Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » ঘোর অন্ধকারে আফগান মিডিয়ার ভবিষ্যৎ




ভয়াবহ সঙ্কটে আফগানিস্তানের মিডিয়া জগৎ। অর্থের অভাব ও তালেবান সরকারের চাপে একে একে বন্ধ হচ্ছে দেশটির বিভিন্ন টেলিভিশন ও সংবাদপত্র। পরিসংখ্যান বলছে, তালেবান সরকার ক্ষমতা দখলের পর ৪০ শতাংশ মিডিয়া বন্ধ হয়ে গেছে। বাধ্য হয়ে পেশা বদল করছেন অনেক সংবাদকর্মী। আফগানিস্তানের একটি টেলিভিশনের চিত্র সাংবাদিক মুস্তাফা জাফারি। টেলিভিশনটি বন্ধ হওয়ায় জীবিকার তাগিদে এখন ফুটপাতে ভুট্টা পুড়িয়ে বিক্রি করছেন। সাবেক এই চিত্র সাংবাদিক বলেন, দুর্ভাগ্য হলেও সত্য যে আমি কোনো উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ দেখছি না। দিন যত যাচ্ছে ততই আশাহত হচ্ছি। রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং অর্থনৈতিক অবস্থা কোনোটাই ভালো না। মুস্তাফা জাফারির মতো অনেক সাংবাদিকই কাজ হারিয়ে বেকার সময় পার করছেন। গত আগস্টে তালেবান সরকার ক্ষমতা দখলের পর ব্যাপক চাপের মুখে পড়ে গণমাধ্যমগুলো। বন্ধ হয়ে যায় সংবাদ প্রচার। রাজনৈতিক চাপ ও অর্থনৈতিক সঙ্কটে টেলিভিশন ও পত্রিকা চালাতে শিমশিম অবস্থা মালিকদের। বার্তা সংস্থা এপি বলছে, তালেবান ক্ষমতা দখলের পর দেশটির ৪০ শতাংশ সংবাদ মাধ্যম বন্ধ হয়ে গেছে। কার্যক্রম গুটিয়ে নেয়ার অপেক্ষায় আরো অনেক প্রতিষ্ঠান। জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক আবিদ ইহসাস বলেন, আফগানিস্তানের সংবাদমাধ্যমের অবস্থা পরিবর্তন হয়ে গেছে। আয় কমেছে। অনেক সিনিয়র সাংবাদিক দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। মিডিয়া শিল্প খুবই দুর্বল হয়ে পড়েছে। অনেকে বন্ধ করে দিচ্ছে। কেউ বা আবার সেলফ সেন্সরশিপে আছে। তাদের ওপরও নানা বিধিনিষেধ রয়েছে। আরও পড়ুন: ওমিক্রনের তাণ্ডবে সতর্ক ভারত নিজেদের ভবিষ্যত নিয়ে শঙ্কা জানিয়ে আফগান সাংবাদিকরা বলছেন, এভাবে চলতে থাকলে তালেবান শাসনামলে আফগানিস্তানের সঠিক চিত্র উঠে আসবে না। লঙ্ঘিত হবে মানবাধিকার। আফগানিস্তান সম্পর্কে অন্ধকারে থাকবে বিশ্ব। আফগান নারী সাংবাদিক সুকরিয়া নিয়াজি বলেন, আমরা উদ্বিগ্ন। বুঝতে পারছি না ভবিষ্যতে কী করবো। একটা সীমাবদ্ধতার মধ্যদিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। সাংবাদিক নেতা মাশরুর লুতফি বলেন, আমাদের সব অর্জন এখন চ্যালেঞ্জের মুখে। দিন যত যাচ্ছে পরিস্থিতি ততবেশি কঠিন হচ্ছে। শুধু রাজনৈতিক নয়, সবকিছুর কারণেই আফগানিস্তানের মিডিয়া শিল্প একটা বাজে পরিস্থিতির মধ্যে রয়েছে। তথ্যের অবাধ প্রবাহ না থাকলে আফগান পরিস্থিতি আরো খারাপ হবে। রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারের তথ্য বলছে, তালেবানের শাসনের আগে আফগানিস্তানে প্রায় সাড়ে ৫০০ সংবাদমাধ্যম চালু থাকলেও এরইমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে ২৩১টি। কর্মহীন হয়ে পড়েছেন প্রায় সাড়ে ছয় হাজার সাংবাদিক। দেশটির জনপ্রিয় টেলিভিশন টোলো নিউজ চালু থাকলেও সব নারী সাংবাদিককে ছাঁটাই করা হয়েছে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply