Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » এসএসসি পরীক্ষা পরিচালনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ১৬ নির্দেশনা




চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা আগামী ১৪ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে। মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে এক বছর পর সশরীরে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করতে নতুন ১৬টি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। রোববার (৭ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ নির্দেশনা জারি করা হয়। নির্দেশনায় বলা হয়, পরীক্ষাকেন্দ্রে একজনের বেশি অভিভাবক পরীক্ষার্থীর সঙ্গে আসতে পারবেন না। আরও যেসব নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে সেগুলো হলো- ১. পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষার্থীর সঙ্গে একজনের বেশি অভিভাবক কেন্দ্রে আসতে পারবেন না। ২. যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে পরীক্ষার্থীদের। ৩. কোভিড-১৯ মহামারির কারণে শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরীক্ষা আয়োজন নিশ্চিত করতে হবে। ৪. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পরীক্ষা পরিচালনায় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ৫ সেপ্টেম্বর জারি করা গাইড লাইনের নির্দেশনা পালন করতে হবে। ৫. পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে সব পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই কেন্দ্রে প্রবেশ করে আসন গ্রহণ করতে হবে। অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থী নির্ধারিত সময়ের পর কেন্দ্রে আসলে রেজিস্টারে নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময় ও বিলম্বের কারণ উল্লেখ করতে হবে। ৬. বিলম্বে আসা পরীক্ষার্থীদের তালিকা প্রতিদিন কেন্দ্র-সচিব সংশ্লিষ্ট বোর্ডকে জানাবে। ৭. কেন্দ্র-সচিব ছাড়া কেন্দ্রে অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা মোবাইল ফোনের সুবিধাসহ ঘড়ি, কলম বা অননুমোদিত ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবেন না। ৮. কেন্দ্র-সচিব ছবি তোলা ও ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধাবিহীন একটি সাধারণ (ফিচার) ফোন ব্যবহার করতে পারবেন। অননুমোদিত ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। ৯. প্রত্যেক কেন্দ্রের জন্য একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দিতে হবে। ট্রেজারি বা থানা বা নিরাপত্তা হেফাজত থেকে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা তার মনোনীত উপযুক্ত প্রতিনিধি ট্যাগ অফিসারসহ প্রশ্নপত্র গ্রহণ করে পুলিশ প্রহরায় কেন্দ্রে নিয়ে যাবেন। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্যাগ অফিসারের উপস্থিতি ছাড়া প্রশ্ন বের করা যাবে না বা বহন করা যাবে না। ১০. ট্রেজারি বা থানা বা নিরাপত্তা হেফাজত থেকে কেন্দ্রে বহুমুখী নির্বাচনী প্রশ্নসহ রচনামূলক বা সৃজনশীলের সব সেটের প্রশ্নই নিতে হবে। ১১. সেট কোড পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে জানানো হবে। সেই অনুযায়ী নির্ধারিত সেট কোডে পরীক্ষা নিতে হবে। ১২. কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ট্যাগ অফিসার), কেন্দ্র-সচিব ও পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিতি ও স্বাক্ষরে বিধি অনুযায়ী প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খুলতে হবে। ১৩. পরীক্ষা চলাকালীন ও পরীক্ষা অনুষ্ঠানের আগে বা পরে কেন্দ্রে পরীক্ষার্থী ও পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা ছাড়া অন্যদের প্রবেশ সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ থাকবে। এসময়ে কেন্দ্রে প্রবেশকারী অননুমোদিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। ১৪. অনিবার্য কারণবশত কোনো পরীক্ষা বিলম্বে শুরু করতে হলে যত মিনিট পরে পরীক্ষা শুরু হবে পরীক্ষার্থীদের সেই সময় থেকে যথারীতি প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত নির্ধারিত সময় দিতে হবে। ১৫. পরীক্ষাকেন্দ্রে ও প্রশ্ন পরিবহনে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্বপালন করবে। প্রশ্নপত্র ফাঁস কিংবা পরীক্ষার্থীদের কাছে উত্তর সরবরাহে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও জেলা প্রশাসন কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেবে। ১৬. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নপত্র ফাঁস সংক্রান্ত গুজব কিংবা এ কাজে তৎপর চক্রগুলোর কার্যক্রমের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগ নজরদারি জোরদার করবে। আরও পড়ুন: টিকায় অগ্রাধিকার পাবে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী এর আগে গত ২৭ অক্টোবর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষার নিরাপত্তা সংক্রান্ত এক বৈঠকে জানানো হয় চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা চলাকালীন ফেসবুক, টুইটার, হোয়াটসঅ্যাপসহ সব ধরনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কড়া নজরদারিতে থাকবে। কোনো আইডিতে সন্দেহ হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মনিটরিং করবে। বৈঠক সূত্রে জানা যায়, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরুর এক সপ্তাহ আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কড়া নজরদারি শুরু করা হবে। কেউ যেন প্রশ্নপত্র ফাঁস করা বা তার গুজব ছাড়াতে না পারে সেসব বিষয় মনিটরিং করা হবে। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ওপরও নজরদারি করা হবে। কোনো অ্যাকাউন্টে অস্বাভাবিক লেনদেন হলে সেটি বন্ধ করে খতিয়ে দেখা হবে। বিশেষ করে ফেসবুক, টুইটার, হোয়াটসঅ্যাপে নজরদারি বসানো হবে। কোনো আইডি থেকে গুজব ছাড়ালে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে আটক করবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে কোনো আইডিতে সন্দেহ হলে তাকে নজরদাবির আওতায় আনা হবে। পরীক্ষার সার্বিক প্রস্তুতির বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, এসএসসি-সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে শেষ করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সভা হয়েছে। সেখানে বিভিন্ন বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালে কেউ যদি প্রশ্নফাঁস ও তার চেষ্টা করে অথবা এ ধরনের গুজব ছড়ায় তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজন্য আমাদের কঠোর নজরদারি থাকবে। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। আরেক প্রশ্নের উত্তরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পাবলিক পরীক্ষায় অভিভাবকরা এসে পরীক্ষা কেন্দ্রের সামনে ভিড় জমান, এবার সেটি হতে দেওয়া যাবে না। পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে একা আসলে ভালো হয়। নতুবা অভিভাবক আসলেও একজন আসবেন। সন্তানকে কেন্দ্রের ভেতরে দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দূরে অপেক্ষা করতে হবে। কোনোভাবে গেটের সামনে ভিড় করা যাবে না। পরীক্ষা কেন্দ্রে সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। তিন ফুট দূরত্ব বাজায় রেখে শিক্ষার্থীদের কেন্দ্রে বসতে হবে। কোনোভাবেই স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘন করা যাবে না বলে জানান তিনি।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply