sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ফেব্রুয়ারির মধ্যে ৮ কোটি টিকা দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী




স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে দেশের সাত থেকে আট কোটি লোককে টিকা দেওয়া যাবে। ফেব্রুয়ারির মধ্যে ৮ কোটি টিকা দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সোমবার (২৩ আগস্ট) মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রস্তাব অনুযায়ী, চীনের সিনোফার্ম ও সিনোভ্যাকের মোট সাড়ে ১০ কোটি ডোজ টিকা কেনা হচ্ছে। এর বাইরে কোভ্যাক্সের আওতায় ৬ কোটি ৮০ লাখ ডোজ টিকা বিনামূল্যে পাওয়া যাবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সাড়ে ১০ কোটি ডোজ টিকা ভর্তুকি রেটে কম দামে কেনার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করে পুরো প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। সেখানে আছে সিনোফার্মের ৩ কোটি এবং সাড়ে ৭ কোটি সিনোভ্যাক। মোট সাড়ে ১০ কোটি ডোজ টিকা কেনা হবে। সেটার অর্ডার দেওয়া হয়ে গেছে। জাহিদ মালেক বলেন, যেভাবে আমরা ভ্যাকসিনের অর্ডার দিয়েছি, আর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা যেভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেই প্রতিশ্রুতি যদি সবাই রক্ষা করে তা হলে বাংলাদেশে ভবিষ্যতে ভ্যাকসিনের খুব একটা অভাব থাকবে না। তিনি আরও বলেন, আমরা যদি ১৬ কোটি টিকা পেয়ে যাই, তাহলে ৮ কোটি লোককে টিকা দিতে পারব। এই টিকাগুলো ডিসেম্বরের মধ্যেই আসার কথা। তাই আমরা মনে করি, আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির মধ্যে দেশের সাত থেকে আট কোটি লোককে টিকা দিতে পারব। গণটিকার ব্যপারে মন্ত্রী জানান, এ মুহূর্তে গণটিকার কার্যক্রম আর হচ্ছে না। কারণ, খুব বেশি পরিমাণ টিকা আমাদের হাতে নেই। হাতে যখন যতটুকু টিকা আসবে, সেই টিকা ততো মানুষকে দেওয়া হবে। আর যাদের কাছে টিকার মেসেজ যাবে তারাই টিকা দিতে আসবেন। জাহিদ মালেক আরও জানান, করোনার টিকার প্রথম ডোজের পর দ্বিতীয় ডোজের সময় ১৫ বা ২০ দিন করা যায় কি না, প্রধানমন্ত্রী তা দেখতে বলেছেন। যদি সম্ভব হয়, সেটা করা হবে। বিভিন্ন দেশে ১৫ দিনের মধ্যেই দ্বিতীয় ডোজ দিচ্ছে। এখন কারিগরি কমিটি ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সঙ্গে আলাপ করে সে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং তা টিকাপ্রাপ্তি সাপেক্ষে। কারখানার শ্রমিকদের টিকা দেওয়ার দাবি উঠেছে। টিকা পেলে সব শ্রমিককে দেওয়া হবে। এদিকে, দেশে এ পর্যন্ত ২ কোটি ২৪ লাখ ১৩ হাজার ৭৯ ডোজ করোনা (কোভিড-১৯) টিকার প্রয়োগ হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ১ কোটি ৬৬ লাখ ৬১ হাজার ৪১২ এবং দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৬৫ লাখ ৭৫ হাজার ৪৭৩ জন মানুষ। এ পর্যন্ত প্রথম ডোজ টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে পুরুষ ৯৬ লাখ ৬৬ হাজার ৪৪২ আর নারী ৬৯ লাখ ৯৪ হাজার ৯৭০ জন। দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে পুরুষ ৪০ লাখ ৬৮ হাজার ১১৪ আর নারী ২৫ লাখ ৭ হাজার ৩৫৯ জন। এর মধ্যে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা কোভিশিল্ড প্রয়োগ হয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ ১৬ হাজার ২২ ডোজ। চীনের সিনোফার্মের টিকা প্রয়োগ হয়েছে ৯৩ লাখ ৩২ হাজার ৩৯৯ ডোজ। ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকা প্রয়োগ হয়েছে ৯৪ হাজার ৬৩৮ ডোজ। আর মডার্নার টিকা প্রয়োগ হয়েছে ২৭ লাখ ৯৩ হাজার ৮২৬ ডোজ। অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে পুরুষ ৬৮ লাখ ৬৪ হাজার ৮৯১ এবং নারী ৪১ লাখ ৫১ হাজার ১৩১ জন। এই টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে ৫১ লাখ ৯০ হাজার ৭৫৯ জন দ্বিতীয় ডোজ এবং ৫৮ লাখ ২৫ হাজার ২৬৩ জন প্রথম ডোজ নিয়েছেন। দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণকারী পুরুষ ৩২ লাখ ৫২ হাজার ১৮৩ এবং নারী ১৯ লাখ ৩৮ হাজার ৫৭৬ জন। আর প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণকারী ৩৬ লাখ ১২ হাজার ৭০৮ জন পুরুষ এবং নারী ২২ লাখ ১২ হাজার ৫৫৫ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানা গেছে। এদিকে চীনের সিনোফার্মের টিকার প্রয়োগ ১৯ জুন থেকে শুরু হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে গণটিকাদান কর্মসূচিতে অদ্যাবধি এ টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে পুরুষ ৫১ লাখ ৫৩ হাজার ৮৩২ এবং নারী ৪১ লাখ ৭৮ হাজার ৫৬৭ জন। এই টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে ৮২ লাখ ৮০ হাজার ২৪০ জন প্রথম ডোজ এবং ১০ লাখ ৫২ হাজার ১৫৯ জন দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন। প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণকারী পুরুষ ৪৫ লাখ ৫২ হাজার ৫০৪ এবং নারী ৩৭ লাখ ২৭ হাজার ৭৩৬ জন। দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণকারী ৬ লাখ ১ হাজার ৩২৮ জন পুরুষ এবং নারী ৪ লাখ ৫০ হাজার ৮৩১ জন। ঢাকার ৭টি কেন্দ্রে এ পর্যন্ত ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে পুরুষ ৮১ হাজার ২ এবং নারী ১৩ হাজার ৬৩৬ জন। এই টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে ৫১ হাজার ২৩৯ জন প্রথম ডোজ এবং ৪৩ হাজার ৩৯৯ জন দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন। প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণকারী পুরুষ ৪৪ হাজার ৯১ এবং নারী ৭ হাজার ১৪৮ জন। দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণকারী ৩৬ হাজার ৯১১ জন পুরুষ এবং নারী ৬ হাজার ৪৮৮ জন। এদিকে ১৩ জুলাই থেকে দেশের সিটি করপোরেশনগুলোতে মডার্নার টিকা দেওয়া শুরু হয়। এ পর্যন্ত এই টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে পুরুষ ১৬ লাখ ৩৪ হাজার ৮৩১ এবং নারী ১১ লাখ ১ হাজার ২৪৩ জন। এ টিকা গ্রহণকারীদের মধ্যে ২৫ লাখ ৪ হাজার ৬৭০ জন প্রথম ডোজ এবং ২ লাখ ৮৯ হাজার ১৫৬ জন দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন। প্রথম ডোজ টিকা গ্রহণকারী পুরুষ ১৪ লাখ ৫৭ হাজার ১৩৯ এবং নারী ১০ লাখ ৪৭ হাজার ৫৩১ জন। আর দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণকারী ১ লাখ ৭৭ হাজার ৬৯২ জন পুরুষ এবং নারী ১ লাখ ১১ হাজার ৪৬৪ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, রোববার (২২ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত ৩ কোটি ৫৩ লাখ ৩৬ হাজার ১০ জন করোনা টিকার জন্য নিবন্ধন করেছেন। এরমধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর দিয়ে ৩ কোটি ৪৯ লাখ ২৩ হাজার ৮৩৬ এবং পাসপোর্ট নম্বর দিয়ে ৪ লাখ ১২ হাজার ১৭৪ জন নিবন্ধন করেছেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply