sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » সাকিব-মিরাজের স্পিনে ২৭৬ রানে শেষ জিম্বাবুয়ে




বা বাংলাদেশের দেওয়া বড় স্কোরের বিপরীতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতে দাঁতভাঙা জবাব দিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। কিন্তু সেই জবাব স্থায়ী হয়েছে তৃতীয় দিনের শেষ সেশন পর্যন্ত। এরপর সাকিব আল হাসান ও মেহেদী হাসান মিরাজের স্পিনে আর টিকে থাকতে পারেনি স্বাগতিকেরা। আজ শুক্রবার টেস্টের তৃতীয় দিন প্রথম ইনিংসে ২৭৬ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। ১৯২ রানের লিড নিয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। জিম্বাবুয়ের হয়ে ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ ৮৭ রান করেছেন কাইতানো। কাল ওপেনিংয়ে নেমে আজ দ্বিতীয় সেশন পর্যন্ত প্রতিরোধ গড়েছেন তিনি। আক্রমণাত্মক খেলেছেন ব্রেন্ডন টেইলরও। ওয়ানডাউনে নেমেই ওয়ানডে স্টাইলে ব্যাটিংয়ে করেন ব্রেন্ডন টেইলর। মারকুটে ব্যাটিংয়ে আগাচ্ছিলেন সেঞ্চুরির পথে। কিন্তু শতকের ঘরে পৌঁছানোর আগেই টেইলরের প্রতিরোধ ভাঙলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ৯২ বলে ৮১ রানে ফিরলেন টেইলর। তাঁর ইনিংসটি সাজানো ছিল ১২ বাউন্ডারি ও এক ছক্কায়। মিরাজের পর বাংলাদেশকে আজ দ্বিতীয় সাফল্য এনে দিয়েছেন সাকিব আল হাসান। চারে ব্যাট করতে নামা দিয়ন মায়ার্সকে ফিরিয়ে দিলেন তিনি। এরপর ফিরিয়ে দেন মারুমাকে। সাকিবের সঙ্গে স্পিনে দারুণ সাফল্য পেয়েছেন মিরাজ। কাইতানো, ডোনাল্ড তিরিপানো, ব্রেন্ডন টেইলর, মুজারবানিকে ভিক্টরকে নিজের শিকার বানান মিরাজ। ৮২ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট নিয়ে মিরাজই হয়েছেন সেরা বোলার। সমান রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে দ্বিতীয় সেরা বোলার সাকিব। তাসকিন নিয়েছেন একটি উইকেট। গতকাল বৃহস্পতিবার টেস্টের দ্বিতীয় দিন স্বস্তিতে কেটেছে বাংলাদেশের। মাহমুদউল্লাহর দেড়শ রানের ইনিংস এবং তাসকিনের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে প্রথম ইনিংসে লড়াই করার বড় পুঁজি পেয়েছে সফরকারীরা। এরপর প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে লড়াইয়ের আভাস দেয় জিম্বাবুয়ে। কাল দ্বিতীয় দিনের শেষ দিকে প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নামা জিম্বাবুয়ের মাত্র একটি উইকেট ফেলতে পেরেছে বাংলাদেশ। আজ শুক্রবার তৃতীয় দিন দ্রুত স্বাগতিকদের আউট করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ। সেই লক্ষ্যে সফলতা বেশি আসে তৃতীয় সেশনে। গতকাল বোলিং নিয়ে কিছুটা ভুগতে দেখা গেছে বাংলাদেশকে। প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নামা জিম্বাবুয়ের উইকেট পেতে বাংলাদেশকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ২৭.২ ওভার পর্যন্ত। এরপর স্বাগতিক ওপেনার মিল্টনকে এলভির ফাঁদে ফেলেন সাকিব আল হাসান। ৮৩ বলে ৪১ রান করে ফেরেন জিম্বাবুয়ের ওপেনার। এরপর আর একটি উইকেটও ফেলতে পারেননি বাংলাদেশি বোলাররা। কাল শেষ সেশনে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে এক উইকেটে ১১৪ রান নিয়ে দিন শেষ করেছে জিম্বাবুয়ে। এর আগে ব্যাট করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৪৬৮ রানে থেমেছে বাংলাদেশ। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ১৫০ রান করেছেন ১৬ মাস পর টেস্টে ফেরা মাহমুদউল্লাহ। এটাই টেস্টে তাঁর ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ। এর আগে সর্বোচ্চ ছিল ১৪৬ রান। লিটন দাস ও মাহমুদউল্লাহর লড়াইয়ে গত বুধবার টেস্টের প্রথম দিন ভালো-মন্দে শেষ করে বাংলাদেশ। দিনের শেষ দিকে লিটন ফিরলেও তাসকিনকে নিয়ে লড়াই চালিয়ে গেছেন মাহমুদউল্লাহ। কাল তাসকিনকে নিয়েই দলকে বড় ইনিংস গড়ে দিলেন অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান। ক্যারিয়ারের ৫০তম টেস্ট খেলতে নেমে পঞ্চম সেঞ্চুরি করেছেন মাহমুদউল্লাহ। গত বছর ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তান সফরে শেষ নিজের ৪৯তম টেস্ট ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি। হারারেতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে কাল মাঠে নেমে দিনের ১৭ ও ইনিংসের ১০০তম ওভারে পরপর জোড়া বাউন্ডারি হাঁকিয়ে শতক করলেন তিনি। সেঞ্চুরি করতে মাহমুদউল্লাহ খেলেছেন ১৯৫ বল। যেখানে ছিল ১১ চার ও একটি ছক্কার মার। মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে তাসকিন আহমেদও দারুণ খেলেছেন। যেখানে দলের নিয়মিত ব্যাটসম্যানরা ব্যর্থ হয়েছেন। সেখানে এই পেসার যেন বনে গেছেন পুরোদস্তুর ব্যাটসম্যান। ক্যারিয়ারের প্রথম হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন তিনি। শেষ পর্যন্ত করেছেন ৭৫ রান। তাঁর ইনিংসটি সাজানো ছিল ১১ বাউন্ডারি দিয়ে। এর আগে ২০১৭ সালে ক্রাইস্টচার্চে করেছিলেন ৩৩ রান। সেটিই ছিল টেস্টে তাঁর সর্বোচ্চ স্কোর। সেটিকে ছাড়িয়ে গেছেন তিনি। সংক্ষিপ্ত স্কোর বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস : ১২৬ ওভারে ৪৬৮/১০ ( সাইফ ০, সাদমান ২৩, নাজমুল ২, মুমিনুল হক ৭০, মুশফিক ১১, সাকিব ৩, মাহমুদউল্লাহ ১৫০*, লিটন দাস ৯৫, মিরাজ ০, তাসকিন ৭৫, এবাদত ০; মুজারাবানি ২৯-৪-৯৪-৪, রিচার্ড ২৩-৫-৮৩-১, তিরিপানো ২৩-৫-৫৮-২, ভিক্টর ১৭-১-৯২-২)। জিম্বাবুয়ে প্রথম ইনিংস : ১১১.৫ ওভারে ২৭৬/১০ ( মিল্টন ৪৩, টাকুদজয়নাশে ৮৭, টেইলর ৮১, মায়ার্স ২৭, মারুমা ০, রয় ০, তিরিপানো ২, ভিক্টর ০, মুজারবানি ২, চাকাভা ৩১ ও রিচার্ড ০ ; তাসকিন ২৪-১০-৪৬-১, সাকিব ৩৪/৫-১০-৮২-৪, এবাদত ২১-১-৫৮-০, মিরাজ ৩১-৫-৮২-৫ )






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply