sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » মার্কিন বাজারে চাহিদা বাড়ছে বাংলাদেশি পোশাকের




করোনাভাইরাসের ধাক্কা সামলে একটু একটু করে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে অর্থনীতির নানামুখী কর্মকাণ্ড, ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে বিশ্বের উৎপাদন খাত। এরই ধারাবাহিকতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাড়ছে বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের চাহিদা। এমনকি দেশটিতে চীনের হারানো বাজার দখলেও বেশ এগিয়ে মেড ইন বাংলাদেশ। মার্কিন বাজারে চাহিদা বাড়ছে বাংলাদেশি পোশাকের ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব কমার্সের অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেল (অটেক্সা) সবশেষ (৪ আগস্ট) প্রকাশিত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য। অটেক্সার প্রতিবেদনে দেখা যায়, চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৩১৩ কোটি ডলার মূল্যের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। গত বছরের একই সময়ে এই রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ২৪৭ কোটি ডলার। সে হিসাবে এই আয় বেড়েছে ২৬ দশমিক ৮১ শতাংশ। আবার গত জুলাই পর্যন্ত এক বছরে মার্কিন বাজারে গেছে ৫৮৯ কোটি ডলারের বাংলাদেশি তৈরি পোশাক। করোনার ধাক্কায় পড়া গত বছরের জুলাই পর্যন্ত এক বছরে এই রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ছিল ৫৩২ কোটি ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে দেশটিতে বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের আয় বেড়েছে ১০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্রে, বাংলাদেশি তৈরি পোশাক রপ্তানির এই আয়ের প্রবৃদ্ধি দেশটিতে পোশাক রপ্তানিকারক শীর্ষ ৫টি দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। বছর ব্যবধানের হিসাবে দেখা যায়, গত জুলাই পর্যন্ত এক বছরে ভিয়েতনাম থেকে যুক্তরাষ্ট্রে গেছে ১ হাজার ৩৭৩ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক। গত বছরের জুলাই পর্যন্ত এক বছরে এই আয়ের পরিমাণ ছিল ১ হাজার ২৮৪ কোটি ডলার। অর্থাৎ করোনার ধাক্কা কাটিয়ে স্বাভাবিক হতে থাকা মার্কিন বাজারে ভিয়েতনামি পোশাকের রপ্তানি আয় বেড়েছে ৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ। চলতি বছরের প্রথম ৬ মাসে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় মার্কিন বাজারে ভিয়েতনামের পোশাক আয় বেড়েছে ২০ দশমিক ৪৫ শতাংশ। বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি এখানে ২৬ দশমিক ৮১ শতাংশ। ২০২০ সালের জুলাই থেকে ২০২১ সালের জুলাই পর্যন্ত ১২ মাসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাকের শীর্ষ সরবরাহকারী দেশ চীনের আয় কমেছে ১৩ দশমিক ৮০ শতাংশ। পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২০ সালের জুলাই পর্যন্ত যেখানে চীন থেকে ১ হাজার ৯৩৭ কোটি ডলারের পোশাক আমদানি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে গত জুলাই পর্যন্ত এক বছরে যুক্তরাষ্ট্রে গেছে ১ হাজার ৬৭০ কোটি ডলারের চীনা পোশাক। তবে, ৬ মাসের হিসাবে গত জুলাই পর্যন্ত মার্কিন বাজারে চীনা পোশাক রপ্তানি থেকে আয় বেড়েছে ২৬ দশমিক ৭৭ শতাংশ। যা বাংলাদেশের তুলনায় সামান্য কম। গত জুলাই পর্যন্ত ৬ মাসের হিসাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইন্দোনেশিয়ার পোশাক রপ্তানি থেকে আয় বেড়েছে ৩ দশমিক ১৬ বেড়েছে। তবে জুলাই, ২০২১ পর্যন্ত এক বছরের হিসাবে এই আয় আগের এক বছরের তুলনায় ৯ দশমিক ২১ শতাংশ কম। যেখানে বাংলাদেশের আয় বেড়েছে ১০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত ৬ মাসে মার্কিন বাজারে পোশাক রপ্তানিকারক শীর্ষ ৫ দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে ভারতের। জুলাই, ২০২০ পর্যন্ত এক বছরের যুক্তরাষ্ট্রে ১৫৪ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে ভারত, আর গত জুলাই পর্যন্ত ১২ মাসে এই আয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২০৩ কোটি ডলারে। অর্থাৎ প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৩২ দশমিক ২৮ শতাংশ। এখানে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ২৬ দশমিক ৮১ শতাংশ। ৬ মাসের হিসাবে গত জুলাই পর্যন্ত মার্কিন পোশাকের বাজারে ভারতের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ। অটেক্সার হিসাব বলছে, চীন-মার্কিন বাণিজ্য যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রে লাগাতার কমছে চীনা পোশাকের কদর। গত বছর জুলাই পর্যন্ত মার্কিন পোশাকের বাজারের ২৭ দশমিক ০৩ শতাংশ দখলে ছিল চীনের। বর্তমানে এই দখলদারিত্ব নেমে এসেছে ২৩ দশমিক ৩৩ শতাংশে। অর্থাৎ এক বছরে ৩ দশমিক ৭ শতাংশ মার্কিন বাজার হারিয়েছে চীনা পোশাক। চীনের এই হারিয়ে যাওয়া বাজার দখলে মরিয়া ভিয়েতনাম, বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া ও ভারত। বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে যে পরিমাণ (ডলার) পোশাক আমদানি করে যুক্তরাষ্ট্র, তার ১৯ দশমিক ১৮ শতাংশ সরবারহ করে চীনের পরে অবস্থানে থাকা ভিয়েতনাম। গত বছরের জুলাই পর্যন্ত ভিয়েতনামের দখলে ছিল ১৭ দশমিক ৯৪ শতাংশ। মার্কিন পোশাকের বাজার দখলে এগিয়েছে বাংলাদেশও। বর্তমান যুক্তরাষ্ট্রের আমদানি করা মোট পোশাকের (ডলারের হিসাবে) ৮ দশমিক ২৩ শতাংশ সরবরাহ করে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে মেড ইন বাংলাদেশ। গত বছরের জুলাই পর্যন্ত যা ছিল ৭ দশমিক ৪৩ শতাংশ। তবে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজার হারিয়েছে চতুর্থ অবস্থানে থাকা ইন্দোনেশিয়া। গত জুলাই পর্যন্ত মার্কিন পোশাক বাজারের ৪ দশমিক ৯৯ শতাংশ দখলে রাখতে পেরেছে দেশটি। গত বছরের জুলাই পর্যন্ত এই দখল ছিল সাড়ে ৫ শতাংশ। মার্কিন বাজার দখলে এগিয়েছে ৫ম অবস্থানে থাকা ভারতীয় পোশাক। গত বছরের জুলাই পর্যন্ত হিসাবে আমদানি করা মার্কিন পোশাকের বাজারের ৪ দশমিক ৬৫ শতাংশ দখলে ছিল ভারতের। বর্তমানে এই অংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৯১ শতাংশ। অটেক্সার তথ্য, গেল জুলাই পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মোট ৭ হাজার ১৫৭ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক আমদানি করেছে। গত বছরের জুলাই পর্যন্ত এই পরিমাণ ছিল ৭ হাজার ১৫৯ কোটি ডলার।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply