Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » ওমিক্রন প্রতিরোধে ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারকদের সঙ্গে কাজ করা হবে: ফাউসি




করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার কথা জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সংক্রমণ রোগ বিশেষজ্ঞ এন্থনি ফাউসি। স্থানীয় সময় শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) হোয়াইট হাউসে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি। তিনি জানান, করোনার যে কোনো ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কার্যকর বুস্টার ডোজ তৈরীর পরিকল্পনা রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র প্রশাসনের। এন্থনি ফাউসি বলেন, করোনার সব ভ্যারিয়েন্টের জন্য সমন্বিত ভ্যাকসিন তৈরীতে আমরা টিকা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করছি, বিশেষ করে মডার্না, ফাইজার ও জনসন এন্ড জনসনের সঙ্গে। পাশাপাশি বর্তমানে যেসব টিকা আছে, সেগুলোর উৎপাদন বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছি। এরপর করোনার মূল ধরনসহ ভবিষ্যতে প্রকাশ পেতে পারে এমন যেকোনো ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কার্যকর বুস্টার ডোজও তৈরী করা হবে বলে জানান তিনি। এদিকে, শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) এক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান বিজ্ঞানী ড. সৌম্য স্বামীনাথন বলেছেন, করোনাভাইরাসের নতুন স্ট্রেইন ওমিক্রন অতি সংক্রমণশীল একটি ভ্যারিয়েন্ট হলেও এ বিষয়ে তাড়াহুড়ো করে কিছুই বলা যাচ্ছে না। ডব্লিউএইওর প্রধান বিজ্ঞানী ড. সৌম্য স্বামীনাথ বলছেন, করোনার নতুন ধরন নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে করোনাভাইরাসের নতুন স্ট্রেইন ওমিক্রন খুব বেশি সংক্রমণশীল একটি ভ্যারিয়েন্ট। তবে এ নিয়ে আতঙ্কের কিছুই নেই। আরও পড়ুন: ওমিক্রনের শঙ্কা: কতটা প্রস্তুত বাংলাদেশ? তিনি আরও বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকায় আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। প্রকৃতপক্ষে, আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিন দ্বিগুণ হচ্ছে। এতে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে এই ভ্যারিয়েন্টটি খুব বেশি সংক্রমণশীল। ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তের জন্য দক্ষিণ আফ্রিকার বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসা গোষ্ঠীর বড় ধন্যবাদ প্রাপ্য। যতদ্রুত সম্ভব তথ্য প্রদানের জন্য তারা অবিরাম কাজ করছেন। এছাড়া ওমিক্রনের সংক্রমণ ঠেকাতে সব দেশকে প্রস্তুত থাকতে বলেছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক পরিচালক ড. তাকেশি কাসাই। তিনি বলেন, আমরা যে খবর পাচ্ছি, প্রকৃত চিত্র তার থেকেও ব্যাপক। এই ধরন ভৌগোলিকভাবে ইতোমধ্যেই অনেক বেশি ছড়িয়ে পড়েছে। ওমিক্রন থেকে করোনার নতুন ঢেউ আসার সম্ভাবনার জন্য সব দেশকে তৈরি থাকতে হবে। করোনার ডেল্টা ধরন ঠেকাতে যেসব শিক্ষা আমরা পেয়েছি, নতুন এই ধরন মোকাবিলায় তা কাজে লাগাতে হবে। গত ২৪ নভেম্বর দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত হয় ওমিক্রন। এখন পর্যন্ত ৪০টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনার নতুন এ ধরন। প্রতিদিনিই ছড়িয়ে পড়ছে নতুন নতুন দেশে। সেই সঙ্গে বাড়ছে উদ্বেগ।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply