sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » আইসিসির মাসসেরা ক্রিকেটার সাকিব




তারকা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান। ছবি : সংগৃহীত সাকিব আল হাসানের সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স খুবই ভালো। বিশেষ করে জিম্বাবুয়ে ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজে অসাধারণ খেলেছেন তিনি। দুই বিভাগেই দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়েছেন তিনি। তাই আইসিসির জুলাই মাসের সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন সাকিব। অস্ট্রেলিয়ার মিচেল মার্শকে পেছনে ফেলে সাকিব মাসসেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হন। মেয়েদের মাসসেরা ক্রিকেটার হন ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্টাফানি টেইলর। জুলাই মাসে জিম্বাবুয়ে সফরে সাকিব ওয়ানডে সিরিজে ৯৬ রানের চমৎকার একটি ইনিংস খেলেছিলেন। আর মোট রান করেন ১৪৫ রান। সেই সিরিজে ৮ উইকেটও নিয়েছিলেন তিনি। আর টি-টোয়েন্টি সিরিজে সাকিব নিয়েছিলেন ৩ উইকেট। জিম্বাবুয়ে সফরে একমাত্র টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৮২ রানে ৪ উইকেট এবং দ্বিতীয় ইনিংসে ১ উইকেট নেন সাকিব। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি সিরিজে ব্যাটে-বলে দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে সাকিব টি-টোয়েন্টির অলরাউন্ডারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে উঠে গেছেন। প্রায় তিন বছরের বেশি সময় পর টি-টোয়েন্টির অলরাউন্ডারদের র‌্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষে ফিরেছেন। ২০১৮ সালে এই সংস্করণে সর্বশেষ শীর্ষে ছিলেন তিনি। আজ বুধবার আইসিসি সাপ্তাহিক হালনাগাদ র‍্যাঙ্কিং প্রকাশ করে। ২৮৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন সাকিব। আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নবী ২৮৫ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। আইসিসির ওয়েবসাইটের খবরে জানা গেছে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজে দারুণ সফল্যে ৩৪ রেটিং পয়েন্ট পান সাকিব। তাই শীর্ষে উঠে যান তিনি। এদিকে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ের নায়ক ছিলেন সাকিব। মাত্র ৯ রান দিয়ে নিয়েছিলেন চার উইকেট। তাই গড়েন নতুন একটি কীর্তি। বিশ্বের টি-টোয়েন্টিতে ১০০০ রানের পাশাপাশি ১০০ উইকেট নিয়েছেন তিনি। নিজের ৮৪ ম্যাচে গিয়ে উইকেট শিকারের সেঞ্চুরি করেন সাকিব। সে ম্যাচে সাকিবের দাপুটে বোলিংয়ে মাত্র ৬২ রানেই অলআউট হয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। টি-টোয়েন্টিতে অসিদের এটাই সর্বনিন্ম দলীয় সংগ্রহ। আগেরটি ছিল ৭৯। ২০০৫ সালে সাউাম্পটনে ইংল্যান্ডের কাছে ১৪.৩ ওভারে ৭৯ রানে গুটিয়ে যায় তারা। এই কীর্তিটি প্রথম গড়েছিলেন লঙ্কান ক্রিকেটার লাসিথ মালিঙ্গা। লঙ্কান ক্রিকেটার ৮৪ ম্যাচে ১০৭ উইকেট শিকার করেছেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply