Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » দরজায় কড়া নাড়ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব




দেবী দুর্গার আগমনে আনন্দের বার্তা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের

। আর এরই সঙ্গে দেবী দুর্গার আগমনে আনন্দের বার্তা বয়ে যাচ্ছে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মাঝে। দেবী দুর্গার আগমনে আনন্দের বার্তা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসবকে ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়য় মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে প্রতিমা তৈরির শেষ মুহূর্তের কাজ। রঙের আঁচড়ে দেবী দুর্গাকে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে বর্ণিল সাজে। পূজা ঘনিয়ে আসায় এখন রাতদিন ব্যস্ত সময় পার করছেন মৃৎশিল্পীরা। প্রতিটি প্রতিমাকে রংতুলির নিপুণ আঁচড়ে রাঙাতে ব্যস্ত শিল্পীরা। চলছে সাজ-সজ্জার কাজও। দেবী দুর্গার সঙ্গে সাজিয়ে তোলা হচ্ছে কার্তিক, গণেশ, লক্ষ্মী আর সরস্বতী দেবীকেও। যেন দম ফেলার ফুসরত নেই মৃৎশিল্পীদের। পুরুষদের কাজে সাহায্য করছে বাড়ির নারীরাও। এদিকে ভক্তরা দেবী দুর্গার রাতুল চরণে পুষ্পাঞ্জলি প্রদান করার জন্য অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছেন ভক্তরা। তারা বলছেন, মায়ের আগমনের ক্ষণকালে ভক্তরা সবাই পুলকিত। ভক্তদের মনে লেগেছে আনন্দের দোলা। শহরের পূর্ব পাইক পাড়া এলাকার গৃহবধূ ঈশিতা চক্রবর্তী জানান, মায়ের আগমন উপলক্ষে আমরা সবাই বেশ খুশি। পরিবারের সবার জন্য কেনাকাটা করেছি। সপ্তমী থেকে নবমী পর্যন্ত মায়ের রাতুল চরণে পুষ্পাঞ্জলী প্রদান করব। মহামারি করোনার প্রভাব কাটিয়ে আমরা যেন আবারও আপন ভুবনে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারি সেই প্রার্থনা করব। শহরের মেড্ডা এলাকার বাসিন্দা গৃহবধূ শ্রিপ্রা বিশ্বাস বলেন, দুর্গা মায়ের আগমনকে কেন্দ্র করে গত এক মাস ধরে নানা প্রস্তুতি নিচ্ছি ছেলেমেয়ের জন্য কেনা কাটার পাশাপাশি শ্বশুর-শাশুড়ির জন্য কেনাকাটা করেছি। এ ছাড়া আত্মীয়স্বজন তো আছেই। তাদের জন্যও কেনাকাটা করা হয়েছে। সব মিলিয়ে আমরা অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছি কখন আসবে মাহেন্দ্রক্ষণ। মায়ের রাতুল চরণে পুষ্পাঞ্জলি প্রদান করব। এবার জগৎ জননী মায়ের কাছে দেশের জন্য, দশের জন্য প্রার্থনা করবে মা যেন সব রোগ শোক থেকে আমাদের মুক্ত রাখে। আরও পড়ুন: বাগেরহাটে দুর্গা পূজা হচ্ছে ৬২৩ মণ্ডপে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পূর্ব পাইক পাড়া গগন সাহাবাড়ী রোড সার্বজনীন দুর্গাপূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশিষ কুমার সাহা জানান, এ বছর মায়ের আগমনে আমরা অনেকটাই পুলকিত। মায়ের আগমনী বার্তার সঙ্গে সঙ্গে করোনার প্রভাব এবং আক্রান্তের হার অনেকটাই কমে গেছে। তার পরও আমরা সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি পুরোপুরি মেনে পূজার আয়োজন করেছি। ইতোমধ্যে আমাদের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। মণ্ডপে প্রতিমা আনা হয়েছে। কিছুটা সাজসজ্জার কাজ চলছে। এখন অপেক্ষা ক্ষণকাল গণনা করা। আমরা পঞ্জিকার তিথি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পাড়া প্রতিবেশীসহ পূজা কমিটির সবাইকে সঙ্গে নিয়ে মায়ের রাতুল চরণে পুষ্পাঞ্জলি প্রদান করব। এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভোলাচং গ্রামের মৃৎশিল্পী বরেন পাল জানান, দুর্গাপূজার আর মাত্র দুই দিন বাকি। শেষ মুহূর্তে আমরা প্রতিমার গায়ের সাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছি। কেননা প্রত্যেকের হাতে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই প্রতিমা তুলে দিতে হবে। তারা প্রতিমা নিয়ে নিজ- নিজ এলাকায় মণ্ডপে স্থাপন করবেন। সে জন্য নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছি। একই কথা জানান মলাই চন্দ্র পাল নামে অপর এক মৃৎশিল্পী। তিনি জানান, কাজ শেষ হতে এখনো বাকি আছে। যার কারণে অনেক ব্যস্ত সময় পার করতে হচ্ছে। তবে শেষ সময়ের আগেই কাজ সমাপ্ত করে পূজারিদের হাতে প্রতিমা তুলে দেব। সে জন্য রাতদিন কাজ করছি। তিনি বলেন গতবার ৩২টি প্রতিমা বানিয়ে ছিলাম। এবার ৪২ প্রতিমা বানাচ্ছি। ভক্তদের পক্ষ থেকে তারা আছে। তাই যত দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করে চেষ্টা করছি। জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সোমেশ রঞ্জন রায় জানান, এবার জেলার ৯টি উপজেলায় ৫৮০টি পূজা মণ্ডপে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়েছে। গত ২৬ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সার্বিক বিষয় নিয়ে বৈঠক হয়েছে। গত বছর করোনার হার বেশি ছিল, এ বছর মায়ের আশীর্বাদে অনেকটা কমে গেছে। এ বছরও স্বাস্থবিধি মেনে উৎসব উদযাপনের সব প্রস্তুতি নিয়েছে পূজা উদযাপন পরিষদ। এ ছাড়া প্রতিটি এলাকায় স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্যে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান জানান, শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে করার জন্য পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিটি পূজামণ্ডপে চার স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে আনসার বিডিপিদের নিয়োগের কথা বলা হয়েছে। পূজামণ্ডপ এলাকায় ঝামেলা এড়াতে সব প্রকার মোটরসাইকেল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে সাংবাদিক এবং আইনশৃঙ্খলা দায়িত্বে নিয়োজিতরা এই নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply