Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » » ইউক্রেন সংকটে কী চায় চীন?




ইউক্রেন সংকট নিয়ে আরও আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে চীন। মঙ্গলবার (২২ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘে চীনের স্থায়ী প্রতিনিধি চাং চুন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকে এ আহ্বান জানান। তিনি সব পক্ষকে শান্ত থাকার এবং উত্তেজনা বাড়াতে পারে এমন কাজ এড়াতে আহ্বান জানিয়েছেন। এক বিবৃতিতে চাং চুন বলেন, ইউক্রেন-রাশিয়া উত্তেজনা নিরসনে সব ধরনের প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানাচ্ছে চীন। একইসঙ্গে বলেন, সব ধরনের উদ্বেগকে সমতার ভিত্তিতে বিবেচনা করা উচিত। চাং বলেন, ইউক্রেনে বর্তমান পরিস্থিতি নানা কারণে জটিল হয়ে পড়েছে। চীন বিশ্বাস করে জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও নীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে সব দেশের আন্তর্জাতিক বিরোধগুলি শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধান করা উচিত। এর আগে পূর্ব ইউক্রেনের বিচ্ছিন্নতাবাদী-অধ্যুষিত দোনেস্ক ও লুহানস্ককে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর সেখানে ‘শান্তি রক্ষার জন্য’ সেনা পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এই পরিস্থিতিতে জরুরি বৈঠকে বসে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসনে উদ্বিগ্ন জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যরা। সংস্থাটির সদস্যরা শুরু থেকে বিষয়টি কূটনৈতিকভাবে সমাধানের আহ্বান জানিয়ে আসছেন। এদিকে রাশিয়ার হঠাৎ এ সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ পশ্চিমা বিশ্বের নেতারা। মস্কোর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্র হিসেবে ইউক্রেন কখনোই স্থিতিশীল ছিল না। অঞ্চল দুটিকে স্বীকৃতি দিতে ডিক্রি জারির বিষয়ে ইতোমধ্যেই জার্মান চ্যান্সেলর ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁকে টেলিফোনে জানানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন পুতিন। আরও পড়ুন: রাশিয়ার বিরুদ্ধে বড় নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা পশ্চিমাদের পুতিন বলেন, ইউক্রেন অধিকৃত অঞ্চল দোনেস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল দুটিই নয় ঐতিহাসিকভাবে পুরো ইউক্রেনই ছিল রাশিয়ার। এটি চরম সত্য। রাশিয়া নয় বরং ন্যাটো, ইইউ ও যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্বের নেতারা আমাদের সঙ্গে কথার বরখেলাপ করেছেন। অবিলম্বে ন্যাটোর সেনা প্রত্যাহার করে নিতে আহ্বান জানাচ্ছি। তা নাহলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের জন্য ইউক্রেনই দায়ী থাকবে। রুশ প্রেসিডেন্টের এমন সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা। তারা বলছেন, বিচ্ছিন্ন অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট পরোক্ষভাবে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধেরই আভাস দিলেন। অবিলম্বে এই ঘোষণা প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো। পুতিনের ওই ঘোষণার পর জরুরি বৈঠকে বসেন ইইউ ও ন্যাটো সদস্যরা। পরে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট ও ইইউ কাউন্সিল প্রধান চার্লস মিশেল। তবে সেটি কী ধরনের নিষেধাজ্ঞা হতে যাচ্ছে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি। রাশিয়ার আগ্রাসন ঠেকাতে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এদিকে বিচ্ছিন্ন অঞ্চলকে স্বীকৃতি দেওয়ার পর যুদ্ধের আশঙ্কায় দোনেস্ক ও লুহানস্ক ছাড়তে শুরু করেছেন ইউক্রেনের সাধারণ বাসিন্দারা। পুতিনের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা জানিয়ে কিয়েভের বাসিন্দারা বলছেন, ইউক্রেনের যুদ্ধের পাঁয়তারা করছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। তবে মস্কোর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন রুশ নাগিরকরা।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply