Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » কারিগরি কমিটি সুপারিশ করলে বিধিনিষেধ বাড়তে পারে : নৌ প্রতিমন্ত্রী




চলমান কঠোর বিধিনিষেধ চলাকালে রাজধানীর একটি সড়কের চিত্র। ছবিটি গত ১ জুলাই তোলা। ফাইল ছবি : সংগৃহীত করোনাভাইরাসের কমিউনিটি ট্রান্সমিশন এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে উদ্ভূত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গঠিত ‘জাতীয় টেকনিক্যাল পরামর্শক কমিটি’ যদি সুপারিশ করে তাহলে চলমান কঠোর বিধিনিষেধের মেয়াদ আরও বাড়তে পারে বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। আজ রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী। খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘জীবনে অনেকবার ঈদ আসবে যদি বেঁচে থাকি। এখনো স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে যাওয়ার মতো অবস্থায় পৌঁছানো যায়নি।’ নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম, মোংলা এবং পায়রা বন্দরের সব কর্মীকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়া হবে। আগামী বুধবার থেকে এই কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম পর্যায়ে ১২ হাজার কর্মীকে টিকা দেওয়া হবে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সারা দেশে গত ১ জুলাই থেকে টানা কঠোর বিধিনিষেধ চলছে। এ সময়ে সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ রয়েছে। তবে শিল্প কারখানা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু রয়েছে। উন্মুক্ত স্থানে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কাঁচা বাজার ও নিত্যপণ্য কেনাবেচা হচ্ছে। এ ছাড়া শপিংমল, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার, পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধের পাশাপাশি সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। সারা দেশে বিধিনিষেধ কার্যকরে সশস্ত্র বাহিনীর প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েনও করেছে সরকার। কিন্তু এর পরেও প্রতিদিনই করোনার রোগী বাড়ছে। এ অবস্থায় স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। আজ রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক ডা. মো. রোবেদ আমিন করোনা পরিস্থিতি নিয়ে ভার্চুয়াল বুলেটিনে বলেন, গত মাসে সারা দেশে সংক্রমণের হার অনেক বেশি ছিল। জুন মাসে এক লাখ ১২ হাজার ৭১৮ জন রোগী সংক্রমিত হয়েছেন। শুধু জুলাইয়ের প্রথম ১০ দিনে প্রায় এক লাখ রোগীকে সংক্রমিত হতে দেখতে পেয়েছি। আমরা যেভাবে সংক্রমিত হচ্ছি, হাসপাতালে রোগীর চাপ যদি বাড়তেই থাকে আগামী সাত থেকে ১০ দিনের মধ্যে হাসপাতালের শয্যা আর খালি থাকবে না। সারা দেশে গত মাসেও অসংখ্য শয্যা খালি ছিল, আইসিইউ বেড খালি ছিল। সেই খালি বেডের সংখ্যা ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে। সারা দেশে মাত্র ৩০০ মতো কোভিড-১৯ আইসিইউ বেড খালি আছে। রোবেদ আমিন আরও বলেন, কোভিড-১৯ এর যে ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন আছে তার মাধ্যমে মৃত্যু শুধু বয়স্ক মানুষের হচ্ছে না, তরুণদেরও হচ্ছে। বিভাগ অনুযায়ী বিভিন্ন স্থানে আমরা দেখেছি, সব জেলাতেই কোভিড-১৯ ছড়িয়ে পড়েছে এবং সংক্রমণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়ে যাচ্ছে। সঙ্গে মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়ছে






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply