Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » কৃত্রিম সংকটে সারের দাম বৃদ্ধি, বিপাকে কৃষকরা




রাজশাহীতে সব ধরনের সারের দাম বস্তা প্রতি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা বেড়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন কৃষকেরা। কৃত্রিম সংকটে সারের দাম বৃদ্ধি, বিপাকে কৃষকরা তাদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত মজুদ থাকলেও ডিলাররা সারের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ডিলাররা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বরেন্দ্র অঞ্চলের মাঠে মাঠে ফুলকপি, বাঁধাকপি, মূলা, পালং শাকসহ হরেক রকম আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষকেরা। ভালো ফলন পেতে বাড়তি যত্নের পাশাপাশি কৃষকেরা আবাদি জমিতে প্রয়োগ করছেন কীটনাশক ও নানা ধরনের সার। তবে রাজশাহীতে ইউরিয়া, টিএসপি, পটাশসহ সব ধরনের সারের দাম বস্তা প্রতি বেড়েছে ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত। কৃষকদের অভিযোগ, ডিলারদের কাছে পর্যাপ্ত মজুদ থাকলেও সারের দাম বাড়িয়ে দেয়ায় বিপাকে পড়েছেন তারা। কৃষকরা বলছেন, ডিলাররা গুদামে সার রেখে বলছেন সার নেই। কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে বেশি দামে সার বিক্রি করছেন তারা। আরেক কৃষক জানান, যে ইউরিয়া সার ৭০০ টাকায় পাওয়া যেত তার দাম এখন ৯০০ টাকা। পটাশ সার তো পাওয়ায় যাচ্ছে না। পাওয়া গেলেও ১১০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর ১৬০ টাকার দস্তা সার ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এমনকি টিএসপি সার পাওয়া যাচ্ছে না। পাওয়া গেলের ২ হাজার থেকে ২২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইউরিয়া সার আগে ৮০০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ১০০ টাকায়। পটাশ ৭০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ২০০ টাকা এবং টিএসপি ১ হাজার ২০০ টাকা থেকে হয়েছে ১ হাজার ৬০০ টাকা। সার সংকটের কথা স্বীকার করলেও দাম বাড়ার জন্য খুচরা ব্যবসায়ীদের দুষলেন ডিলাররা। তারা বলছেন, তারা দাম বাড়ায় নাই। সার বরাদ্দ নেই। ডিলাররা সরকারি দরেই সার বিক্রি করছে। তবে খুচরা বিক্রেতারা হয়তো কিছুটা বাড়তি দামে বিক্রি করে থাকতে পারে। তবে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন রাজশাহী আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, একটু ব্যবসায়িক কারণে হয়তো কেউ সংকট সৃষ্টি করে কিন্তু আমাদের যেহেতু মাঠ পর্যায় থেকে কৃষি কর্মকর্তারা আছেন, তারা এটি মনিটরিং করেন। সুতরাং বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নাই। কৃষি বিভাগের তথ্য মতে, গত মৌসুমে জেলায় ১১ হাজার ১৮৫ হেক্টর জমিতে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৮১ মেট্রিক টন সবজি উৎপাদন হয়েছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply