Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » বিশ্বের সব থেকে রহস্যময় বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের গল্প নাকি সত্যি?




বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের রহস্য: গল্প নাকি সত্যি? বিশ্বের সব থেকে রহস্যময় জায়গাগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে ডে

ভিল্স ট্রায়াঙ্গেল, সবাই যেটাকে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল হিসেবেই জানে। আসলে মিথোলোজি ও সত্যি ঘটনার মাঝের নো ম্যান্স ল্যান্ডে লোক মুখে হাজারো কথা প্রচলিত থাকে, যেগুলো সেই সত্যি ঘটনাটির সামনে ধোয়ার মেঘ তৈরি করে। সব তর্ক-বিতর্কের ঊর্ধ্বে যে ভাবনাটি সময়ের দাবি তা হলো, এই বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের অদ্ভুতুড়ে ব্যাপারগুলো যদি আসলেই নিরঙ্কুশ ঘটনা প্রবাহ হয়ে থাকে, তখন কি হবে! চলুন, নতুন করে হয়ে যাক এই পুরনো রহস্যটির জট ছাড়ানোর চেষ্টা। বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের ত্রিভুজ অঞ্চল মায়ামির সান জুয়ান, পুয়ের্তো রিকো এবং বারমুডা। উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের এই তিনটি স্থানে পড়েছে ত্রিভজাকৃতির অঞ্চলটির তিনটি শীর্ষবিন্দু। মাঝের জায়গাটির পরিমাণ প্রায় ১৩ লাখ থেকে ৩৯ লাখ বর্গকিলোমিটার। অবশ্য এটি একদম নির্ধারিত নয়। বিভিন্ন সময় যে অংশে রহস্যময় ঘটনাগুলো ঘটেছে তাকে কেন্দ্র করে বিস্তৃত হয়েছে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল। বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের রহস্যময় ঘটনাপ্রবাহের এক ঝলক ১৮৮০ সালের ৩১ জানুয়ারি এলেন অস্টিন নামের একটি জাহাজ ইংল্যান্ডের বারমুডা থেকে ফ্যালমাউথের উদ্দেশে রাজকীয় বন্দর ছেড়ে যায়। ধারণা করা হয়- জাহাজটি পথিমধ্যে ঝড়ের কবলে পড়ে পথভ্রষ্ট হয়ে বিশাল নাবিকদল নিয়ে হারিয়ে গিয়েছিল বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলে। ১৮৮১ সালে এর ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায় এবং বন্দরে নিয়ে আসা হয়। এর মাধ্যমেই শুরু হয় বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের সূত্রপাত। ১৯৫২ সালে ফেট ম্যাগাজিনে ‘সি মিস্ট্রি অ্যাট আওয়ার ব্যাক ডোর’ নামে জর্জ স্যান্ডের একটি নিবন্ধিকা প্রকাশিত হয়। এখানে ১৯৪৫ সালে ফ্লাইট-১৯ নামে খ্যাত মার্কিন নৌবাহিনীর পাঁচটি বোমারু বিমান নিয়ে পরিচালিত একটি অভিযানের রহস্যজনক পরিণতির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। স্যান্ডের নিবন্ধটিই সর্বপ্রথম ত্রিভুজাকৃতির অঞ্চলটির ধারণা নিয়ে আসে। আরও পড়ুন : নিয়মিত কেন উল্টো দিকে হাঁটবেন? ১৯৬৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভিনসেন্ট গ্যাডিস পাল্প ম্যাগাজিন আর্গোসিতে ‘দ্য ডেডলি বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল’ নামে একটি নিবন্ধ লিখেন। এখানে বলা হয়- ফ্লাইট-১৯ সহ অন্যান্য অদৃশ্য হয়ে যাওয়া ঘটনাগুলো পরস্পরের সাথে সম্পর্কিত। গ্যাডিসের এই লেখাটিই পরবর্তীতে বিশদ আকারে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল নিয়ে আলোচনার খোরাক যোগাতে থাকে। বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল রহস্য উদ্ঘাটনের প্রচেষ্টা এ পর্যন্ত এই রহস্য উদ্ঘাটনের যতগুলো চেষ্টা হয়েছে সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ল্যারি কুশে’র ১৯৭৫ সালের প্রকাশিত বই ‘দ্য বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল মিস্ট্রি: সল্ভ্ড্’ বিশ্ব জুড়ে সর্বাধিক সাড়া ফেলে দিয়েছিল। তিনি ১৮৮০ বা ১৮৮১ সালের সংবাদপত্রে এলেন অস্টিনকে ঘিরে কথিত কোনো ঘটনা পাননি। ১৮৫৪ সালের লয়েডস অফ লন্ডন রেকর্ড থেকে এলেন অস্টিন জাহাজটির তথ্য পাওয়া যায়। কিন্তু তাতে জাহাজটির নাবিকদলের কারো হতাহতের তালিকা নেই। এছাড়া রেকর্ডটিতে সেই সময়ে এত পরিমাণে মানুষ নিয়ে কোন জাহাজের অদৃশ্য হয়ে যাওয়া এবং পরবর্তীতে তা আবার ফিরে পাওয়ার কোনো প্রমাণ নেই। ১৯৪৩ সালে প্রকাশিত রুপার্ট গোল্ড-এর ‘দ্য স্টারগেজার টক্স’ বইতে একটি পরিত্যক্ত জাহাজ খুঁজে পাওয়ার ঘটনা জানা যায়। ১৯৩০-এর দশকের একটি রেডিও চ্যানেলেও গোল্ড এ সম্পর্কে কথা বলেন। কিন্তু এসবের কোনোটিই স্পষ্টভাবে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলকে দায়ী করে না। আরও পড়ুন : ওমিক্রনে শরীরের কোথায় ব্যথা হয় এলেন অস্টিন কাহিনীটির তদন্ত ছাড়াও কুশে পরবর্তী একইরকম আরো কিছু ঘটনার চুলচেরা বিশ্লেষণ করেছিলেন। তাতে নিখোঁজের ঘটনাগুলো কাকতালিয় হিসেবে প্রতীয়মান হয়েছিল। তাঁর প্রধান খন্ডিত যুক্তিগুলো ছিল- সে সময়ের আবহাওয়ার খবরগুলো অধিকাংশ নিখোঁজ হওয়ার মূল কারণ হিসেবে এলাকাটির গ্রীষ্মমন্ডলীয় ঘূর্ণিঝড় প্রবণতাকেই নির্দেশ করে। মূলত দৈবক্রমে হারিয়ে যাওয়াটাই যদি রহস্য হয়, তাহলে কোন জাহাজ নিখোঁজ হওয়ার পর সেটা আবার খুঁজে পাওয়া এবং শেষমেষ বন্দরে নিয়ে আসার ব্যাপারটি বেশ অতিরঞ্জিত। এরপরেও সকল যুক্তি তর্কের ঊর্ধ্বে যেয়ে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের ঘটনাগুলো যদি সত্যি ধরে নেয়া হয়, তাতে নিছক লোককথার বাইরেও থেকে যায় এক নতুন জগতের হাতছানি। বহুমাত্রা এবং আন্তঃগ্যালাক্সি ভ্রমণের গবেষকরা ইতোমধ্যে বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলকে নতুন মাত্রায় প্রবেশের মাধ্যম হিসেবে দাবি করে থাকেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply