Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » কিয়েভের দিকে অগ্রসর হচ্ছে রুশ বাহিনী




কিয়েভের দিকে অগ্রসর হচ্ছে রুশ বাহিনী ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের দিকে অগ্রসর হচ্ছে রুশ বাহিনী। বৃহস্পতিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা বলেন, ইউক্রেনে হামলায় রাশিয়া ক্রমশ শক্তি বাড়াচ্ছে।

নামপ্রকাশে ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ইউক্রেনে রাশিয়া ১৬০টির বেশি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেপণাস্ত্র স্বল্প-পাল্লার। এছাড়া মাঝারি-পাল্লার ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র হামলাও চালিয়েছে রাশিয়া। ইউক্রেনঘিরে ক্ষেপণাস্ত্রের বৃষ্টি বইছে। আর তিন দিক থেকে রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে লড়ছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে এমন তথ্য দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কোনো ইউরোপীয় দেশে স্থল, সাগর ও বিমানপথে সবচেয়ে বড় হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে লাখ লাখ লোক তাদের বাড়িঘর ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পালাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার ভোর হওয়ার আগে যুদ্ধের ঘোষণা দিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এতে ৩০ লাখ জনসংখ্যার কিয়েভে সকালেই বিস্ফোরণ ও বন্দুকযুদ্ধের শব্দে নাগরিকদের ঘুম ভেঙেছে। আরও পড়ুন: ইউক্রেনে প্রথম দিনেই ১৬০ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেন, এটি পূর্ব পরিকল্পিত হামলা। রাশিয়ার বিরুদ্ধে তিনি নতুন করে কঠোর নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, পুতিন একজন আগ্রাসনকারী। এই যুদ্ধ তিনি ডেকে এনেছেন। এখন তিনি ও তার দেশকে তার পরিণতি ভোগ করতে হবে। রাতে ইউক্রেনের কয়েকটি ফ্রন্টে লড়াই চলছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে এক উপদেষ্টা বলেন, চেরনোবিলের সাবেক পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্প দখল করেছে রুশ বাহিনী। যা রাজধানী থেকে ৯০ কিলোমিটার দূরে। এছাড়া কিয়েভ অঞ্চলের হোস্টেমল বিমানবন্দরও রুশ নিয়ন্ত্রণে। সেখানে রাশিয়ার ছত্রীসেনারা অবতরণ করেছেন। খেরসন এবং ওডেসার উত্তরপূর্বাঞ্চলের সুমি ও খারকিভ অঞ্চলেও ব্যাপক গোলাগুলির খবর পাওয়া গেছে। ইউক্রেনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নৌবন্দরটি এখানে অবস্থিত। নাগরিকরা রাজধানী ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করলে মহাসড়কগুলোতে মারাত্মক যানজট লেগে যায়। বোমাবর্ষণের ভয়ে লোকজন পালাতে গেলে যানজটে আটকে যায়






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply