Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » বাংলাদেশের জিততে চাই ১৪৩ রান




বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচ। ছবি : সংগৃহীত চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে টিকে থাকতে হলে জয়ের বিকল্প নেই বাংলাদেশের সামনে। এমন সমীকরণ সামনে রেখে বল হাতে দারুণ পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন বাংলাদেশের বোলাররা। ক্যারিবীয় হিটারদের হাত খুলে খেলতে দেননি মেহেদী-শরিফুলরা। তাই বেশিদূর যেতে পারেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাংলাদেশকে ১৪৩ রানের লক্ষ্য দিয়েছে কাইরন পোলার্ডের দল। আজ শুক্রবার টস হেরে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৪২ রান গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দলটির হয়ে সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন নিকোলাস পুরান। শারজাহতে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দলীয় ১৮ রানের মধ্যে হারিয়ে ফেলে দুই ওপেনারকে। তৃতীয় ওভারে ক্যারিবীয় ওপেনার এভিন লুইসকে ফিরিয়ে বাংলাদেশকে প্রথম সাফল্য এনে দেন মুস্তাফিজুর রহমান। বাঁহাতি পেসারের লেংথ ডেলিভারিটিকে উড়িয়ে মারেন লুইস। টাইমিং ঠিক হয়নি। ব্যাটের কানায় লেগে বল উপরে উঠে যায়। ক্যাচ নিয়ে লুইসকে (৬) ফেরার পথ দেখান মুশফিকুর রহিম। লুইসের পর ক্রিস গেইলকে সাজঘরের পথ দেখান মেহেদী হাসান। নিজের কোটার দ্বিতীয় ওভার করতে এসে গেইলকে বোল্ড করেন তিনি। মেহেদীর করা রাউন্ড দা উইকেটে বল পা বাড়িয়ে উড়িয়ে মারার চেষ্টা করেন গেইল। বল তাঁর ব্যাট-বলের ফাঁক দিয়ে চলে যায় স্টাম্পে। দুই ওপেনারকে হারিয়ে পাওয়ার প্লেতে ভালো করতে পারেনি ওয়েস্টি ইন্ডিজ। নিজের তৃতীয় ওভার বল করতে গিয়ে আরেকটি উইকেট তুলে নেন মেহেদী। ফিরিয়ে দেন শিমরন হেটমায়ারকে। অবশ্য মেহেদীর সাধারণ বলই মোকাবিলা করতে গিয়ে গায়ের জোরে উড়িয়ে মারতে যান। লং অনে ক্যাচ হয়ে যায়। সেখানে থাকা সৌম্য ক্যাচ ধরে হেটমায়ারকে বিদায় করেন। দ্রুত তিন উইকেট হারানোর পর প্রতিরোধ গড়েন রস্টন চেইজ ও কাইরন পোলার্ড। দুজনে মিলে গড়েন ৩০ রানের জুটি। রানের গতি বাড়াতে পারলেন না কেউই। পরে আহত হয়ে সেচ্ছ্বায় মাঠ ছাড়েন তিনি। ১৬ বলে তিনি করেন কেবল ৮ রান। টিকতে পারেননি মারকুটে ব্যাটসম্যান আন্দ্রে রাসেলও। তাসকিনকে স্ট্রেইট ড্রাইভ খেলতে চেয়েছিলেন রস্টন চেইজ। কিন্তু পারেননি। বল তাসকিনের পায়ে লাগে। পা দিয়েই ধাক্কা দিয়ে রানআউটে রাসেলকে বিদায় করেন তাসকিন। রানের খাতাও খুলতে পারেননি তিনি। অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যানদের হারিয়ে বেশ ধুঁকছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ওই মুহূর্তে দলকে উদ্ধার করেন নিকোলাস পুরান। চেইজের সঙ্গে ভালো একটি জুটি গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। বাড়ায় রানের গতি। ওই জুটিতেই মূলত লড়াইয়ের রানের পুঁজি পায় কাইরন পোলার্ডের দল। অবশ্য এত রানও করতে পারতো না ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মাঝে কয়েকবার ক্যাচ মিস করে চেইজ ও পুরানকে জীবন দেন বাংলাদেশের ফিল্ডাররা। শেষ পর্যন্ত ৩৯ রান করেন চেইজ। আর ২২ বলে ৪০ রান করেন পুরান। শেষ দিকে ৫ বলে ১৫ রান করেন জেসন হোল্ডার। বল হাতে বাংলাদেশের হয়ে ২৭ রানের বিনিময়ে দুই উইকেট নেন মেহেদী। দুই উইকেট পেয়েছেন শরিফুল ইসলামও। সবচেয়ে বেশি ৪৩ রান দিয়ে মুস্তাফিজ পেয়েছেন দুটি উইকেট। উইকেট শূন্য ছিলেন সাকিব আল হাসান ও তাসকিন আহমেদ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে নিজেদের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৫ উইকেটে হেরেছিল বাংলাদেশ। এরপর নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে হারে ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে। আজ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচটি বাঁচা-মরার। বাংলাদেশ ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ—দুদলেরই আজ জয় ছাড়া বিকল্প নেই।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply