Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » নিত্যপণ্যের বাজারে যেন চলছে দাম বাড়ার প্রতিযোগিতা।




৫০ টাকার নিচে নেই সবজি, মাছ-মুরগিও ধরাছোঁয়ার বাইরে

প্রতিদিনই বাড়ছে মুরগির দাম। সপ্তাহ ব্যবধানে নদীর মাছের দাম বেড়েছে ২০০ টাকা পর্যন্ত। ৫০ টাকার নিচে নেই কোনো সবজি। বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কড়া নজরদারি চান ভোক্তারা। প্রায় দেড় মাস ধরে লাগাতার বাড়ছে সোনালি ও ব্রয়লার মুরগির দাম। যেন দাম বাড়ার লাগামহীন গতি রাজধানীর মুরগির বাজারে। সপ্তাহ খানেক ধরে এ তালিকায় দেশি মুরগিও। বিক্রেতাদের দাবি, যে হারে চাহিদা বেড়েছে তার ধারে কাছেও নেই সরবরাহ। ব্যবসায়ীরা ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি করছেন ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা। আর সেপ্টেম্বর মাসের শুরুর দিকে ছিল ১২০ থেকে ১৩০ টাকার মধ্যে। এ হিসাবে মাসের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে বেড়েছে ৬০ টাকা। ব্রয়লার মুরগির মতো পাকিস্তানি কক বা সোনালি মুরগির দামও কয়েক দফা বেড়েছে। সেপ্টেম্বর মাসের শুরুর দিকে ২১০ থেকে ২৩০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া সোনালি মুরগির দাম কয়েক দফা বেড়ে এখন ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহ আগে এ মুরগির কেজি বিক্রি হয় ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা। এ হিসাবে সপ্তাহের ব্যবধানে সোনালি মুরগির দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা। দাম বাড়া প্রসঙ্গে মুরগি ব্যবসায়ীরা বলেন, বর্তমানে সবদিকে অনুষ্ঠান চলছে। যেমন চাহিদা আছে তেমন সরবরাহ নেই। মুরগি কম, তাই দাম বেশি। সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ভোক্তাদের স্বস্তি নেই সবজির বাজারেও। ৫০ টাকা কমার পর কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে কেজিতে ১৫০ টাকায়। করলা ৭০ টাকায়, পটল, চিচিঙ্গা, ঝিঙ্গা ৫০ টাকার নিচে কেনা যাচ্ছে না। বাজারে উঠেছে শীতকালীর সবজি। সেখানেও আগুন। ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে শিম, গাজর ১৬০ টাকা। বরাবরের মতো নানা অজুহাত বিক্রেতাদের। সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা এখন সব থেকে বেশি দামে বিক্রি করছেন গাজর। মানভেদে এক কেজি গাজর ১০০ থেকে ১৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। টমেটোর কেজিও বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা। সপ্তাহের ব্যবধানে এ সবজি দুটির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে শীতের আগাম সবজি শিমের দাম সপ্তাহের ব্যবধানে কিছুটা কমেছে। এখন শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১০০ থেকে ১২০ টাকা। এর সঙ্গে কমেছে ঝিঙের দাম। এক সপ্তাহ আগে ৬০ থেকে ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া ঝিঙের দাম কমে এখন ৪০ থেকে ৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া চিচিঙ্গা, বরবটি, ঢেঁড়শ, পটল, করলার দাম সপ্তাহের ব্যবধানে অপরিবর্তিত রয়েছে। করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা, চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি, পটলের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ঢেঁড়শের কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে, বরবটির কেজি পাওয়া যাচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা। সরবরাহ না বাড়লে সবজির দাম কমবে না বলে জানান বিক্রেতারা। এদিকে দেশের নদনদীতে ইলিশসহ সবধরনের মাছ ধরার ওপর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা চলছে। আর এতেই বাজারে কমেছে অন্যান্য মাছের সরবরাহ। যার প্রভাব পড়েছে দামেও। বিক্রেতারা বলেন, ইলিশ মাছ আশা শুরু করলেই আবার দাম কমে যাবে। মাছ ধরা বন্ধ এ জন্য নদীর মাছের দাম বেড়ে গেছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply