sponsor

sponsor


Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » সংকটকালেও বিপুল টিকা ফেলে দিল যুক্তরাষ্ট্র




করোনাভাইরাসের টিকার জন্য উন্নয়নশীল ও দরিদ্র দেশগুলোতে হাহাকার চলছে। অন্যদিকে টিকা ফেলে দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সংকটকালেও বিপুল টিকা ফেলে দিল যুক্তরাষ্ট্র মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্মেসির পাশাপাশি অঙ্গরাজ্যের সরকার গত ১ মার্চ থেকে দেড় কোটিরও বেশি ডোজ করোনার টিকা ফেলে দিয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, ফেলে দেওয়া টিকার সংখ্যা আরও বেশি হতে পারে। অথচ যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন বলছে, এখন পর্যন্ত খুব কম ডোজ টিকাই ফেলে দিয়েছে। বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) এনবিসি নিউজের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) যুক্তরাষ্ট্রের রোগনিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) জানিয়েছে, চারটি জাতীয় ফার্মেসি প্রত্যেকে ১০ লাখের বেশি ডোজ নষ্ট করেছে। ওয়ালগ্রিন ফার্মেসি সবচেয়ে বেশি ২০ লাখ ৬০ হাজার ডোজ নষ্ট করেছে। এরপরে সিভিএস ২০ লাখ ৩০ হাজার, ওয়ালমার্ট ১০ লাখ ৬০ হাজার ও রাইট এইড ১০ লাখ এক হাজার ডোজ নষ্ট করেছে বলে জানানো হয়েছে। আরও পড়ুন: করোনার যত ভ্যারিয়েন্টে টালমাটাল বিশ্ব ফার্মেসিগুলো ছাড়াও টিকা সরবরাহকারী সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে তথ্য নিয়ে সিডিসি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। কিন্তু টিকাগুলো কেন ফেলে দেওয়া হয়েছে সেই বিষয়ে কোনো কিছু বলা হয়নি। এ বিষয়ে মুখ খুলেনি ওয়ালগ্রিন, ওয়ালমার্ট ও রাইটসহ কোনো সংস্থা। সিডিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মার্চ থেকে সিডিসির হিসাবে মিশিগান অঙ্গরাজ্য ১২ ডোজ টিকা নষ্ট করেছে। তবে বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) মিশিগানের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগ জানিয়েছে, তারা ডিসেম্বর থেকে দুই লাখ ৫৭ হাজার ৬৭৩ ডোজ ফেলে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র যখন ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে বিপর্যস্ত তখন বিপুলসংখ্যক টিকা ফেলে দেওয়ার ঘটনা ঘটল। শুধু তাই নয়, বিশ্বের অনেক দেশ এখনো ঠিকমতো টিকাই পাচ্ছে না। আবার অনেক দেশ টিকার তৃতীয় ডোজ দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছে, অনেক দেশ এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের পথে রয়েছে। যুক্তরাজ্যের ওয়ারউইক বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈশ্বিক স্বাস্থ্য আইনের সহযোগী প্রফেসর শরিফা সেকালালা বলেন, এটি সত্যিই বেদনাদায়ক যে এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের এত বেশি টিকা নষ্ট হচ্ছে। অথচ আফ্রিকার পাঁচ শতাংশ জনগোষ্ঠীই এখনো টিকার আওতায় আসেনি। যুক্তরাষ্ট্রের রোগনিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্রের (সিডিসি) মুখপাত্র ক্রিস্টেন নর্ডলান্ড জানান, গত ছয় মাসে যে পরিমাণ টিকা নষ্ট হয়েছে তা বড় করে দেখছে না যুক্তরাষ্ট্র। গুরুত্বপূর্ণ হলো আমরা অধিকসংখ্যক মানুষের কাছে বিপুল টিকা পৌঁছে দিতে পেরেছি। এ জন্য আমরা গর্বিত। সে তুলনায় নষ্ট হয়ে যাওয়া টিকার পরিমাণ সামান্যই বলা চলে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply