sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » চললাম, আলবিদা’ লিখে রাজনীতি ছাড়লেন বাবুল!




রাজনীতি ছেড়ে দিতে পারেন বাবুল সুপ্রিয়। ভারতের আসানসোলের বিজেপি সাংসদ সম্পর্কে এমন সম্ভাবনার কথা আগে শুনা গেলেও সেই খবর এবার সত্য হল। ‘চললাম, আলবিদা’ লিখে রাজনীতি ছাড়লেন বাবুল! শনিবার (৩১ জুলাই) ফেসবুকে দীর্ঘ পোস্ট দিয়ে জানালেন তিনি রাজনীতি ছাড়ছেন। বিজেপি তো ছাড়ছেনই, সেই সঙ্গে তিনি যে অন্য কোনও দলে যোগ দিতে চান না তাও লিখেছেন বাবুল। আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, গায়ক বাবুল রাজনৈতিক সন্ন্যাস নেওয়ার সময়েও গানের আশ্রয় নিয়েছেন। দীর্ঘ পোস্টের সঙ্গে দিয়েছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের বিখ্যাত গান ‘এক গোছা রজনীগন্ধা হাতে নিয়ে বললাম, চললাম...।’ লেখার শেষেই শুধু নয় পোস্টের শুরুতেও বাবুল লিখেছেন, ‘চললাম..., অলবিদা...।’ এই সিদ্ধান্ত তিনি কী ভাবে নিয়েছেন তা জানিয়ে বাবুল লিখেছেন, ‘অন্য কোনও দলেও যাচ্ছি না। তৃণমূল, কংগ্রেস, সিপিএম কোথাও নয়।’ একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, তাকে কেউ ডাকেওনি। সম্প্রতি তিনি কিছু মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছেন। মন্ত্রিত্ব হারানোর পরে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে তার দূরত্বও তৈরি হয়েছিল। তা নিয়ে বাবুল লিখেছেন, 'বেশ কিছু সময়ে তো থাকলাম। কিছু মন রাখলাম, কিছু ভাঙলাম। কোথাও আপনাদের হয়তো আমার কাজে খুশি করলাম, কোথাও নিরাশ, হতাশ করলাম। মূল্যায়ন আপনারাই নয় করবেন।’ রাজনীতির বাইরে থাকলেও আগামী দিনে তিনি যে সমাজসেবা মূলক কাজে যুক্ত থাকতে চান সে কথাও উল্লেখ করেছেন তিনি। লিখেছেন, ‘সমাজসেবা করতে গেলে রাজনীতিতে না থেকেও করা যায়। নিজেকে একটু গুছিয়ে নেই আগে তারপর।’ একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে কিছুদিন থেকেই রাজনীতি ছাড়ার কথা বলছিলেন তিনি। লিখেছেন, ‘বিগত কয়েকদিনে বার বার মাননীয় অমিত শাহ ও মাননীয় নাড্ডাজির কাছে রাজনীতি ছাড়ার সংকল্প নিয়ে গিয়েছি এবং আমি ওদের কাছে চিরকৃতজ্ঞ যে প্রতিবারই ওরা আমাকে নানা ভাবে অনুপ্রাণিত করে ফিরিয়ে দিয়েছেন।’ কেন তিনি ফেসবুকে লিখে রাজনীতি ছাড়লেন তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন বাবুল। শাহ, নড্ডার কাছে তিনি যেতে চান না জানিয়ে লিখেছেন, ‘আমি তাদের এই ভালবাসা কোনও দিন ভুলবো না, আর তাই আবার তাদের কাছে গিয়ে সেই একই কথা বলার ধৃষ্টতা আর আমি দেখাতে পারবো না। বিশেষ করে 'আমার আমি' কি করতে চাই তা যখন আমি অনেকদিন আগেই ঠিক করে ফেলেছি। কাজেই আবার একই কথার পুনরাবৃত্তি করতে গেলে কোথাও না কোথাও তারা ভাবতেই পারেন যে আমি কোনো 'পদের' জন্য 'দরাদরি' করছি| আর তা যখন একেবারেই সত্য নয়, তখন একেবারেই চাই না যে তাঁদের মনের ঈশান কোণেও সেই 'সন্দেহের' উদ্রেক হোক। এক মুহূর্তের জন্য হলেও।’






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply