Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » সাতক্ষীরা মন্টু মিয়ার বাগানবাড়ি থেকে কুমির-অজগর-হরিণসহ ৪৯ বন্যপ্রাণী উদ্ধার




মন্টু মিয়ার বাগানবাড়ি থেকে কুমির-অজগর-হরিণসহ ৪৯ বন্যপ্রাণী উদ্ধার

সদর উপজেলার স্বনামধন্য রিসোর্ট ‘মন্টু মিয়ার বাগান বাড়ি ও মিনি চিড়িয়াখানা’ থেকে মহাবিপন্ন উল্লুক, লোনাপানির কুমির, মদনটাক পাখিসহ ৪৯টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিট, খুলনার বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ এবং বন বিভাগ খুলনা অঞ্চলের যৌথ অভিযান প্রাণীগুলো উদ্ধার করা হয়। বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের নেতৃত্বে ঢাকার বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আস সাদিক, খুলনা বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের পরিদর্শক রাজু আহমেদ, বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা তন্ময় আচার্য, মৎস্য বিশেষজ্ঞ জনাব মফিজুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে উদ্ধারকৃত বন্যপ্রাণীগুলোর মধ্যে রয়েছে- ১টি গুঁইসাপ, ২টি অজগর, ১টি মদন টাক, ১টি ভুতুম পেঁচা, ৩টি বানর, ১টি দাগী রাজহাঁস, ১টি চখাচখি, ১৭টি পাতি সরালি, ১টি লোনা পানির কুমির, ৩টি চিত্রা হরিণ, ১টি ম্যাকাও, ২টি ময়ূর, ১টি শেয়াল, ১টি পালাসী ঈগল, ৩টি তিলা ঘুঘু, ১টি ধুপনী বক, ১টি ভুবন চিল, ১টি বাজপাখি, ১টি উল্লুক, ১টি হনুমান এবং ২টি সজারু। আরও পড়ুন : ডলফিনের বিলুপ্তি ঠেকাতে সরকারের পদক্ষেপ কি যথেষ্ট? এদের মধ্যে উল্লুক, লোনা পানির কুমির, মদনটাক, দাগী রাজহাঁস, খয়রা চখাচখি, সজারু ও পালাসী ঈগল আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের (আইইউসিএন) রেড লিস্ট গ্রন্থে মহাবিপন্ন (Critically Endangered) বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বন্যপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটের বন্যপ্রাণী পরিদর্শক আব্দুল্লাহ আস সাদিক জানান, গোপনসূত্রে খবর পেয়ে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে পার্কের মালিক বন্যপ্রাণীগুলো স্বেচ্ছায় বন বিভাগের কাছে কাছে হস্তান্তর করেন এবং ভবিষ্যতে তার পার্কটিতে আর কোনো বন্যপ্রাণী রাখবেন না বলে অঙ্গীকার করে। তাই তার বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আরও পড়ুন : দেশে পাওয়া গেল প্রথম হলুদ রঙের সাপ! তিনি বলেন, প্রাণীগুলোর বেশির ভাগেরই আবাসস্থল সুন্দরবনকেন্দ্রিক হওয়ায় তাদেরকে খুলনা বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেসকিউ সেন্টারে রেখে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও প্রকৃতিতে ছাড়ার উপযোগী করে তোলা হবে এবং পরবর্তীতে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা হবে। এর মধ্যে কিছু প্রাণী যেমন উল্লুক, সজারু, ও লালচে হনুমানের আবাসস্থল সিলেট ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে হওয়ায় সেসব প্রাণীগুলোকে ঢাকায় বনপ্রাণী অপরাধ দমন ইউনিটে কার্যালয়ে নিয়ে পরিচর্যার পর পরবর্তীতে ওইসব অঞ্চলে অবমুক্ত করা হবে। বাংলাদেশ বন বিভাগের বন্যপ্রাণী ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ কর্মকর্তা এবং তরুণ বন্যপ্রাণী গবেষক জোহরা মিলা জানান, বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন-২০১২-এর ৬ ধারা অনুযায়ী আইনটির চারটি তফসিলে উল্লেখিত কোনো প্রজাতির বন্যপ্রাণী ধরা অথবা শিকার বা বন্যপ্রাণীর মাংস, সম্পূর্ণ বা অসম্পূর্ণ ট্রফি, বন্যপ্রাণীর অংশবিশেষ অথবা বন্যপ্রাণী থেকে উৎপন্ন কোনো দ্রব্য দান, ক্রয়-বিক্রয় বা কোনো প্রকারে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান অথবা অন্য কারও কাছে হস্তান্তর করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আরও পড়ুন : ১০ ঘণ্টার ব্যবধানে বসতি থেকে ৩ অজগর উদ্ধার তিনি বলেন, এই আইনের ৪১ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি এই আইনের অধীন কোনো অপরাধ করলে বা অপরাধে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সহায়তা করলে অথবা বন্যপ্রাণী অপরাধে প্ররোচনা দিলে ওই ব্যক্তি সংঘটিত অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এ ছাড়া একই ব্যক্তি পুনরায় একই অপরাধে সম্পৃক্ত হলে পূর্বের দ্বিগুণ শাস্তির বিধান রয়েছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply