Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » শুভ জন্মদিন মাশরাফী




ছেলে সাহেলের সঙ্গে মাশরাফী। ছবি : সংগৃহীত মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। বাংলাদেশের ক্রিকেটকে বদলে দেওয়ার জীবন্ত কিংবদন্তি। ভাগ্য বেশ কয়েকবারই তাঁকে থামিয়ে দিতে চেয়েছিল। রাতের পর রাত চোখের পানি মুছে নতুন উদ্যমে ছুটেছেন। নিয়তিকে হারানোর জন্য ‘চোট’ শব্দটির সঙ্গে লড়াই করেছেন বহুবার। লড়াইয়ের একটা সময় তো চিকিৎসক বলেই দিয়েছিলেন—হাঁটুতে অস্ত্রোপচারের আর জায়গা নেই। তবুও থেমে যাননি, নিজের সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াইয়ে দেশের ক্রিকেটের সঙ্গে পার করেছেন লম্বা সময়। সেই মাশরাফী দেখতে দেখতে জীবনের ৩৭টি বসন্ত পার করে ফেলেছেন। আজ ৫ অক্টোবর তাঁর ৩৮তম জন্মদিন। শুভ জন্মদিন মাশরাফী। ১৯৮৩ সালের এই দিনে নড়াইলের নড়াইলের চিত্রা নদীর পাড়ে মহিষখোলা গ্রামে জন্ম মাশরাফীর। মজার বিষয় হলো—২০১৪ সালে ঠিক আজকের দিনেই জন্ম নেয় তাঁর একমাত্র ছেলে সাহেল মোর্ত্তজা। জুনিয়র মাশরাফীকেও জন্মদিনের শুভেচ্ছা। দুরন্ত দস্যিপনার মধ্য দিয়ে মাশরাফীর শৈশব কেটেছে চিত্রা নদীর পাড়ে। যে নদী ছোটবেলা থেকে বেশ টানতো মাশরাফীকে। কিন্তু, নদীর মায়া উপেক্ষা করে কখন যে ব্যাট-বলের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন, তা হয়তো জানা নেই মাশরাফীর নিজেরও। এগারো বছর বয়সে মাশরাফীর ক্রিকেট গল্পের শুরু। নড়াইল ক্রিকেট ক্লাবে প্রথম পথচলা। এরপর ১৯৯১ সালে মাগুরা হয়ে বিকেএসপির ক্যাম্প। ওই বয়সে গতি আর সুইংয়ের খেল দেখিয়ে সুযোগ পেয়ে যান খুলনা বিভাগীয় অনূর্ধ্ব-১৭ দলে। তারপর থেকে পথচলা শুরু। ২০০১ সালের ৮ নভেম্বর। ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে দেশের জার্সিতে টেস্ট ক্রিকেট দিয়ে অভিষেক হয় মাশরাফীর। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচে চার উইকেট নিয়ে নিজের আগমনী বার্তা বুঝিয়ে দেন ‘নড়াইল এক্সপ্রেস’। একই মাসে লাল-সবুজের জার্সিতে পা রাখেন ওয়ানডে ক্রিকেটে। সে ম্যাচেও দারুণ বোলিংয়ে দলীয় সর্বোচ্চ উইকেট নেন। কিন্তু পরের বছরই নিয়তির কাছে থমকে যান তিনি। গাছে থেকে পড়ে অপারেশনের জন্য চেন্নাই যেতে হয়। পরের বছর আবারও চোট। ছিঁড়ে যায় লিগামেন্ট। যার জন্য দুই দফায় ছুরি-কাঁচির নিচে যেতে হয়। এরপর ছোট-বড় মিলিয়ে মোট সাতটি অস্ত্রোপচার করতে হয় মাশরাফীর হাঁটুতে। এই সাতটি অস্ত্রোপচারের মধ্যে জীবনের অনেক সোনালি সময় হারিয়ে ফেলেছেন মাশরাফী। ইনজুরি তাঁর কাছ থেকে কেঁড়ে নিয়েছে ঘরের মাঠে ২০১১ সালের বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ। সৌভাগ্যক্রমে, গত কয়েক বছর ছুরির নিচে যেতে হয়নি তাঁকে। তবে, এখনও একটু পরিশ্রম করলে তাঁর হাঁটু ফুলে যায়। ঘুম ভেঙে সঙ্গে সঙ্গে বিছানা থেকে উঠতে পারেন না। তবে, নিজের চোট যুদ্ধকে আড়াল করে টিভির পর্দায় দেখা যায় অদম্য এক মাশরাফীকে। অনেকটা রুপালি পর্দার সেসব চরিত্রের মতো—পর্দার বিনোদনদায়ী চেহারায় যাঁরা ঢেকে রাখেন বাস্তব জীবনের কষ্টগুলো। প্রতিপক্ষের উইকেট কিংবা দেশ জিতলে উল্লাসে মেতে ওঠেন। কিন্তু, পর্দার পেছনের সংগ্রামের খবর ক’জন রাখে!






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply