Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » মুজিব-রশিদের স্পিনে স্কটিশদের উড়িয়ে দিল আফগানিস্তান




আফগানিস্তান ও স্কটল্যান্ডের মধ্যকার ম্যাচ। ছবি : সংগৃহীত লক্ষ্যটা খুব কঠিন। জয়ের জন্য স্কটল্যান্ডকে করতে হতো ১৯১ রান। কিন্তু এই লক্ষ্য তাড়ায় এক মুজিব উর রহমানের বোলিংয়ের সামনেই মুখ থুবড়ে পড়ে স্কটিশদের ইনিংস। মুজিব একাই তুলে নিয়েছেন পাঁচ উইকেট। সঙ্গে দারুণ বোলিং করেছেন রশিদ খান। দুই স্পিনারের দিনে স্কটল্যান্ডকে স্রেফ উড়িয়ে দিয়েছে আফগানিস্তান। ১৩০ রানের বিশাল জয়ে নিজেদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের অভিযান শুরু করল মোহাম্মদ নবীর দল। টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানের সবচেয়ে বড় জয় এটিই। আগের জয়ের রেকর্ডটি ছিল ২০১৩ সালে। এই শারজাহতেই সেবার কেনিয়ার বিপক্ষে ১০৬ রানে জয় পেয়েছিল আফগানরা। আজ সোমবার টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৯০ রান সংগ্রহ করে আফগানিস্তান। চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে এটাই সর্বোচ্চ দলীয় সংগ্রহ। জবাব দিতে নেমে ১০.২ ওভারে মাত্র ৬০ রানেই অলআউট হয়ে যায় স্কটল্যান্ড। কঠিন লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটা কিছুটা ভালো করে স্কটিশরা। কিন্তু শুরুর জুটি ভাঙলেই এলোমেলো হয়ে যায় সব। চতুর্থ ওভারে স্কটিশদের প্রথম ধাক্কা দেন মুজিব। দলীয় ২৮ রানে স্কটিশ অধিনায়ক কাইল কোয়েটজারকে বোল্ড করেন তিনি। ৭ বলে ১০ রান করে সাজঘরে ফেরেন অধিনায়ক। ওই এক ওভারে স্কটল্যান্ডের ব্যাটিং নাড়িয়ে দেন মুজিব। তুলে নেন আরো দুই ব্যাটসম্যান—কালাম ম্যাকলেয়ড ও রিচি ব্রাইটনের উইকেট। মুজিবের ওই ওভারের পর শুধু হতাশাই দেখেছে স্কটল্যান্ড। এরপর বাকিরা খালি উইকেটে আসা-যাওয়ার মিছিলে ছিলেন। শেষ দিকে স্কটল্যান্ডকে ভুগিয়েছে রশিদ খানের স্পিন। চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ে স্কটল্যান্ড বেশিদূর যেতে পারেনি। থেমে যায় মাত্র ৬০ রানে। আফগানিস্তানের হয়ে বল হাতে ৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে পাঁচ উইকেট নেন মুজিব। এটি তাঁর ক্যারিয়ার সেরা বোলিং।আর ২.২ ওভার বোলিং করে মাত্র ৯ রান খরচায় চার উইকেট নেন লেগ স্পিনার রশিদ খান। এর আগে শারজাহতে ব্যাটিংয়ের শুরু থেকেই বেশ সাবলীল দেখা যায় আফগানিস্তানকে। স্কটিশ বোলাররা শুরুর ৫ ওভারে আফগান ব্যাটসম্যানদের কোনো রকম পরীক্ষাতেই ফেলতে পারেননি। বিনা উইকেটেই স্কোরবোর্ডে ৫৪ রান যোগ করেন আফগানিস্তানের ওপেনার হজরতউল্লাহ জাজাই ও মোহাম্মদ শেহজাদ। ষষ্ঠ ওভারে এই জুটি ভাঙেন শরিফ। বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে সীমনার কাছে ক্যাচ তুলে দেন শেহজাদ। ১৫ বলে ২২ রান করে বিদায় নেন শেহজাদ। দশম ওভারে থামেন জাজাই। তাঁকে বোল্ড করেন ওয়াট। ৩০ বলে সমান তিনটি করে ছক্কা-চারে ৪৪ রান করেন আফগান ওপেনার। দুই ওপেনার ফিরলেও রানের গতি কমেনি আফগানদের। তৃতীয় উইকেটে আফগানদের আরেকটি চমৎকার জুটি উপহার দেন রহমতউল্লাহ গুরবাজ ও নাজিবউল্লাহ জাদরান। দুজনে মিলে গড়েন ৫২ বলে ৮৭ রানের শক্ত জুটি। এই জুটিতেই লড়াইয়ের পুঁজি পেয়ে যায় আফগানিস্তান। ইনিংস শেষ বলে আউট হওয়া জাদরান করেন সর্বোচ্চ ৫৯ রান। ৩৭ বলে ৪৬ রান করেন গুরবাজ। আইসিসির র‍্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকায় বিশ্বকাপে সরাসরি অংশ নিয়েছে আফগানরা। শুরুর ম্যাচেই তারা পেয়েছে প্রথম পর্ব থেকে খেলে আসা স্কটল্যান্ডকে। প্রতিপক্ষকে নিয়ে বেশ স্বস্তিই পেল আফগানিস্তান। কারণ তাদের সঙ্গে হেড টু হেড লড়াইয়ে আগে থেকেই এগিয়ে আফগানরা। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে আগের ছয় দেখায় সবগুলোতে জিতেছে তারা। এবারও জয়ের ছন্দ ধরে রাখল আফগানিস্তান






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply