sponsor

sponsor

Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি

খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার

যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » সরিষা বীজের আড়ালে দেশে আনা হয়েছে টনকে টন পপি বীজ আটক করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস




সরিষার আড়ালে টনকে টন পপি বীজ সরিষা বীজের আড়ালে দেশে আনা হয়েছে টনকে টন পপি বীজ। আফিম তৈরির উপকরণ এই পপি বীজ

। মঙ্গলবার (১ জুন) সংস্থাটি জানিয়েছে, তারা নিষিদ্ধ পণ্য আমদানি করায় সংশ্লিষ্টদের আসামি করে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। জানা গেছে, পুরান ঢাকার আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান আজমিন ট্রেড সেন্টার সরিষা বীজ ঘোষণায় মালয়েশিয়া হতে দুই কন্টেইনার পণ্য আমদানি করে। আমদানিকারকের মনোনীত সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট হটলাইন কার্গো ইন্টারন্যাশনাল পণ্য চালানটি খালাসের জন্য এ দপ্তরে ১৮ এপ্রিল বিল অব এন্ট্রি দাখিল করে এবং ঘোষিত পণ্য সরিষা বীজের শুল্ক বাবদ ১ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৭ টাকা পরিশোধ করে। শুল্ক-করাদি পরিশোধ শেষে পণ্য চালানটি খালাস গ্রহণের কার্যক্রম শুরু করে সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট। আরও পড়ুন: ভয়ংকর এলএসডি মাদকসেবিদের হাসিতে হতবাক আইনজীবীরা এদিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খালাস প্রক্রিয়া স্থগিত করে কাস্টম হাউস চট্টগ্রামের অডিট, ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড রিসার্চ (এআইআর) টিম। পরবর্তীতে শতভাগ কায়িক পরীক্ষায় আমদানিকারকের ঘোষিত ৫৪ টন সরিষা বীজের স্থলে ১২ টন সরিষা বীজ এবং ৪২ টন আমদানি নিষিদ্ধ পপি বীজ (পোস্তা দানা) পাওয়া যায়। উল্লেখ্য, একই রকম লেখা ও একই রঙের বস্তায় কন্টেইনারের সামনের অংশে সরিষা বীজ ও পিছনের দিকে পপি বীজ পাওয়া যায়। পণ্যের বর্ণনা সম্পর্কে অধিকতর নিশ্চয়তার জন্য রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য পণ্যের নমুনা ঢাকায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরে পাঠানো হয়। পরীক্ষা শেষে পাওয়া নমুনাকে পপি বীজ হিসেবে চিহ্নিত করে প্রতিবেদন দেয় সরকারি প্রতিষ্ঠানটি। আফিমসহ বিভিন্ন রকমের মাদক তৈরিতে পপি বীজ ব্যবহার করা হয় বলে তা আমদানি নিষিদ্ধ করেছে বাংলাদেশ সরকার। আরও পড়ুন: ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার অধিকন্তু, আন্তর্জাতিক বাজার দর অনুযায়ী ৪২ টন পপি বীজের বিক্রয় মূল্য প্রায় ১৫ কোটি টাকা হলেও সরিষা বীজের মূল্য বাবদ এলসি’র মাধ্যমে ২২ লাখ টাকা পরিশোধ করেছে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানটি। অর্থাৎ পণ্যের অবশিষ্ট মূল্য অবৈধভাবে বিদেশে পাচার করে পরিশোধ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে; যা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে দণ্ডনীয় অপরাধ। অসত্য ঘোষণায় নিষিদ্ধ পণ্য আমদানি করায় সংশ্লিষ্টদের আসামি করে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। এছাড়া মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে অপরাধের বিষয়টি খতিয়ে দেখছে কাস্টম হাউসের এন্টি মানি লন্ডারিং ইউনিট।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply