sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » যেসব বিষয়ে দ্রুত বিধিনিষেধ চায় পরামর্শক কমিটি




দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে তিনটি বিষয় বিধিনিষেধের আওতায় রাখার পরামর্শ দিয়েছে করোনা সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি। শনিবার (১৪ আগস্ট) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ পরামর্শের কথা জানান কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা। তিনি জানান, করোনা নিয়ন্ত্রণে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে, যেগুলো এখনও বিধিনিষেধের আওতায় থাকা উচিত। তার মধ্যে প্রথমেই রয়েছে পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে না দেওয়া। দ্বিতীয়ত সব সভা-সমাবেশ বন্ধ করে দেওয়া। হোক সেটা রাজনৈতিক, দলীয় বা ধর্মীয়। তৃতীয়ত রেস্টুরেন্টগুলো খোলা থাকলেও যেন সেখানে বসে খাওয়া-দাওয়া বা আড্ডা না হয়। সেখানে শুধু খাবার বিক্রি হবে। এই তিনটি বিষয়ে বিধিনিষেধ আরোপের জন্য আমরা সরকারকে বিশেষভাবে বলেছি। পরামর্শ কমিটির সভাপতি জানান, আমাদের আরও কয়েকদিন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে হবে। সে অনুযায়ী আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। আর নয়তো বড় কোনো বিপদের মুখোমুখি হতে হবে। সহিদুল্লা জানান, আমরা তো লকডাউনের ফল পেয়েছি। দেশে সংক্রমণ হার যেখানে ছিল ৩২ শতাংশের বেশি, তা ১২ শতাংশ কমে এখন ২০ শতাংশের মধ্যে চলে এসেছে। আমরা মনে করি, এটি অবশ্যই লকডাউনের কারণে কমেছে। তার মানে লকডাউন কার্যকর হয়েছে। সুতরাং এ মুহূর্তে বিধিনিষেধগুলো তুলে নেওয়ার ব্যাপারে আমাদের আরেকটু ভেবে নেওয়া উচিত। কারিগরি কমিটির পরামর্শ সরকার কতটুকু বাস্তবায়ন করেছে, বা করেনি -জানতে চাইলে এ বিশেষজ্ঞ বলেন, সরকার যে আমাদের কোনো পরামর্শ নেয়নি, তা কিন্তু নয়। অনেক পরামর্শই নিয়েছে এবং বাস্তবায়ন করেছে। এ পর্যন্ত আমাদের মিটিং হয়েছে ৪৪টি। যেসব পরামর্শ দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে অনেকগুলোই বাস্তবায়ন হয়েছে। প্রথমে আমরা বলেছিলাম পরীক্ষা বাড়াতে হবে। এখন সেই পরীক্ষা দৈনিক ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে। এরপর বলেছিলাম অ্যান্টিজেন টেস্ট শুরু করতে। এখন সেটিও হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এ অ্যান্টিজেন এখন গ্রাম পর্যায়ে চলে গেছে। তিনি বলেন, সেরো-সার্ভিলেন্সের জন্য অ্যান্টিবডি টেস্টের বিষয়ে বলেছিলাম। সেটি করা হচ্ছে। হাসপাতালে শয্যা সংখ্যা এবং অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়াতে বলেছিলাম, সেটাও হয়েছে। সরকারকে লকডাউনের কথা বলার পর লকডাউনও দিয়েছে। তারপরও জীবন এবং জীবিকার কথা বিবেচনায় রেখে বিশেষ করে জনস্বাস্থ্যবিষয়ক যে পরামর্শগুলো দিয়েছি, সেগুলো হয়তো সরকার শতভাগ নিতে পারেনি। তবে কয়েকটি নিয়েছে, আবার কয়েকটি সীমিত করে ফেলেছে। দেশে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ১ জুলাই থেকে পুনরায় বিধিনিষেধ শুরু হয়। তবে ঈদ উপলক্ষে ১৪ জুলাই মধ্যরাত থেকে ২৩ জুলাই ভোর ৬টা পর্যন্ত বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়। ঈদের পর ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত আবারও বিধিনিষেধ কার্যকর করা হয়। পরে তা আরেক দফা বাড়িয়ে ১০ আগস্ট পর্যন্ত করা হয়েছিল। গত ১১ আগস্ট তা শিথিল করা হয়।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply