Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » সাউন্ডবক্সে ডাক ছেড়ে কৌশলে পাখি শিকার




প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় পাল্টেছে অপরাধের ধরনও। সাধারণত নাইলেনের সুতোর তৈরি ফাঁদ দিয়ে তারা পাখি শিকার করে থাকে শিকারিরা। বড়শিতে জীবিত মাছ গেঁথেও পাখি শিকার এখন সেকেলে। বর্তমানে পাখি শিকারের জন্য অভিনব কৌশল আবিষ্কার করেছে অপরাধীরা। ইন্টারনেট থেকে পাখির ডাক ডাউনলোড করে পেনড্রাইভে নিয়ে ভোর থেকে বিলের মধ্যে বাজাতে থাকে তারা। সাউন্ডবক্সের পাশে পাতা থাকে ফাঁদ। সাউন্ডবক্সে ডাক শুনে পাখি খুঁজতে এসে ফাঁদে আটকে যায় নানা ধরনের পাখি। এসব তথ্য জানান বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ওয়াহিদ হোসেন। এদিকে, সোমবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে মোল্লাহাট উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুকুর ঘাটে শিকারিদের হাত থেকে উদ্ধার করা কালকুচ, হাসপাখি, কাইনসহ বিভিন্ন প্রজাতির ৪০টি পাখি অবমুক্ত করা হয়। এসময় ৭০টি অতিথি পাখি অবমুক্ত করে উপজেলা প্রশাসন। এর আগে, ভোরে মোল্লাহাট উপজেলার কোদালিয়া বিলে অভিযান চালিয়ে শিকারিদের হাত থেকে ৪০টি পাখি উদ্ধার করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ওয়াহিদ হোসেন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনিন্দ্য মন্ডল। এসময় পাখি ধরা ফাঁদ, সাউন্ডবক্স, ব্যাটারি, পাখির ডাক রেকর্ড করা সিডিসহ দুইজনকে আটক করে উপজেলা প্রশাসন। এর আগেও বিভিন্ন সময় কোদালিয়া ও মেহেরপুর বিল থেকে অন্তত ৩০টি পাখি উদ্ধার করে অবমুক্ত করেছে উপজেলা প্রশাসন। আটককৃতরা হলেন- মোল্লাহাট উপজেলার আড়ুয়াডিহি গ্রামের বিষ্ণনাথ বারইয়ের ছেলে রিপন বারই (৩৮) এবং একই গ্রামের বলাই রায়ের ছেলে সরত রায় (৩৬)। আরও পড়ুন: শিকারির খাঁচা থেকে আকাশে ডানা মেলল ৩৭ বক পরবর্তীতে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে রিপন বারইকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং সরত রায়কে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনিন্দ্য মন্ডল। অবমুক্ত পাখির মধ্যে কাইন, কালকুচ, হাসপাখি, বক ও ডুমখুর রয়েছে। পাখি অবমুক্তের সময় মোল্লাহাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহিনুল আলম ছানা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) অনিন্দ্য মন্ডল, ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামসহ উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। মোল্লাহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ওয়াহিদ হোসেন বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোদালিয়া বিলে অভিযান চালিয়ে ৪০টি পাখি ও পাখি ধরার ফাঁদ, সাউন্ডবক্স, ব্যাটারিসহ দুইজনকে আটক করেছি। আটককৃতদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা ও জেল দেওয়া হয়েছে। অতিথি পাখি ও বন্য প্রাণী রক্ষায় ভবিষ্যতেও এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান ইউএনও। ইউএনও আরও জানান, মোল্লাহাট উপজেলার কোদালিয়া, মেহেরপুরসহ কয়েকটি বিলে সারাবছরই অতিথি পাখিসহ বিভিন্ন প্রজাতির পাখি থাকে। উপজেলার কিছু দুষ্ট লোক এসব পাখি শিকার করে মোল্লাহাট, চিতলমারী, বাগেরহাট, খুলনাসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্রি করতো।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply