sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » ছন্নছাড়া ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ থামল ১০৪ রানে




পাঁচ ম্যাচ টি-টোয়েন্টির টানা তিন ম্যাচ জিতে ঐতিহাসিক সিরিজ জয়ের পর বাকি দুই ম্যাচ কার্যত রূপ নেয় অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করার মিশনে। কিন্তু চতুর্থ ম্যাচে এসে শনিবার (৭ আগস্ট) বাংলাদেশের ছন্নছাড়া ব্যাটিংয়ে সংগ্রহ দাঁড়ায় নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে মাত্র ১০৪। মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে টাইগার ওপেনার সৌম্য সরকার আবারও ফিরেছেন এক অঙ্কেই। ২, ০, ২, ৮- চার ম্যাচে সৌম্য সরকারের স্কোর। ব্যাট করতে নেমে অজি পেসার টার্নারকে প্রথমে একটা ছয় মারলেন ঠিকই, তবে টিকতে পারলেন না বেশীক্ষণ। জশ হ্যাজলউডের শর্ট বলে পুল করতে গিয়ে খাড়া ওপরের দিকে ক্যাচ তুলে অ্যালেক্স ক্যারির হাতে ধরা পড়েন তিনি। ২৪ রানে প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। টানা তিন ম্যাচে উদ্বোধনী জুটিতে রান পায়নি বাংলাদেশ। হোয়াইটওয়াশের মিশনে চতুর্থ ম্যাচে শনিবার (৭ আগস্ট) মাঠে নামার আগে তাই পরপর ব্যর্থ সৌম্য সরকার ও নাঈমের একাদশে সুযোগ পাওয়া নিয়েই একপ্রকার সন্দেহ ছিল। তবে সুযোগ পেয়ে এদিন আবারও ব্যাট হাতে ব্যর্থ সৌম্য। অন্যদিকে, এ সিরিজে এখন পর্যন্ত সেভাবে সুবিধা করতে পারেননি মোহাম্মদ নাঈম। ধীরগতিতে ব্যাট করতে থাকেন তিনি। পাওয়ার প্লে-তে বাংলাদেশ সংগ্রহ করে ১ উইকেটে ৩০ রান। এরপর টানা তিন উইকেট পতনে ধুঁকতে থাকে বাংলাদেশ। সৌম্য সরকারের পর প্রথমে আউট হন সাকিব। প্রথম বলে একটা চার মেরেছিলেন, তবে পরের বলেই সামনে এসে শর্ট বলটা মিস করে আত্মবিশ্বাস যেন আবার নড়বড়ে হয়ে যায় সাকিবের। এরপর জশ হ্যাজলউডের শর্ট বল কাট করতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন উইকেটের পেছনে। আগের দুই ম্যাচে সাকিব করেছিলেন ২৬ রান, খেলেছিলেন ১৭ বল। আজকের ম্যাচে করেন ২৬ বলে মাত্র ১৫ রান। তবে আউট হওয়ার আগে টি-টোয়েন্টিতে তামিম ইকবালকে টপকে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড নিজের করে নেন। এ রেকর্ড ভাঙতে সিরিজ শুরুর আগে সাকিবের প্রয়োজন ছিল ৯৮ রান। আজ সে রেকর্ডটা হয়ে গেল তার। ক্রিজে সময়টা ভালো যায়নি, তবে ১৭০৭ রান নিয়ে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান এখন তারই। তামিমের রান ১৭০১। এ দুজনের পর ১৬৩২ রান নিয়ে তিনে আছেন মাহমুদউল্লাহ। টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে এক হাজারের ওপর রান আছে আর দুজনের- মুশফিকুর রহিম (১২৮২) ও সৌম্য সরকার (১০৮৯)। সাকিবের পর মাত্র ৮ রানের ব্যবধানে কাটা পড়েন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও নুরুল হাসান সোহানও। এদিন ব্যাট হাতে ব্যর্থ আগের ম্যাচসেরা টিম টাইগার্স কাপ্তান মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও। একটু বাড়তি গতির ছিল বলটা। সুইপ করতে যাওয়া মাহমুদউল্লাহ নাগাল পাননি সেটির। মিচেল সোয়েপসনের লেগস্পিনে এলবিডব্লু হয়ে শূন্য রানেই ফিরলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। রিভিউ করারও প্রয়োজন মনে করেননি তিনি। মাহমুদউল্লাহর পর হতাশ করেছেন নুরুল হাসান সোহানও। কোনো রান না করেই আউট হয়ে গেছেন তিনি। সাকিব-মাহমুদউল্লাহ-সোহান যখন ব্যর্থ, তখন একপাশ আগলে রাখছিলেন উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ নাঈম। কিন্তু তবুও ইনিংসটা লম্বা করতে পারলেন না তিনিও। ৩৬ বলে ব্যক্তিগত ২৮ রান করে সোয়েপসনের বলে ম্যাথু ওয়েডের কাছে সহজ ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন তিনি। বাংলাদেশের এমন দুর্দিনে ব্যর্থ আফিফও। অ্যাশটন অ্যাগারের প্রথম শিকার হলেন বাংলাদেশের দ্বিতীয় ম্যাচের জয়ের নায়ক। ১৭ বলে ২১ রান করেন, বাংলাদেশ আরেকটু সময় হয়তো ক্রিজে চাচ্ছিল তাকে। প্রথম ফুলটসটা ছয় মেরেছিলেন, তবে এরপর লেংথ কমিয়ে আনা বলে তুললেন ক্যাচ। ধারাবাহিকভাবে ব্যর্থ শামীম পাটোয়ারিও। শেষ দিকে, মেহেদী হাসানের ২৩ রানের মহামূল্যবান ইনিংসে দলীয় সংগ্রহ ১০০ রানের কোটা পার হয়। অজিদের হয়ে সোয়েপসন ও টাই ৩টি করে, হ্যাজলউড ২টি এবং অ্যাগার নেন ১টি উইকেট।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply