Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » Sachin Tendulkar: সচিন জানালেন কেন তিনি মাঠে ম্যান্ডেলাকেই বারবার চেয়েছেন!




দক্ষিণ আফ্রিকায় টিম ইন্ডিয়া। আর এই আবহে নস্ট্যালজিক হয়ে পড়লেন সচিন তেন্ডুলকর। ভাগ করে নিলেন নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের অভিজ্ঞতা। নিজস্ব প্রতিবেদন: দক্ষিণ আফ্রিকায় তিন ম্যাচের টি-২০ ও সমসংখ্যক ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলতে এসেছে ভারত। ফের একবার রামধনু দেশে টিম ইন্ডিয়া। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে এখনও সবচেয়ে সফল ভারতীয় ক্রিকেটারের নাম সচিন তেন্ডুলকর (Sachin Tendulkar)। ব্যাটিং মায়েস্ত্রো সেই দেশে ১৫টি টেস্টে করেছেন ১১৬১ রান। তাঁর গড় ৪৬.৪৪। 'আধুনিক ক্রিকেটের ডন' ৫টি সেঞ্চুরি ও তিনটি হাফ সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন। সর্বকালের বিচারে ভারত-দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে অনুষ্ঠিত টেস্ট ম্যাচে সর্বোচ্চ রানও আছে সচিনের। ২৫টি টেস্টে তিনি করেছেন ১৭৪১ রান। বিরাটদের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের মাঝেই নস্ট্যালজিক হয়ে পড়লেন সচিন। ট্যুইটারে ভিডিও পোস্ট করে মাস্টার ব্লাস্টার জানালেন কেন নেলসন ম্যান্ডেলার দেশে খেলতে গিয়ে তিনি মাঠে বারবার দক্ষিণ আফ্রিকার প্রয়াত প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিকেই চেয়েছেন। ১৯৯২-৯৩ মরশুমে মহম্মদ আজহারউদ্দিনের অধিনায়কত্বে প্রথমবার রামধনু দেশে গিয়েছিল ভারত। সেই সফরেই প্রথমবার ম্যান্ডেলার সঙ্গে দেখা হয় সচিনের। এরপর ১৯৯৬-৯৭ মরশুমেও ভারত দক্ষিণ আফ্রিকায় গিয়েছিল। সেবারও সচিন-ম্যান্ডেলা সাক্ষাৎ হয়। আর দু'বারই সচিন শতরান করেছিলেন ম্যান্ডেলার উপস্থিতিতে। দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদ-বিরোধী আন্দোলনের বিপ্লবী ও রাজনৈতিক নেতা ছিলেন সচিনের জন্য পয়া। কিংবদন্তি ক্রিকেটার ভিডিওতে বলেন, "গ্রেট ম্যান নেলসন ম্যান্ডেলার সঙ্গে আমার দেখা হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল ১৯৯২-৯৩ মরসুমে। প্রথমবার তখন ভারত গিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে। দক্ষিণ আফ্রিকাও বহুদিন পর ভারতের সঙ্গে খেলেছিল। ম্যান্ডেলা ওয়ান্ডারার্সে এসেছিলেন আমাদের কাছে খেলা দেখতে। দ্বিতীয়বার ১৯৯৬-৯৭ মরশুমে দ্বিতীয়বারও ওঁর সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল কেপটাউনে। ওয়ান্ডারার্সের পর আমি কেপটাউনেও সেঞ্চুরি পাই। আমি ম্য়ান্ডেলাকে বলেছিলাম আপনার উপস্থিতি আমার জন্য সৌভগ্য বহন করে আনে। দু'বারই আমি সেঞ্চুরি পেলাম। আমি যতবার ব্যাট করতে নামব, আপনাকে চাই। আমি আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখলাম। এই নিয়ে আমরা দু'জনেই হাসাহাসি করি।" ম্যান্ডেলার বক্তব্য উদ্ধৃত করে সচিন লেখেন, "বিশ্বকে বদলে দেওয়ার শক্তি রয়েছে স্পোর্টসের মধ্যে। খেলা অনুপ্রাণিত করে। যেভাবে খেলা মানুষকে একত্রিত করে সেরকমটা খুব কম ক্ষেত্রেই সম্ভব।" সচিন জানিয়ে দেন ম্যান্ডেলার এই কথাগুলি আজীবন থেকে যাবে।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply