sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » সাংবাদিকের ফোন রেকর্ড গোপনে হাতিয়ে নিয়েছিল ট্রাম্পের বিচার বিভাগ




সাংবাদিকের ফোন রেকর্ড গোপনে হাতিয়ে নিয়েছিল ট্রাম্পের বিচার বিভাগ

যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম সিএনএর সাংবাদিক বারবারা স্টারের ফোন রেকর্ড এবং ইমেইল গোপনে সংগ্রহ করেছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ‘ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস বা বিচার বিভাগ’। শনিবার (২১ মে) সিএনএন এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সিএনএন জানায়, বিচার বিভাগ সিএনএনের সাংবাদিক বারবারা স্টারকে ১৩ মে একটি চিঠিতে বলেছে, ২০২১ সালের ১ জুন থেকে ২০২১ সালের ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে তার ফোন এবং ইমেইল রেকর্ড সংগ্রহ করেছেন। সিএনএন আরো জানায়, পুরো দুই মাস ধরে বিচার বিভাগ বারবারা স্টারের কর্মক্ষেত্রে, বাড়িতে ও ব্যক্তিগত সেলফোনে যেসব নম্বর ব্যবহার করেছিলেন যোগাযোগের জন্যে তার রেকর্ড সংগ্রহ করার তথ্য চিঠিতে অন্তর্ভুক্ত ছিল। এদিকে সিএনএন জানিয়েছে, অ্যাটর্নি জেনারেল জেফ সেশনস বা অ্যাটর্নি জেনারেল উইলিয়াম বারের অধীনে এই ঘটনা ঘটেছে কিনা এবং বারবারা স্টারের ফোন রেকর্ডগুলো থেকে ট্রাম্প প্রশাসন কী খুঁজছিল তা স্পষ্ট নয়। বিচার বিভাগ গত বছর আদালতের মাধ্যমে রেকর্ড চেয়েছিল বলে নিশ্চিত করেছে কিন্তু এরপরে আর কোনো ব্যাখ্যা তারা দেয়নি। তবে বিচার বিভাগের এক কর্মকর্তা সিএনএনকে নিশ্চিত করেছেন বারবারা স্টার কখনো কোনো তদন্তের লক্ষ্য ছিলেন না। এদিকে এমন ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর সিএনএন সভাপতি জেফ জুকার জানিয়েছেন, স্টারের ফোন রেকর্ড এবং ইমেইল গোপনে সংগ্রহ করার ঘটনাকে সিএনএন তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে। সাংবাদিকদের তথ্য সুরক্ষা যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম সংশোধনী আইন দ্বারা সুরক্ষিত। সেই আইনের চরম লঙ্ঘন হয়েছে।' তিনি আরও বলেন, 'আমরা ব্যাখ্যার জন্য বিচার বিভাগের সঙ্গে তাত্ক্ষণিক বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছি। এর আগে শুক্রবার (৭ মে) যুক্তরাষ্ট্রের আরেক প্রভাবশালী গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, তাদের একাধিক সাংবাদিকের ফোন কলে আড়ি পেতেছিল ট্রাম্পের 'ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস বা বিচার বিভাগ। ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, তাদের তিনজন রিপোর্টার যারা ২০১৬ সালের নির্বাচনের সময় রাশিয়ার ভূমিকা নিয়ে কাজ করেছিলেন, তারা ৩ মে আইন বিভাগ থেকে একটি করে চিঠি পেয়েছেন। ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, চিঠিতে সাংবাদিকদের বলা হয়েছে 'আইনি প্রক্রিয়া অনুসারে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ ২০১৭ সালের ১৫ এপ্রিল থেকে ২০১৭ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত নিম্নলিখিত ফোন নম্বরগুলোর সঙ্গে সংযুক্ত টোলের রেকর্ড হাতে পেয়েছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply