sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » তালেবান-বিরোধী হাজার হাজার যোদ্ধা যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত




আফগানিস্তানে তালেবান-বিরোধী একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী বলেছে যে, তাদের হাজার হাজার সদস্য যুদ্ধ করতে প্রস্তুত। এদিকে তালেবান বলছে যে, পাঞ্জশির উপত্যকায় ওই গোষ্ঠীর শক্তিশালী ঘাঁটি তারা ঘিরে ফেলেছে এবং বিরোধীদেরকেও ঘেরাও করা হয়েছে। এ খবর বিবিসি বাংলা’র। ওই গোষ্ঠীটি ন্যাশনাল রেজিস্টেন্স ফ্রন্ট অব আফগানিস্তান (এনআরএফ)। এর বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক প্রধান আলী নাজারি বিবিসিকে বলেছেন, তারা শান্তিপূর্ণ সমঝোতা চান। কিন্তু যদি তা ব্যর্থ হয়... তাহলে আমরা কোন ধরণের আগ্রাসন মেনে নেব না।’ তালেবানের হাতে ক্ষমতা হারানো আফগান সরকারের ভাইস প্রেসিডেন্ট আমরুল্লাহ সালেহ এখন পাঞ্জশিরে রয়েছেন। তিনিও এক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন যে, তালেবানরা ওই উপত্যকার প্রবেশমুখে তাদের বাহিনী জড়ো করছে। তবে হামলা ঠেকানোর জন্য পাঞ্জশির উপত্যকার মানুষের সুনাম রয়েছে। ১৯৭৯ সাল থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধের সময় সোভিয়েত সেনাদের হঠানো এবং ১৯৯০-এর দশকে তালেবানদের হটিয়ে দেয়ার জন্য ওই অঞ্চলটি বিখ্যাত। এখনও ওই অঞ্চলটি এনআরএফের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই গোষ্ঠীটি প্রতিষ্ঠা করেন আফগান প্রতিরোধের নায়ক বলে পরিচিত আহমদ শাহ মাসুদের ছেলে আহমদ মাসুদ। তিনি ছিলেন একজন শক্তিশালী গেরিলা কমান্ডার। যিনি তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। এরপর তিনি ৯০ দশকে বিদ্রোহী জঙ্গিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আফগান সামরিক বাহিনীর নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তালেবান নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার পরও ২০০১ সালে তাকে হত্যার আগ পর্যন্ত তালেবান শাসনের বিরুদ্ধে তিনিই ছিলেন প্রধান বিরোধী কমান্ডার। নাজারি বিবিসি রেডিও ফোর-এর টুডে প্রোগ্রামে বলেছেন, সারা দেশ থেকে স্থানীয় যোদ্ধারা পাঞ্জশিরে জড়ো হচ্ছেন। এরইমধ্যে স্থানীয়ভাবে প্রশিক্ষণ নিয়েছে তারাও যোদ্ধাদের সাথে যোগ দিয়েছেন। এই গোষ্ঠীর আওতায় প্রতিরোধের জন্য হাজার হাজার বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। এই মুখপাত্র বলেন, ‘যাই হোক না কেন, কোন ধরণের যুদ্ধে যাওয়ার আগে আমরা শান্তি এবং সমঝোতার চেষ্টা করবো। এনআরএফ বিশ্বাস করে যে, দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য আফগানিস্তানের অন্তর্নিহিত সমস্যাগুলো সামনে আনতে হবে।’ ‘আফগানিস্তান এমন একটি দেশ যেটি জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিয়ে গঠিত এবং সেখানে কেউই সংখ্যাগরিষ্ঠ নয়। এটি একটি বহু সংস্কৃতির রাষ্ট্র, তাই এখানে ক্ষমতার বণ্টন দরকার। এই বণ্টনটা এমনভাবে হতে হবে যাতে সবাই নিজেদের ক্ষমতায় দেখতে পায়’ বলেন এই নেতা। নাজারি আরও বলেন, ‘আমরা শান্তি পছন্দ করি এবং আলোচনাকেই অগ্রাধিকার দিই। আমরা যদি দেখি যে অন্যপক্ষ এতে আন্তরিক নয় এবং তারা পুরো দেশের উপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে- তাহলে আমরা কোন ধরণের আগ্রাসন মেনে নেব না।’ ‘আর আমরা এটা প্রমাণ করেছি, গত ৪০ বছরের রেকর্ড অনুযায়ী আমাদের অঞ্চল বিশেষ করে পাঞ্জশির উপত্যকা এলাকা কেউ দখল করতে পারেনি। রেড আর্মি, তাদের সর্বশক্তি দিয়েও, আমাদের পরাজিত করতে পারেনি।’ তিনি বলেন, আমার মনে হয় না এখন আফগানিস্তানে কোন বাহিনী রেড আর্মির মতো শক্তিশালী। আর ২৫ বছর আগেও তালেবান... এই উপত্যকা দখলের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে, তারা চরম পরাজয়ের মুখে পড়েছিল






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply