্তঃজেলা ডাকাত দলের প্রধানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, মাত্র ৯ মিনিটেই লাখ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নুর নবী বাহিনী। বাধা দিলে হত্যা করতেও পিছপা হয় না তারা। তাদের ডাকাতিতে বাধা দিয়ে এ পর্যন্ত ২ জন নিহত হয়েছেন। ৭ বছরে ১০ জেলায় ৩০টি ঘটনায় ১০কোটি টাকার সিগারেট লুট করেছে নুরুর বাহিনী। চট্টগ্রামের ডবলমুরিংয়ে আবুল খায়ের গ্রুপের একটি গুদাম থেকে লুট করা ৩৩ লাখ টাকার সিগারেট উদ্ধার ও মূল হোতা আন্তঃজেলা ডাকাত দলের প্রধান নুর নবীসহ ৩ জন গ্রেপ্তারের পর পাওয়া যায় চাঞ্চল্যকর এসব তথ্য। আরও পড়ুন: মাদারীপুরে অস্ত্রসহ ডাকাত দলের ৬ সদস্য আটক গ্রেফতার বাকি দুইজন হলেন- কুমিল্লা সদরের পশ্চিম বাগিছাগাঁও গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে মো. শাহজাহান (৬০) ও তার ছেলে মো. এনায়েত উল্লাহ শান্ত। শান্ত কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্সের শিক্ষার্থী। নুর নবীকে সীতাকুণ্ড এবং বাকি দুইজনকে কুমিল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেসময় তাদের কাছ থেকে ৯২ কার্টন সিগারেট এবং দুই কার্টন বিক্রিলব্ধ ৬৮ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ধর্ষ এই ডাকাত গ্রেপ্তার ও লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে বিস্তারিত জানাতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে ব্রিফ করেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ কমিশনার জনাব মো. আব্দুল ওয়ারীশ। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন নগর গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত উপ কমিশনার জনাব নোবেল চাকমা, সহকারী কমিশনার জনাব গোলাম সরোয়ার, পশ্চিম জোনের সহকারী কমিশনার জনাব মো. মাহামুদুল হাসান মামুন,ডবলমুরিং থানার ওসি মোহাম্মদ মহসীন, ইন্সপেক্টর প্রিটন সরকার, উপ পরিদর্শক অর্নব বড়ুয়া, কিশোর মজুমদার, শরীফ উদ্দিন, মোহাম্মদ তারেক আজিজ, এইচ এম ওয়াহিদুল্লাহ প্রমুখ। আরও পড়ুন: ডাকাত পড়ার গুজব ছড়িয়ে যুবলীগ-এলাকাবাসী সংঘর্ষ মো. আব্দুল ওয়ারীশ বলেন, ‘নুর নবী আন্তঃজেলা ডাকাত দলের প্রধান। তারা মোট ২০/২৫ জনের আন্তঃজেলা ডাকাত গ্যাং। ডাকাতির আগে তারা রেকি করে। এরপর অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ডাকাতি করে।’ নগর গোয়েন্দা বিভাগের অতিরিক্ত উপ কমিশনার নোবেল চাকমা বলেন, ‘নুর নবী বাহিনী শুধুমাত্র সিগারেট ডাকাতি করে। সিগারেট সব এক জায়গাতেই মজুদ থাকে আবার এগুলো বিক্রিও খুব সহজেই করা যায়। তাই তারা শুধু সিগারেটই লুট করে। সাধারণত তারা ২০ লাখ টাকার মালামাল টার্গেট করে। এর নিচে করলে তাদের পোষায় না।’






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply