Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » একবছর পর ফেরত মোবাইল ল্যাপটপ, সচল হল রিয়ার বন্ধ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট




Sushant-Rhea: একবছর পর ফেরত মোবাইল ল্যাপটপ, সচল হল রিয়ার বন্ধ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিজস্ব প্রতিবেদন: গত বছর জুন মাসে নিজের ফ্ল্যাটেই আত্মঘাতী হয় বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা সুশান্ত সিং রাজপুত (Sushant Singh Rajput)। তাঁর মৃত্যু ঘিরে রহস্যের শেষ নেই। এখনও সব রহস্যের অবসান ঘটেনি। সুশান্তের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে শুরু হয়েছিল তদন্ত। সেই সময়ই সামনে আসে বলিউডের মাদক যোগ। সুশান্তকে মাদক সরবরাহ করার অভিযোগ ওঠে তাঁর প্রেমিকা রিয়া চক্রবর্তীর (Rhea Chakraborty) বিরুদ্ধে। অভিনেতার মৃত্যুর সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছেন তাঁর বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তী। সেই সন্দেহেই তাঁকে গ্রেফতার করেছিল নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (NCB)। তবে শুধু রিয়া নয় গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁর ভাই শৌভিক চক্রবর্তী (Showik Chakraborty) সহ আরও প্রায় কুড়ি জন। এক মাস জেলে থাকার পর অবশ্য জামিনে ছাড়া পান রিয়া ও তাঁর ভাই। এনসিবির পাশাপাশি এই মৃত্যু রহস্যের তদন্ত শুরু করে সিবিআই। রিয়াকে তাঁর মৃত্যুর জন্য দায়ী করে সুশান্তের পরিবার। পাটনা পুলিস স্টেশনে রিয়া, তাঁর বাবা-মা ও তাঁর ভাই শৌভিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন সুশান্তের বাবা কে.কে.সিং। একটি মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উঠে আসে একাধিক ইস্যু। সুপ্রিম কোর্টের আদেশে গত বছর অগাস্ট মাসে এই তদন্তের ভার নেয় সিবিআই (CBI)। তবে সিবিআই ছাড়াও এই মৃত্যুকে ঘিরে আরও বেশ কয়েকটি বিষয় নিয়ে তদন্ত চালায় ইডি (ED) ও এনসিবি (NCB)। নিজের মোবাইল ও অ্যাকাউন্ট ফেরত পাওয়ার আবেদনে রিয়া লিখেছিলেন যে ঐ ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকেই তিনি নিজের খরচ চালান। তিনি একজন অভিনেতা, তাঁর লাইফস্টাইলের জন্য অনেক টাকার দরকার। পাশাপাশি তাঁর ভাইয়েরও দেখাশোনা করেন তিনি। ফলে অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপদে পড়েন তিনি। ১০ মাস বাজেয়াপ্ত থাকার ফলে তার প্রভাব পড়ছে রিয়ার জীবন যাপনেও। তবে এই আবেদনের বিরুদ্ধে আপত্তি তোলে এনসিবির আইনজীবী। বাজেয়াপ্ত করা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খুলে গেলে ও তাঁর মোবাইল ফেরত দিয়ে দিলে তার প্রভাব পড়তে পারে এই মামলায়, এমনই দাবি করেন এনসিবির আইনজীবী। যদিও শেষ অবধি রিয়ার পক্ষেই রায় দেয় আদালত।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply