Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » পশ্চিম তীরে নতুন করে ইহুদি বসতি স্থাপনের ইসরায়েলি পরিকল্পনার ‘তীব্র বিরোধিতা’ করেছে যুক্তরাষ্ট্র




পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বসতি নির্মাণের বিরোধিতা যুক্তরাষ্ট্রের দখল করা

ট্র। বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের এমন অবস্থানের কথা স্থানীয় সময় গতকাল মঙ্গলবার জানান মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র নেড প্রাইস। সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নেড প্রাইস বলেন, ‘ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে নতুন করে হাজারের বেশি বসতি স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে ইসরায়েল সরকার। মার্কিন প্রশাসন ইসরায়েলের এমন পরিকল্পনার বিষয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।’ এই বিষয়ে নেড প্রাইস আরও বলেন, ‘আমরা (মার্কিন প্রশাসন) ইসরায়েলের এমন পরিকল্পনার তীব্র বিরোধিতা করছি। এই উদ্যোগ ওই অঞ্চলের উত্তেজনা কমিয়ে আনার প্রক্রিয়ার সঙ্গে পুরোপুরি অসামঞ্জস্যপূর্ণ।’ ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেটের সরকার গত রোববার দখল করা পশ্চিম তীরে আরও ইহুদি বসতি স্থাপনের পরিকল্পনার কথা জানায়। ইসরায়েলের গৃহায়ণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পশ্চিম তীরে ১ হাজার ৩৫৫টি বাড়ি নির্মাণের জন্য টেন্ডার প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন বসতিগুলোয় দুই হাজারের বেশি বাসিন্দা থাকতে পারবে। গত আগস্টে পশ্চিম তীরে এসব বসতি নির্মাণের অনুমোদন দেয় ইসরায়েল সরকার। ১৯৬৭ সালে ৬ দিনের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় পশ্চিম তীর দখল করে ইসরায়েল। এর পর থেকে বিভিন্ন দফায় সেখানে বসতি স্থাপন করেছে দেশটি। ইসরায়েলের গৃহায়ণমন্ত্রী জিভ এলকিন রোববার এক বিবৃতিতে বলেন, ইহুদিবাদী দৃষ্টিভঙ্গি কার্যকরের জন্য সেখানে (পশ্চিম তীরে) ইহুদিদের উপস্থিতি জোরদার করা জরুরি। বিজ্ঞাপন নতুন করে বসতি স্থাপনের পরিকল্পনার নিন্দা জানিয়েছেন ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শাতায়াহ। সাপ্তাহিক মন্ত্রিসভার বৈঠকে তিনি ইসরায়েলের এই বসতি নির্মাণকে ফিলিস্তিনিদের ওপর ‘আগ্রাসন’ বলে বর্ণনা করেন। এ সময় ইসরায়েলি আগ্রাসন ঠেকাতে বিশ্বের অন্যান্য দেশ বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। এর আগেও ইসরায়েলের এমন পরিকল্পনার বিরোধিতা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। গত শুক্রবার নেড প্রাইস যেকোনো একতরফা পদক্ষেপ নেওয়া থেকে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। এ সময় তিনি বলেন, এমন পদক্ষেপ ওই অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়াবে এবং এতে করে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানে অগ্রগতি থমকে যাবে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply