Sponsor



Slider

বিশ্ব

জাতীয়

রাজনীতি


খেলাধুলা

বিনোদন

ফিচার


যাবতীয় খবর

জিওগ্রাফিক্যাল

ফেসবুকে মুজিবনগর খবর

» » » » আফ্রিকান ইউনিয়ন পুতিনের প্রতি সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে




আফ্রিকান ইউনিয়ন পুতিনের প্রতি সংঘাত বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে সেনেগালের প্রেসিডেন্ট ও আফ্রিকান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ম্যাকি সাল রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে ইউক্রেনে স্থায়ী যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়েছেন। রাশিয়ার আগ্রাসনের নিন্দা জানাতে জাতিসংঘের ভোট দান থেকে বিরত

থাকে সেনেগাল।এর মাত্র এক সপ্তাহ পর সাল পুতিনের সঙ্গে এই আলোচনা হয়। এই যুদ্ধ শেষ হোক আফ্রিকার দেশগুলো তা দেখতে আগ্রহী হলেও তারা পুতিনকে বিচলিত করতে চান না। প্রেসিডেন্ট সাল আফ্রিকান ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হিসেবে বুধবার যে অনুরোধটি করেন তা ছিল এক সপ্তাহ আগে সেনেগালের প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি যা করেছিলেন তার বিপরীত। রাশিয়ান আগ্রাসনের নিন্দা জানাতে জাতিসংঘের ভোট থেকে বিরত থাকার জন্য সেনেগাল আফ্রিকার আরও ১৬টি দেশের সঙ্গে যোগ দেয়। সেনেগালকে পশ্চিম আফ্রিকায় গণতন্ত্রের আদর্শ হিসেবে বিবেচনা করা হয় স্বভাবতই তাদের এই পদক্ষেপ অনেকের কাছেই বিস্ময়ের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আফ্রিকা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ গবেষণার পরিচালক জোসেফ সিগল বলেন, "বছরের পর বছর ধরে আফ্রিকার অনেক দেশের জন্য ‘মৈত্রী মুক্ত’ অবস্থান অনেকটাই স্বাভাবিক হয়ে দাঁড়িয়েছে কারণ মহা শক্তিধর দেশগুলোর মধ্যকার প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জড়িত হতে বা এর মধ্যে সম্পৃক্ত হতে তারা চায় না। ভোট না দেওয়ার কারণ রাশিয়ার পক্ষ সমর্থন নয় বরং নিরপেক্ষতা বজায় রাখার চেষ্টা করা।” আফ্রিকা মহাদেশ জুড়ে রাশিয়া প্রচুর ব্যবসায়িক লেনদেন করে। যেমন, গত বছর সেনেগাল রাশিয়ার তেল কোম্পানি লুকোওয়েলের সাথে ৩০কোটি ডলারের একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।ক্যামেরন, মিশর, ঘানা ও নাইজেরিয়াতেও ঐ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম রয়েছে। আফ্রিকাব্যাপী রাশিয়ার খনির কোম্পানিগুলো কাজ করছে। তারা অ্যাঙ্গোলায় খনি থেকে হীরা বের করা থেকে শুরু করে গিনিতে অ্যালুমিনিয়াম এবং নামিবিয়ায় ইউরেনিয়াম উত্তোলনের কাজ করছে। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে মস্কো আফ্রিকার প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ। ২০১৫ সাল থেকে এ পর্যন্ত আফ্রিকার ২০টিরও বেশি দেশের সঙ্গে মস্কোর সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ক্রেমলিনের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত বেসরকারী রুশ সামরিক সংস্থাগুলি মালি এবং সেন্ট্রাল আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের মতো আফ্রিকান দেশগুলিতে ক্রমবর্ধমান শক্তিশালী অবস্থান অর্জন করেছে।সুতরাং, ক্রেমলিনের সাথে উত্তেজনা এড়ানোর জন্য অনেক আফ্রিকান দেশের কাছে এটাই সর্বোত্তম স্বার্থ বলে মনে হতে পারে তবে নেতারা যুদ্ধের প্রভাব অনুভব করতে শুরু করেছেন। ডাকারের চেইখ এন্টা ডিওপ বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রধান আবদু রাহমানে থিয়াম বলেন, "রাশিয়া এমন একটি দেশ যারা প্রচুর পণ্য রপ্তানি করে বিশেষ করে গ্যাস এবং গমের মতো কাঁচামাল। বিশেষ করে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে এর একটি অর্থনৈতিক প্রভাব পড়তে পারে”। থিয়াম বলেন, সৌভাগ্যবশত আফ্রিকান ইউনিয়নের কিছুটা নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কেবল বিশ্বের প্রধান শক্তিগুলোই নির্ধারণ করে না। আফ্রিকান ইউনিয়ন এখনো একটি আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান আর এর মতামতকে প্রভাবশালী হিসেবেবিবেচনা করা যেতে পারে। রাশিয়ার আফ্রিকাকে প্রয়োজন এবং তাদের নিজেদের স্বার্থে আফ্রিকান ইউনিয়নের কথা শোনা দরকার।তিনি বলেন,'আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কেবলমাত্র প্রধান বিশ্ব শক্তিবর্গই নির্ধারণ করে না আফ্রিকান ইউনিয়ন এখনো একটি আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান। এর মতামতকে প্রভাবশালী হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।” থিয়াম বলেন, “রাশিয়ারও আফ্রিকা দরকার। তাদের নিজেদের স্বার্থে আফ্রিকান ইউনিয়নের মুখপাত্রের কথা শোনা দরকার।এই আহ্বান সম্পর্কিত এক বিবৃতিতে ক্রেমলিন এই আক্রমণকে "ডনবাসকে রক্ষা করার জন্য একটি বিশেষ সামরিক অভিযান" হিসাবে উল্লেখ করেছে। যুদ্ধবিরতির জন্য সালের অনুরোধের কথা তারা উল্লেখ করেনি। পরিবর্তে, তারা জানিয়েছে রাশিয়াকে বিদেশী নাগরিকদের সরিয়ে নিত্যে বলা হয়েছে এবং উভয় নেতাই রাশিয়া-আফ্রিকান সম্পর্ককে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।






«
Next
Newer Post
»
Previous
Older Post

No comments:

Leave a Reply