Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » তাইওয়ানের সঙ্গে মার্কিন যোগাযোগ বন্ধে চীনের আহ্বান




যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের প্রতিনিধি দলের তাইওয়ান সফরকে এক-চায়না নীতির লঙ্ঘন বলে জানিয়েছে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বুধবার (১০ নভেম্বর) বেইজিং জানিয়েছে, তাইওয়ানের সঙ্গে সব ধরনের আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ অবশ্যই অতিসত্বর বন্ধ করতে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এমন খবর দিয়েছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, তাইওয়ানের স্বাধীনতাপন্থী শক্তির সঙ্গে মার্কিন যোগসাজশ এক বিপজ্জনক খেলা। যা অবশ্যই বন্ধ করতে হবে যুক্তরাষ্ট্রকে। সম্প্রতি চীন-তাইওয়ান উত্তেজনা বেড়েছে। গেল একবছর ধরে তাইওয়ান অভিযোগ করে আসছে, চীনা বিমান বাহিনী বারবার স্বশাসিত দ্বীপটির আকাশসীমা লঙ্ঘন করছে। তাইওয়ানকে নিজেদের বিচ্ছিন্ন প্রদেশ হিসেবে দাবি করছে চীন। কাজেই গণতান্ত্রিক দ্বীপটিকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে শক্তিপ্রয়োগের ইচ্ছা উড়িয়ে দিচ্ছে না বেইজিং। কিন্তু তাইওয়ান নিজেকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে দাবি করে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা সুরক্ষার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। এদিকে তাইওয়ানের রাডারের পর্দায় ঝাঁকে ঝাঁকে চীনা যুদ্ধ বিমানের ভেসে উঠছে। দুই ভূখণ্ডের মধ্যে প্রায়ই এমন ঘটনা ঘটতে দেখা যাচ্ছে। আর এভাবেই দ্বীপটিকে চাপে রাখছে বেইজিং। তাইপেকে মনস্তাত্ত্বিক চাপে রাখতে হাতিয়ার হিসেবে নতুন কৌশল ব্যবহা করছে চীন। এতে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যে কোনো একটি ভুলে হঠাৎ করেই মনস্তাত্ত্বিক লড়াই সত্যিকারের সর্বাত্মক যুদ্ধে পরিণত হতে পারে। ১৯৪৯ সালের গৃহযুদ্ধের পর থেকে চীনা আগ্রাসনের ভয়ে আছে স্বশাসিত দ্বীপটি। চীন থেকে আসা ভয়-আতঙ্কের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে দুই কোটি ৩০ লাখ লোকের তাইওয়ান। আকস্মিকভাবে দ্বীপটির বিমান প্রতিরক্ষা শনাক্তকরণ অঞ্চল (এডিআইজেড) দিয়ে চীনা যুদ্ধবিমানের উড্ডয়ন বেড়ে গেছে। এতে অঞ্চলটি আন্তর্জাতিক উত্তেজনা কেন্দ্রভূমি হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় চীনা আগ্রাসনের হিসাব রাখার পর থেকে সব তথ্যভাণ্ডার বিশ্লেষণ করেছে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি। এতে দেখা যায়, তাইওয়ানের আকাশসীমায় চীনা বিমানের অনুপ্রবেশের আকার ও সংখ্যা দিনে দিনে বাড়ছে। চলতি মাসের শুরুতেই সবচেয়ে নাটকীয় আগ্রাসনের ঘটনাটি ঘটেছে। চীন যখন বার্ষিক জাতীয় দিবস পালন করছিল, তখন মাত্র চারদিনে ১৪৯টি বিমান তাইওয়ানের দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চল দিয়ে অতিক্রম করেছে। গেল বছর তাইওয়ান বলেছে, দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় বিমান প্রতিরক্ষা অঞ্চল দিয়ে ৩৮০টি চীনা বিমানের অনুপ্রবেশ ঘটেছে। এরপর চলতি বছরে তা প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে। গেল ২২ অক্টোবর পর্যন্ত ৬৯২টি চীনা যুদ্ধবিমান তাইওয়ানের আকাশসীমায় ঢুকে পড়েছে। আরও পড়ুন: তাইওয়ানকে মনস্তাত্ত্বিক চাপে রাখতে চীনের নতুন কৌশল ২০১৯ সালে তাইওয়ানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানের দায়িত্ব থেকে অবসর নেওয়া লি এইচসি-মিন বলেন, চীন উত্তেজনা বৃদ্ধির কৌশল বেছে নিয়েছে। এতে তাইওয়ানের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ বাড়ছে। ২০১৬ সালের পর থেকে তাইওয়ানকে এভাবেই চাপে রাখছে। তখন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন টিসেই ইং-ওয়েন। তিনি তাইওয়ানকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বিবেচনা করায় চীনা নেতৃবৃন্দ তার ওপর বিরাগভাজন। এতে তাইওয়ানের বিরুদ্ধে চীনাদের সাইবার হামলা ও অপপ্রচার ব্যাপকহারে শুরু হয়েছে। এছাড়া মূলভূখণ্ড থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে তাইওয়ানের দুটি দ্বীপ কিনমেন ও মাটসুর চারপাশ থেকে বালু তুলে নিচ্ছে চীনা ড্রেজার। তাইওয়ানকে একদিন মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে একীভূত করার অঙ্গীকার করেছে চীন। দ্বীপটিকে নিজেদের থেকে আলাদা হয়ে যাওয়া একটি প্রদেশ হিসেবে বিবেচনা করছে বেইজিং






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply