Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » অবশেষে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীদের বৈঠক




শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত বৈঠক হচ্ছে সিলেট সার্কিট হাউসে অবশেষে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের কাঙ্ক্ষিত বৈঠক হচ্ছে সিলেট সার্কিট হাউসে। শুক্রবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে এ বৈঠক বসে। শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনির সঙ্গে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলও উপস্থিত আছেন বৈঠকে। upay এর আগে দুপুর আড়াইটায় ক্যাম্পাস থেকে রওনা দেয় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল। সংবাদমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মুখপাত্র নাফিসা আঞ্জুম ইমু। শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি দলের মধ্যে রয়েছেন- মুহাইমিনুল বাশার রাজ, ইয়াসির সরকার, নাফিসা আনজুম, সাব্বির আহমেদ, আশিক হোসাইন মারুফ, সাবরিনা শাহরিন রশীদ, সুদীপ্ত ভাস্কর, শাহরিয়ার আবেদীন, আমেনা বেগম, মীর রানা ও জাহিদুল ইসলাম অপূর্ব। এদিকে শাবিতে অবস্থান নিয়েছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের দীর্ঘ ২৮ দিন পর আলোচনায় বসছে আন্দোলনকারীরা। এর আগে শুক্রবার সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে বিমানে সিলেট এমএজি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আসেন শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি। এ সময় সিলেট জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ সংশ্লিষ্টরা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। দুপুর ১২টায় সিলেট সার্কিট হাউস মিলনায়তনে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি। গত বছরের ২৫ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের সব আবাসিক হল খুলে দেওয়া হয়। প্রায় ১৯ মাস পর ওই দিন থেকে হলে ফিরতে শুরু করেন আবাসিক শিক্ষার্থীরা। ফেরার পর হলে তারা বিভিন্ন সংস্কার দেখতে পান। পাশাপাশি বেশ কিছু নতুন নিয়মনীতি ও সমস্যার সম্মুখীন হন বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের আবাসিক ছাত্রীরা। এসব কারণে গত ১৩ জানুয়ারি থেকে বেগম সিরাজুন্নেসা চৌধুরী হলের প্রভোস্ট কমিটির পদত্যাগসহ তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। এরপর ১৬ জানুয়ারি বিকেলে তিন দফা দাবি আদায়ে উপাচার্যকে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইআইসিটি ভবনে অবরুদ্ধ করেন শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশ উপাচার্যকে উদ্ধার করতে গেলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সময় পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছুড়ে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। এ ঘটনায় পুলিশ ৩০০ জনকে অজ্ঞাতনামা দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা করে। পরে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার ঘটনায় উপাচার্যকে দায়ী করে তার পদত্যাগ দাবি করে এত দিন আমরণ অনশনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি চালিয়ে আসছিলেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৬ জানুয়ারি) টানা সাত দিনের অনশন ভাঙলেও উপাচার্যের অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে এ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply